লিওঁর মাঠে হার, বিরক্ত জুভেন্টাস কোচ

Send
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত : ১১:৫৮, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৫১, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০

হারের হতাশা গ্রাস করেছে রোনালদোকেশেষ ষোলোর ড্র ভাগ্যে অলিম্পিক লিওঁকে পেয়ে খুশিই হওয়ার কথা জুভেন্টাসের। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে অন্তত বড় দলকে তো এড়ানো গেছে। কিন্তু মাঠের ফুটবলে উল্টো চিত্র দেখলো ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। জয়ের ক্ষুধায় নিজেদের প্রমাণে প্রাণপণ লড়ে যাওয়া লিওঁ ইতিহাস লিখলো তাদের ১-০ গোলে হারিয়ে। ফিরতি লেগ ঘরের মাঠে , তাই এখনও ভালোই আছে জুভেন্টাসের।

পার্ক অলিম্পিক লিওঁর ম্যাচের প্রায় পুরো সময়ই দাপট দেখিয়েছে ফরাসি ক্লাবটি। লিগ ওয়ানে বাজে সময় কাটানো লিওঁ চ্যাম্পিয়নস লিগের বড় মঞ্চে গর্জে ওঠেছিল। শুরু থেকে সফরকারী রক্ষণে চাপ প্রয়োগ করে। একবার বারে লেগে গোলবঞ্চিত হলেও সেই আক্ষেপ জুড়ায় তারা ৩১ ‍মিনিটে, যখন ‍লুকাস তোসার্তের গোলে গ্যালারিতে ওঠে সমুদ্রের গর্জন। বাঁ প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে যান হোসেম অয়ার। তার ক্রস থেকে বাঁ পায়ের ভলিতে জাল খুঁজে পান তোসার্ত। এটাই এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে তার প্রথম গোল।

এই গোলের পর আরও প্রায় এক ঘণ্টা সময় পেলেও সমতা ফেরাতে পারেনি জুভেন্টাস। শেষ বাঁশি বাজার মিনিট তিনেক আগে পাউলো দিবালা বল জালে জড়ালেও অফসাইডে বাতিল হয়ে যায় সেটি।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ছিলেন নিষ্প্রভ। অবাক করা ব্যাপার হলো, তিনি একাদশে থাকার পরও গোটা ম্যাচে একবারও গোলমুখে শট নিতে পারেনি জুভেন্টাস! বল পজেশন (৬৪ শতাংশ) ও পাস বেশি খেললেও গোলের সামনে অসহায় ছিল জুভেন্টাসের আক্রমণভাগ।

কিন্তু কেন এমন হাল বিশ্বের অন্যতম সেরা আক্রমণভাগের? ব্যাখ্যা নেই জুভেন্টাস কোচ মরিসিও সারির কাছে, ‘কেন? এই ব্যাখ্যা দেওয়া কঠিন। তবে এটা বলতে পারি প্রথমার্ধে আমরা বল আদান-প্রদানে মন্থর ছিলাম, যে কারণে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে পারিনি।’

খেলোয়াড়দের নিয়ে কিছুটা বিরক্তও সাবেক চেলসি কোচ, ‘আক্রমণে আমাদের পরিকল্পনা ও আগ্রাসী মনোভাবে বেশ ঘাটতি ছিল। রক্ষণেও ঘাটতি ছিল। দ্বিতীয়ার্ধ ভালো গেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচের জন্য সেটি যথেষ্ট ছিল না। আমি জানি না কেন আমি খেলোয়াড়দের বোঝাতে পারছি না দ্রুত বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’

/কেআর/পিকে/

লাইভ

টপ