ওমানে গত বছর বাংলাদেশ জুনিয়র হকি দল পঞ্চম হয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়। কোচ ছিলেন মওদুদুর রহমান শুভ। জুনিয়র বিশ্বকাপ হকি হবে ২৮ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর ভারতের চেন্নাইয়ে। লাল সবুজ দলের প্রস্তুতি শুরু হবে শনিবার থেকে, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে তোলা কোচকে বাদ দিয়ে!
হকি ফেডারেশন বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য প্রাথমিক ক্যাম্পে ৪৫ জন খেলোয়াড়কে ডেকেছে। ২৬ জুলাই ডাক পাওয়া খেলোয়াড়দের রিপোর্ট করতে হবে। কুপার টেস্টের মাধ্যমে পরের দিন থেকে শুরু হবে প্রস্তুতি।
আপাতত দুজন কোচ থাকছেন। আশিকুজ্জামান ও মশিউর রহমান বিপ্লব। সেপ্টেম্বর থেকে নেদারল্যান্ডসের কোচের আসার কথা রয়েছে। হকি ফেডারেশন বাছাইয়ে সাফল্য পাওয়া কোচ শুভকে বিশ্বকাপের মূল পর্বের জন্য বিবেচনায় রাখেনি।
এ নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনকে শুভ বলেছেন, ‘আমি কেন বিশ্বকাপের মূল পর্বে কোচ পদে নেই তা জানি না। কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগও করেনি। এখন ফেডারেশনের যা ভালো মনে হয়েছে, তাই করেছে। এখানে আর কী বলার আছে।’
শুধু অনূর্ধ্ব-২১ দলকে বিশ্বকাপেই নেননি শুভ, এরপর কয়েক দিন আগে চীনে অনূর্ধ্ব-১৮ এশিয়া কাপে বাংলাদেশকে সেমিফাইনালে নিয়ে যান। টানা দুটো সাফল্যের পরও ফেডারেশন এই কোচকে বিবেচনায় রাখেনি।
হকি ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আবু জাফর তপন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘শুভকে নানা কারণে নেওয়া হয়নি। অন্যতম কারণ হলো আমাদের কমিটির শুরুতে কোচেস প্যানেল করার জন্য ডাকা হলেও ও সাড়া দেয়নি। ব্যক্তিগত কারণ বললেও সেই সময় অন্য জায়গায় কোচিং করিয়েছে। আমরা কেবল কোচের সাফল্য দেখছি না, অন্য বিষয়গুলো বিবেচনা করে কোচ নির্ধারণ করছি। তাই কোচেস প্যানেল থেকে আশিক ও বিপ্লবকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনও ক্লাবের চাপ নেই। স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি। কোচের সিদ্ধান্তগুলো সবাই মিলে নিয়েছি। এককভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।’
শুভর সঙ্গে পরবর্তীতে যোগাযোগ করলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘ওই সময় জাতীয় সিনিয়র দলের জন্য ফেডারেশন ডাকলে আমি না করেছিলাম। তবে অন্য টুর্নামেন্টের জন্য কাজ করবো বলে সাধারণ সম্পাদককে চিঠিও দিয়েছিলাম। আর আমি বিকেএসপির কোচ, তাই ওখানে কোচিং করাই। অন্য কোথায় আর কী করবো। এখন আমাকে যদি সাফল্য পাওয়ার পরও না রাখা হয়, তাহলে কিছু বলার নেই।’









