একান্ত সাক্ষাৎকারে খালেদ মাহমুদএই অর্জন আমার একার কৃতিত্বে নয়

Send
রবিউল ইসলাম
প্রকাশিত : ২০:৩৯, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৪২, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২০

বিসিবির গেম ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদবাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান তিনি। আর এই কমিটির পরিচর্যাতেই পুষ্ট হয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দল জিতে আনলো বিশ্বকাপ। বিসিবি সভাপতি এই ঐতিহাসিক সাফল্যে সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব দিচ্ছেন তাকেই। কিন্তু তিনি নিজে কী ভাবেন? কেনই বা এমন সাফল্যের পরও বিতর্ক তার পিছু ছাড়ে না? এসব নিয়েই খালেদ মাহমুদ কথা বলেছেন বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার রবিউল ইসলামের সঙ্গে।

বাংলা ট্রিবিউন: বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রথম অধিনায়ক আপনি। আপনার হাত ধরেই এলো অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা। কি অদ্ভুত ঘটনাচক্র তাই না?

খালেদ মাহমুদ: হা হা (হাসি) ..না একবারের জন্যও এমন মনে হয়নি। মনে হয় যে এটাই স্বাভাবিক, ছেলেরা ভালো খেলেছে। এখনকার অনূর্ধ্ব-১৯ দল আর তখনকার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য। আমি এখানে অদ্ভুত কিছু দেখি না, ছেলেরা ভালো খেলেছে বলেই আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি। আমার বয়সে আমি খেলেছি, ওদের বয়সে ওরা খেলছে। তারপরও ভালো লাগছে, দলটির দায়িত্বে আমি ছিলাম।

বাংলা ট্রিবিউন: বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে কি ভাবতে পেরেছিলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল বিশ্বকাপ জিতবে?

মাহমুদ: এটা কেউ বলতে পারে না যে শিরোপা জিতবো। শিরোপা জিততে গেলে ভালো খেলার পাশাপাশি ভাগ্যের সহায়তাও লাগে। দলটিকে গত দুই বছর নানাভাবে তৈরি করেছি। অনেক ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিয়েছি। কোনও অনূর্ধ্ব-১৯ দলই আগে এমন সুযোগ পায়নি। সেদিক থেকে আমাদের ধারণা ছিল বাংলাদেশ এবার ভালো করবে।  সেই বিশ্বাস আমাদের ছিল।

বাংলা ট্রিবিউন: তারপরও ঠিক কী কী কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার কঠিন কন্ডিশনে বাংলাদেশ দল অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হতে পারলো?

মাহমুদ: আমি মনে করি পুরোটাই ওদের ম্যাচুরিটি এবং ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা। কারণ আমরা গত দুই বছর দেশে ও দেশের বাইরে প্রচুর ম্যাচ খেলেছি। এত ম্যাচ খেলার কারণে ম্যাচ-পরিস্থিতি সম্পর্কে খেলোয়াড়দের ভালো ধারণা জন্মেছিল। মনে হয় এ জন্যই ভালো করেছে। অন্য অনূর্ধ্ব-১৯ দলগুলোর চেয়ে এই দলটির পরিণতিবোধ ভালো ছিল।

বাংলা ট্রিবিউন: এই সাফল্যে কোচিং স্টাফের ভূমিকা কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

মাহমুদ: যেহেতু আমি ডিকেন্সের(ফিল্ডিং কোচ ফয়সাল হোসেন) সঙ্গে খেলেছি, ওর ব্যাপারে জানতাম। সুতরাং ওকে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দায়িত্ব দিতে আমাকে খুব বেশি ভাবতে হয়নি। ডিকেন্স খুব পরিশ্রমী, জাতীয় পর্যায়ে খেলার অভিজ্ঞতা আছে বলেই ওকে নেওয়া। জাকি ভাই (বোলিং কোচ মাহবুব আলী জাকি) অনেকদিন ধরেই পেসারদের নিয়ে কাজ করছেন। অভিজ্ঞতার কারণে তার জন্য দায়িত্বটা মোটেও কঠিন ছিল না। ফিজিও হিসেবে সানিও দীর্ঘদিন আছে আমাদের সঙ্গে। সালাউদ্দিন তো অনূর্ধ্ব-১৬ দলের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করছে। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের জন্য এমন একজন কোচ চেয়েছিলাম, মাঠে কাজ করার যার অভিজ্ঞতা ভালো। নাভিদ নওয়াজকে এই কারণেই নেওয়া। জন গ্লস্টার আমাদের ফিজিও ছিলো সেই আমাদের রিচার্ড স্টনিয়ারের নাম সুপারিশ করে। ও যে এত ভালো করবে, এমন প্রত্যাশা প্রথমদিকে ছিলই না। গত এক বছর দলকে নিয়ে অনেক পরিশ্রম করেছে। ফিটনেস ও ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশকে যে এমন দুর্দান্ত দেখালো, আমি মনে করি তাতে সবচেয়ে বড় অবদান ডিকেন্স ও রিচার্ডের।

