কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জন্য হরেক রকম খাবার নেওয়া হয়েছিল। উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে তার ব্যতিক্রম হয়নি। আর্জেন্টিনার মানুষের প্রধান খাবার হচ্ছে গরুর মাংস। স্থানীয় পদ্ধতিতে বারবিকিউ করা বা আগুনে সেঁকা ‘আসাদো’ হচ্ছে আর্জেন্টাইনদের প্রধান খাবার, সঙ্গে ভুট্টা ও অন্যান্য স্থানীয় শষ্য দিয়ে তৈরি রুটি ও নানারকম খাবার। বিশ্বকাপ খেলতে এসে নিজেদের দেশ থেকেই বিপুল পরিমাণে মাংস নিয়ে এসেছে আর্জেন্টিনা।
কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা আর উরুগুয়ে ফুটবল দল মিলে ৯০০ কেজি মাংস নিয়ে গিয়েছিল। এবারও আগেই বিভিন্ন ধরণে কাটা ৫০০ কেজি গরুর মাংস যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে আর্জেন্টিনার বেসক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথোরিটির নীতিমালা মেনেই এই খাবার পাঠানো হয়েছে। শুধু আর্জেন্টিনাই নয়, নরওয়ে ফুটবল দল আমেরিকায় নিয়ে এসেছে নিজের দেশের স্যামন মাছ, পনির আর কমলা। নরওয়ে ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য দেশ থেকে নিয়ে আসা হয়েছে ৩০০ কেজি স্যামন মাছ, ৬০০ কমলা আর ১১৬ কেজি স্থানীয় পনির।








