করোনাকালে ক্রীড়াঙ্গনের ভবিষ্যৎ: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মত নিয়েই সিদ্ধান্ত

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:৩২, জুলাই ০৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৪৯, জুলাই ০৯, ২০২০

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।করোনাকাল শুরুর পর থেকেই বন্ধ হয়ে আছে ক্রীড়াঙ্গন। অন্যান্য দেশে সীমিত পরিসরে খেলা বা অনুশীলন শুরু হলেও বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখনও প্রতিকূল। এই অবস্থায় ক্রীড়াঙ্গনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বৃহস্পতিবার জরুরি সভায় বসেছিল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার বিকালে এই জরুরি সভায় ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ও সংশ্লিষ্ট ফেডারেশনের কর্মকর্তারা। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে খেলাধুলা ও অনুশীলন চালুর বিষয়ে মতামত নেওয়া হবে স্বাস্থ্য অধিদফতর তথা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে। অবশ্য এক্ষেত্রে যেসব খেলাতে শরীরিক সংস্পর্শের বিষয় নেই, সেগুলোই আগে অগ্রাধিকার পাবে।

সভা শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কথাতেই মিললো তেমন ইঙ্গিত, ‘যে সকল ঘরোয়া খেলায় শরীরের স্পর্শের বিষয় নেই, সে খেলাগুলো আমরা আবার শুরু করতে চাই। তবে এর আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মতামত নিতে হবে। আমরা খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। আগামী সপ্তাহে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলবো। তাদের মতামত সাপেক্ষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’

সে হিসেবে আগামী বছর রয়েছে টোকিও অলিম্পিক। সেখানে আর্চারি ও শ্যুটিং দল অংশ নেবে। তাই এই দুটি ফেডারেশন প্রশিক্ষণ শুরু করার বিষয়ে অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, ‘আগামী বছর আর্চারি ও শুটিংয়ের খেলোয়াড়েরা অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণ করবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কীভাবে তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা যায়, সেটিও আমরা ভাবছি।’

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভাতে সাঁতার, শ্যুটিং, ভলিবল, ভারোত্তোলন, হ্যান্ডবল, কারাতে, আর্চারি, মহিলা ক্রীড়া সংস্থা ও তায়কোয়ানদো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/টিএ/এফআইআর/

লাইভ

টপ