যুব বিশ্বকাপ জেতার পর মাহমুদের আনন্দের কান্নাবাংলা ট্রিবিউন: নওয়াজ ও স্টনিয়ারকে নাকি রেখে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন?

মাহমুদ: অবশ্যই, ওদের রেখে দিতে চাই আমরা।  ওরা ভালো কাজ করেছে। অবশ্য ওদেরও চাইতে হবে! সবকিছু মিলে গেলে ওরা কাজ করবে। আমরা চাই ওরা থাকুক।

বাংলা ট্রিবিউন: অনূর্ধ্ব-১৯ দল থেকেই সাধারণত জাতীয় দলে খেলোয়াড়ের জোগান হয়। এই দলটির কয়জনকে আপনার লম্বা রেসের ঘোড়া মনে হচ্ছে?

মাহমুদ: সবকিছু নির্ভর করছে নিজের ওপর। ছেলেরা নিজেদের কীভাবে তৈরি করে, তার ওপর। বোর্ড থেকে যতখানি সাপোর্ট করার আমরা তো করবোই। আমরা যেহেতু ওদের সরাসরি অভিভাবক নই, সারাদিন চোখে চোখে রাখাটাও আমাদের সম্ভব নয়। আমরা যেটা করতে পারি ওদের মানসিকতা ও স্কিলের উন্নতি নিয়ে কাজ করতে পারি। ওদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আমরা কাজ করতে পারবো না। যে যত বেশি ডিসিপ্লিনড থেকে পরবর্তী পর্যায়ে ভালো খেলতে পারবে, তাদেরই সুযোগ হবে। আমার মনে হয় সবাই ভালো খেলোয়াড়, ওদের সবার সামর্থ্য আছে জাতীয় দলে খেলার। যারা নিজেকে ওভাবে ধরে রাখতে পারবে, তারাই জাতীয় দলে খেলতে পারবে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে সুশৃঙ্খল জীবনযাপন, তাহলেই ওদের পথটা অনেক সমৃদ্ধ হবে।

বাংলা ট্রিবিউন: আকবরদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে ওঠার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এই সময়টাই। আপনাকে ওদের দায়িত্ব দেওয়া হলে কী করবেন?

মাহমুদ: অনূর্ধ্ব-২১ দল ডেভলপমেন্টের অধীনে হবে নাকি অন্য কোনও মাধ্যমে হবে, এটা এখনও জানি না।  ডেভলপমেন্টের অধীনে থাকলে অবশ্যই দেখতে হবে। কিন্তু না হলেও যে দেখবো না তা নয়। ওদের প্রশিক্ষণ তো আর সারাবছর ধরে হবে না। এটা তো অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মতো হবে না। ওদের এশিয়া কাপ আছে, বিশ্বকাপ আছে। কিন্তু ওদের তো সেটা নেই। আমরা ওদের অফসিজনে ট্রেনিং করাবো। প্রিমিয়ার লিগ, বিপিএল, বিসিএল, জাতীয় লিগে খেলবে। পুরো মৌসুমে ৫-৬ মাস ওদের বিশেষভাবে ট্রেনিং দেওয়া হবে যাতে ওরা পরের ধাপের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারে। ওরা যাতে ভালো ট্রেনিং পায়, ভালো খেতে পারে, বাইরে ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়-সেগুলো নিয়ে আমরা কাজ করবো।

বাংলা ট্রিবিউন: আপানারা ভবিষ্যতের জন্য বুদ্ধিদীপ্ত ও অনুপ্রেরণাদায়ী অধিনায়ক খুঁজছেন, আকবর আলীকে কি তেমন মনে হচ্ছে?

