গোল নষ্টের মহড়া দিয়ে জিতল বসুন্ধরা

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:১০, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:২৭, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৯

জিতেছে বসুন্ধরা।জয় একমাত্র গোলে।কিন্তু স্কোরলাইন বোঝাতে পারবে না,বসুন্ধরা কিংস কতটা দাপটের সঙ্গে খেলেছে । ফেডারেশন কাপে আসলে ফেবারিটের মতোই শুরু করেছে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নরা।জয়সূচক গোলটি করেছেন লেবানিজ স্ট্রাইকার জালাল কদুহ।ফরোয়ার্ডরা অজস্র গোলের সুযোগ নষ্ট না করলে এবং প্রতিপক্ষ গোলকিপার তিতুমীর চৌধুরী বাধা হয়ে না দাঁড়ালে অনেক বড় জয়ই পেত বসুন্ধরা।

জাতীয় দলের খেলোয়াড় ও উঁচুমানের বিদেশি খেলোয়াড়দের নিয়ে বসুন্ধরা এবারও শক্তিশালী দল। বৃহস্পতিবারের ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে সেই প্রমাণটা তারা দিয়েছে। ব্রাদার্স ইউনিয়নের ওপর চালিয়েছে বুলডোজার। বিশেষ করে প্রথমার্ধে ছিল তাদের একচেটিয়া প্রাধান্য।

কলিনদ্রেস-কদুহ-মতিনদের নিয়ে গড়া আক্রমণভাগ রীতিমতো চেপে ধরেছিল ব্রাদার্সকে।আর্জেন্টাইন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার নিকোলাস দেলমন্তেও কম ভয় ধরাননি। প্রথমার্ধে অন্তত হাফ ডজন গোলে এগিয়ে যেতে পারতো অস্কার ব্রুজনের দল।

তবে তাদের একমাত্র গোলটি এসেছে ম্যাচের ২৩ মিনিটে।কলিনদ্রেসের থ্রু থেকে লেবানিজ স্ট্রাইকার মোহাম্মদ জালাল কদুহ বক্সে ঢুকে আগুয়ান গোলকিপার তিতুমীর চৌধুরীকে পাশ দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন।ম্যাচ শেষে মাঠে এসে তার বাবা-মায়ের শুভেচ্ছায় সিক্তও হয়েছেন।

ব্যবধান বাড়ানোর জন্য সাঁড়াশি আক্রমণ করেও গোল বাড়াতে পারেনি বসুন্ধরা। কদুহ অবশ্য একাই দুটি সুযোগ নষ্ট করে হ্যাটট্রিক পাননি।

৩১ মিনিটে কলিনদ্রেসের ক্রসে কদুহর হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। দুই মিনিট পর জালালের শট সাইড বারে লেগে  ফিরে আসে।৩৯ মিনিটে মতিন মিয়াকে গোলবঞ্চিত করে ক্রসবার।

জালালের পর দেলমন্তেও দুটি সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ৩৮ মিনিটে কলিনদ্রেসের ক্রসে দেলমন্তের হেড সাইড বার ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। বিরতির পর ৫৯ মিনিটে দেলমন্তের আরও একটি প্রচেষ্টা গোলকিপার তিতুমীর চৌধুরী ঝাঁপিয়ে পড়ে নস্যাৎ করেন।

৭৯ মিনিটে কলিনদ্রেসের কোনাকুনি শট রুখে দিয়ে তিতুমীর বসুন্ধরার আফসোস আরও বাড়িয়ে দেন।

জিতে খুশ বসুন্ধরার স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজন ।তবে এত এত গোলের সুযোগ নষ্ট হ্ওয়ায় অসন্তোষও ঝরেছে তাঁর কণ্ঠে ,‘আজকে দলের পারফরম্যান্সে আমি খুশি।ছেলেরা ভালো খেলেছে। কিন্তু এভাবে গোল মিস না হলে বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিততে পারতাম। কিন্তু তা হয়নি।’

ব্রুজন রেফারিং নিয়ে্ও অভিযোগ তুলেছেন, ‘রেফারিং আরও ভালো হওয়া উচিত ছিল। আমাদের একটি পেনাল্টি দেওয়া হয়নি। প্রতিপক্ষ দল শরীরনির্ভর খেলেছে।রেফারি তাতে কোনও হস্তক্ষেপ করেনি। তবে হ্যাঁ, আমাদের দলের ফিনিশিং নিয়ে আরও কাজ করতে হবে।’

ব্রাদার্স ইউনিয়নের কোচ মহিদুর রহমান মিরাজ অবশ্য এক গোলে হেরে হতাশ,‘আমরা জয়ের জন্যই মাঠে এসেছিলাম। কিন্তু সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি খেলোয়াড়েরা। তবে বলতে পারি, এই দলটি লিগে নতুন রূপে ফিরবে। আবারও জায়ান্টকিলার হিসেবে আমাদের দেখা যাবে।’

/টিএ/পিকে/

লাইভ

টপ