২০১৫ বিশ্বকাপের ব্যর্থতাই অবসরের দিকে ঠেলে দিয়েছিল তাকে

Send
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত : ২২:৪৬, জুলাই ০১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:০২, জুলাই ০১, ২০২০

এবি ডি ভিলিয়ার্স। ছবি: টুইটারসর্বকালেরই অন্যতম সেরা বলে বিবেচিত। যেভাবে খুশি শট খেলতে পারেন, তাই  নামই হয়ে গেছে ৩৬০ ডিগ্রি ব্যাটসম্যান। সেই এবি ডি ভিলিয়ার্স কিনা ফর্মের তুঙ্গে থাকতেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে দিলেন ২০১৮ সালে! ক্রিকেট গ্রহটির কাছেই একটু বিস্ময়কর ঠেকেছিল। অবসর ঘোষণার কারণ হিসেবে বলেছিলেন ‘উদ্যম হারিয়ে’ ফেলছেন, ‘ক্লান্তও মনে হচ্ছে নিজেকে’।

কিন্তু এখন জানা গেল ২০১৫ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের হার ৩৬ বছর বয়সী দক্ষিণ আফ্রিকানের ওপর প্রচণ্ড প্রভাব ফেলেছিল। বৃষ্টিবিঘ্নিত সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে ডি-এল পদ্ধতিতে চার উইকেটে হারের যন্ত্রণায় প্রায় একবছর তিনি ভেতরে ভেতরে পুড়েছেন।

 ‘হ্যাঁ, ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে ওটা (সেমিফাইনালে হার) প্রচণ্ড প্রভাব ফেলেছিল। যন্ত্রণায় নুয়ে পড়েছিলাম আমি। তারপরও আমি খেলছিলাম, বুক চিতিয়ে লড়ে যাচ্ছিলাম, আমি চালিয়ে যাওয়ারই চেষ্টা করেছিলাম। আমি ভালো ব্যাট করে যাচ্ছিলাম। তখনও আমার অসাধারণ সব বন্ধু ছিল, ছিল উজ্জ্বল সব স্মৃতি’-ভারতীয় ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলে উপস্থাপিত ‘ক্রিকবাজ ইন কনভারসেশন’ অনুষ্ঠানে বলেছেন ডি ভিলিয়ার্স।

শক্তি ও সামর্থ্য অনুযায়ী বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে দক্ষিণ আফ্রিকা চিরকালের এক বঞ্চিত দল। ১৯৯২ ও ১৯৯৯ বিশ্বকাপে দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়েও তারা নক-আউট ম্যাচ উৎরাতে পারেনি। ডি ভিলিয়ার্স বলেন,  ২০১৫ বিশ্বকাপ পরবর্তী একটি বছর তাকে যন্ত্রণা বয়ে নিয়ে বেড়াতে হয়েছে, তবে এখন তার দু:খ হয় আবেগটা কেন তিনি প্রকাশ করেননি, ‘পরবর্তী ১২টা মাস আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। এখন যখন পেছন ফিরে তাকাই তখন মনে হয় আমার একটু সৎ থাকা উচিত ছিল এবং এটা সবাইকে জানাতে পারতাম। ওই সময় আমার মনে হয়েছিল আমি একা হয়ে পড়েছি। তবে এটা মূর্খামি যে কারো সাহায্য না চাওয়া বা কাউকে কিছু না বলার জন্যই নিজেকে আপনার নি:সঙ্গ মনে হয়।’

১১৪ টেস্টে ৮৭৬৫ রান, ২২৮ ওয়ানডে খেলে ৯৫৭৭ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে অসাধারণ অর্জন ডি ভিলিয়ার্সের। অবসর ঘোষণার পর ২০১৯ বিশ্বকাপে খেলার ইচ্ছেটা প্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু তাকে আর দলে নেওয়া হয়নি। আবারও সংক্ষিপ্ত পরিসরের ক্রিকেটে দলে ফিরতে চেয়েছেন। সাবেক সতীর্থ ও বন্ধু মার্ক বাউচার দক্ষিণ আফ্রিকা দলের কোচের দায়িত্ব নিয়ে তাকে আশায়ও রেখেছেন। ডি ভিলিয়ার্স বলেছেন, ‘আবারও যদি এরকম পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হতো আমাকে, আমি হয়তো কোচ বা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য খোলামনে আলোচনা করতাম।’

/পিকে/

লাইভ

টপ