আমিরের তোপে ফাইনালে খুলনা

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:৩৫, জানুয়ারি ১৩, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৫১, জানুয়ারি ১৩, ২০২০

দুর্দান্ত ক্যাচ নেওয়ার পর খুলনার রাইলি রুশোর উল্লাসমোহাম্মদ আমির একাই গুঁড়িয়ে দিলেন রাজশাহী রয়্যালসকে। বিপিএলের সেরা বোলিং ফিগার গড়ে পাকিস্তানি পেসারের শিকার ৬ উইকেট! তাই ৩ উইকেটে ১৫৮ রানের পুঁজি নিয়েও সহজ জয়ে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ফাইনালে পৌঁছে গেছে খুলনা টাইগার্স। আজ (সোমবার) প্রথম কোয়ালিফায়ারে শেষ বলে রাজশাহীকে ১৩১ রানে অলআউট করে মুশফিকের খুলনা জিতেছে ২৭ রানে।

হারলেও রাজশাহীর ফাইনাল খেলার সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। এলিমিনেটর জয়ী চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে খেলবে তারা। বুধবারের এই ম্যাচ জয়ীর বিপক্ষেই ফাইনালে মুখোমুখি হবে খুলনা।

রাজশাহী পুরো ২০ ওভার ব্যাট করলেও হার দেখে নিয়েছিল অনেক আগেই। বলতে গেলে নিজেদের  ইনিংসের শুরুতেই জয়ের সম্ভাবনা শেষ হয়ে গিয়েছিল, যখন ৩৩ রান তুলতে আন্দ্রে রাসেলরা হারায় ৬ উইকেট। যার চারটিই ছিল আমিরের। পাকিস্তানি পেসারের তোপে পুরোপুরি ব্যর্থ লিটন দাস (২), আফিফ হোসেন (১১), অলক কাপালি (০) ও রাসেল (০)। ওই জায়গা থেকেও রাজশাহীর রান ১৩১ পর্যন্ত গিয়েছে শোয়েব মালিকের নৈপুণ্যে। পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান ওয়ান ডাউনে নেমে ৫০ বলে করেন ৮০ রান।

আমিরের শিকার হয়ে থামতে হয় মালিককে। তাইজুল ইসলামকে আউট করে ৫ উইকেট পূরণ করা আমিরের ষষ্ঠ শিকার তার জাতীয় দলের এই সতীর্থ। দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান খরচায় ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা ‍আমিরের ৬ উইকেট এখন বিপিএল ইতিহাসের সেরা বোলিং ফিগার। আগেরটি ছিল আরেক পকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ সামির ৬ রানে ৫ উইকেট।

খুলনার জয়টা যখন প্রায় নিশ্চিত, সে সময় বোলিংয়ে এসে মিরাজ ১ ওভারে ২ উইকেট তুলে নিয়ে আনুষ্ঠানিকতা সারেন। আর একটি করে উইকেট পেয়েছেন রবি ফ্রাইলিঙ্ক ও শহীদুল ইসলাম।

এর আগে রাজশাহীর বোলিংও ছিল দারুণ। ১৫ রানের মধ্যে তারা তুলে নেয় খুলনার মেহেদী হাসান মিরাজ (৮) ও রাইলি রুশোর (০) উইকেট। উইকেট সংখ্যাটা ৩-ও হতে পারতো, কিন্তু মালিকের ‘নো বলে’ বেঁচে যান নাজমুল হোসেন শান্ত। সুযোগ পেয়ে শান্ত খেলেন অপরাজিত ৭৮ রানের ঝলমলে ইনিংস। আগের ম্যাচে অপরাজিত ১১৫ রানে চলতি বিপিএলের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। আজকের ৫৭ বলের ইনিংসটি সাজান ৭ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায়।

শামসুর রহমান অবদান রাখেন ৩১ বলে ৩২ রান করে। মুশফিকুর রহিম ভালো শুরু পেলেও হ্যামস্ট্রিংয়ে টান খেয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হতে হয়, তার আগে ১৬ বলে করেন অপরাজিত ২১ রান। নাজিবউল্লাহ জাদরানের ৫ বলে অপরাজিত ১২ রানের গুরুত্বও কম নয়।

বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন মোহাম্মদ ইরফান। রাজশাহীর এই পেসার ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। খুলনার হারানো অন্য উইকেটটি রবি বোপারার।

/কেআর/

লাইভ

টপ
X