মাহমুদ: আমার তো মনে হয় সে অধিনায়ক হিসেবে দারুণ। অধিনায়কের সব গুণাবলীই তার মধ্যে আছে। ঠান্ডা মাথার ছেলে, ভালো গেম রিডার, ভালো সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম-সে সামর্থ্যবান। ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদী অধিনায়ক হিসেবে আকবর আসতেও পারে।  কিন্তু সেটা অনেক দূরের কথা। আমি যেটা বললাম আকবরসহ ওদের তৈরি হতে হবে। আকবর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক। তার প্রতি সবার আগ্রহ থাকবে। এই চাপ সামলে ফোকাস ঠিক রাখতে হবে। ও যদি মানসিকভাবে স্থির থেকে সুশৃঙ্খল জীবনযাপন করে, অবশ্যই সম্ভব। শুধু আকবরই নয়, পুরো দলকেই ক্রিকেট নিয়ে ফোকাসটা ধরে রাখতে হবে।

বিশ্বজয় করে দেশে ফেরা ক্রিকেট-বীরদের বরণবাংলা ট্রিবিউন: বুধবার সংবাদ সম্মেলনে আকবরের কথা তো মুগ্ধ হয়ে শুনছিলেন…

মাহমুদ: ওরকম কিছু না, কী বলছে সেটাই বোঝার চেষ্টা করছিলাম। এমনিতেই ও ভালো বলে। ওর মাথাটা বেশ পরিষ্কার।

বাংলা ট্রিবিউন: আপনার একাডেমি বাংলা ট্র্যাক থেকে তৌহিদ হৃদয় ও তানজিদ হাসান তামিম এসেছেন। হৃদয়ের পারফরম্যান্স কেমন দেখলেন?

মাহমুদ: আমি নিজে হৃদয়ের পারফরম্যান্সে হতাশ, ওকে বলেওছি। খুব যে খারাপ করেছে তা নয়, তবে আরও ভালো করা উচিত ছিল। তার প্রতিভা নিয়ে আমার সংশয় নেই। আশা করি সামনের দিনগুলোতে সে নিজেকে গুছিয়ে নেবে। 

বাংলা ট্রিবিউন: বিসিবি প্রধান বলছিলেন, অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে চ্যাম্পিয়ন করার পেছনে সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব আপনার। এমন প্রশংসা কীভাবে নিচ্ছেন?

মাহমুদ: প্রশংসা সব সময়ই ভালো লাগে, ওনার কাছ থেকে প্রশংসা পাওয়া অনেক বড় ব্যাপার। সব সময়ই পাপন ভাই (বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান) আমাকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখেন, কী করি, না করি সব দেখেন। তিনি আমার অধিনায়ক। উনি জানেন সামর্থ্য অনুযায়ী আমি সর্বোচ্চটা করার চেষ্টা করি। আমাকে অনেক পছন্দ করেছেন বলেই পুরো কৃতিত্ব আমাকে দিয়েছেন। আসলে এই অর্জন আমার একার কৃতিত্বে নয়। পুরো কৃতিত্বই বোর্ডের। সবারই অবদান আছে।  একজন টিম বয় থেকে শুরু করে বোর্ড সভাপতি, সবারই ভূমিকা আছে। যার যতটুকু করা দরকার, সবাই তা ঠিকমতো করেছে বলেই এই সাফল্য। খেলোয়াড়েরা ভালো না করলে তো আমরা পারতাম না, আকবর যদি সেদিন ঠান্ডা মাথায় ব্যাটিং না করতো, আমরা চ্যাম্পিয়ন হতাম না। ওদের কৃতিত্বই বেশি। আমি হয়তো এই প্রক্রিয়ায় ছিলাম, পরিকল্পনাগুলো ঠিকমতো করতে পেরেছি। আর পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পেরেছি বোর্ডের কারণে। প্রচুর টাকা খরচ করেছি শেষ দুই বছর, যা এর আগে কখনও হয়নি। বোর্ড এ ব্যাপারে সহযোগিতা না করলে সাফল্য আসতো না। তো সবার প্রচেষ্টাকেই সামনে আনতে হবে, এটা আমার একার কৃতিত্ব নয়।

জাতীয় দলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাতে দেখা যায় মাহমুদকেবাংলা ট্রিবিউন: এই যে এত কিছু করলেন, তবু কিন্তু আপনাকে ঘিরে বিতর্ক আছে। কেন হয় এরকম? সব বিতর্ক ঝেড়ে ফেলে দেওয়া যায় না?

মাহমুদ: আমি এসব পাত্তা দিই না। আমি জানি না কে কী বলে, তবে  যাই বলুক এগুলো আমার কাছে গুরুত্বহীন। আমি বিসিবির পরিচালক, বোর্ড যদি আমাকে দায়িত্ব দেয় তাহলে আমি সেই দায়িত্ব নিতে পিছপা হইনি কখনও। আমি চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। ক্রিকেটসংশ্লিষ্ট সবকিছু করবো আমি, এটা আমার পেশা। এর বাইরে তো আমি কিছু করি না।  ক্রিকেটে সময় দিতে আমার কখনোও কোনও সমস্যা নেই এবং হবেও না। প্রেসিডেন্ট স্যার যদি মনে করেন ‘যেতে হবে, ওটা করতে হবে’, তাহলে করাটা আমার উচিত। আমি তো আমার ক্যাপ্টেনের নির্দেশ অনুসরণ করি।  আমি কোচ, আমি ম্যানেজার- এগুলো নিয়েই তো বাইরে আলোচনা বেশি হয়? ম্যানেজার হওয়ার জন্য আলাদা কোনও ডিগ্রি লাগে না, বহু ম্যানেজারকে দেখেছি, বহু কিছু ম্যানেজ করেছি। এটা তো রকেট সায়েন্স নয় যে পারা যাবে না। এটা সবাই পারবে, আমিও পারি। ‍উনি হয়তো এই দায়িত্বগুলো আমাকে দিতেন, আমি এখন উনার কাছ থেকে ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি চেয়েছি।  বিষয়গুলো নিয়ে উনারদেরও বিব্রত হতে হয়, শুধু আমিই বিব্রত হই তা নয়। আমার কথা হচ্ছে, কেউ করতে চাইলে করুক না, কত লোক আছে। একটা কথাই বলবো, আমি ক্রিকেটার, ক্রিকেট আমার পেশা। এই নিয়ে কেউ কিছু বললে তাতে আমার কিছু যায়-আসে না। আমি কোচিং করাতে পছন্দ করি। ওটা আমার পেশা, আমার প্যাশন। এটা আমি করেই যাবো, কারও কথায় আমি ছাড়বো না। আর বোর্ড পরিচালক হিসেবে দায়িত্বের পাশাপাশি ডেপলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে কিছু দায়িত্ব আমার আছে। এর বাইরে বোর্ড যদি আমাকে কিছু দেয়, সেগুলোও আমাকে করতে হবে। আমি চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। পিছিয়ে যাওয়া মানে ভয় পাওয়া, আমি ভয় পাই না-চ্যালেঞ্জ নিতে আমি পছন্দ করি।

বাংলা ট্রিবিউন: ক্রিকেটই কি আপনার জীবন?

মাহমুদ: জানি না, এটা কঠিন প্রশ্ন।  আমি চাই ক্রিকেটের সঙ্গে থাকতে। আমি জানি না আসলে। কাজ করতে করতে অনেক ক্রিকেটারই মারা গেছেন, অনেক ক্রিকেটারই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এমন যদি হয় ক্রিকেটের মাঠে কাজ করতে করতে মারা গেছি, বিষয়টা খারাপ হবে না। আর যদি বেঁচে থাকি অনেকদিন, তাহলে যতদিন মাঠে আসার সামর্থ্য থাকবে ততদিন মাঠে  আসবো। কেউই আমাকে আটকাতে পারবে না। আসলে ক্রিকেটেই তো বেঁচে থাকা, এটা না থাকলে হয়তো বেঁচেও থাকতে পারতাম না। আমি মনে করি কোচিং করানোর জন্য বয়স কোনও ফ্যাক্টর নয়। তরুণদের সঙ্গে যদি আমার অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারি, তাহলে দেশের জন্যই তো ভালো! আমি বলবো, আমি আজীবন ক্রিকেট নিয়েই থাকতে চাই।

/আরআই/পিকে/

লাইভ

টপ