তামিম-মোস্তাফিজ-সাইফের কাছ থেকে শিখছেন শরিফুল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:২২, অক্টোবর ১৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০০:১৫, অক্টোবর ১৯, ২০২০

২০২০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতেছে বাংলাদেশ ভারতকে হারিয়ে। দক্ষিণ আফিকায় অনুষ্ঠিত যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের চোখে চোখ রেখে বোলিং করেছিলেন। বাংলাদেশি পেসারদের সামনে ভড়কে গিয়েছিলেন ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। সেই যুবারাই এখন বাংলাদেশের সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়ছে। বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে যুবদলের ৮ ক্রিকেটার সুযোগ পেয়েছেন। তামিম ইকবালের দলে খেলছেন পেসার শরিফুল ইসলাম। একই দলে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান ও সাইফউদ্দিন আহমেদ।

তামিম একাদশের হয়ে এরইমধ্যে দুটি ম্যাচ খেলেছেন শরিফুল ইসলাম। প্রথম ম্যাচে উইকেট না পেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। ৩৭ রান খরচায় তুলে নিয়েছেন চারটি উইকেট। করোনার কারণে দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে পুরনো ছন্দে মাঠে ফিরছেন এই পেসার।

তামিম-মোস্তাফিজ-সাইফের কাছ থেকে ১৯ বছর বয়সী পেসার অনেক কিছু শিখছেন। বাংলা ট্রিবিউনকে শরিফুল বলেন, 'তামিম ভাই আমাকে বোলিংয়ের সময় বা নেট করার সময় অনেক কিছু বলেন। তারপর মোস্তাফিজ ভাই আছেন আমাদের দলে, উনাকে আমি অনেক প্রশ্ন করি। উনি সব কিছু সুন্দরভাবে শেখান, বোঝান। সাইফউদ্দিন ভাইকেও জিজ্ঞাসা করি। ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতার জায়গা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। তাদের সাথে সব কিছু শেয়ার করে ভালো লাগছে যে তাদের কিছু জিজ্ঞাসা করলে সাথে সাথে সুন্দর করে বুঝিয়ে দেয়।'

দ্বিতীয় ম্যাচে ছন্দ ফিরে পেয়েছেন, প্রথম ম্যাচে শরিফুলের একটু সমস্যা হচ্ছিল, ‘বিশ্বকাপের পর প্রিমিয়ার লিগে একটা ম্যাচ খেলে ৬-৭ মাস পরে সরাসরি এখানে এসেছি। প্র্যাকটিস করার পরে ম্যাচ খেললাম। প্রথমদিকে গেম ফিটনেস, গেম সেন্স কাজ করছিল না। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে মোটামুটি খেলেছি। ভালো লাগছে যে এতদিন পরে মাঠে ফিরেছি।'

জৈব সুরক্ষা বলয়ের অংশ হিসেবে হোটেল সোনাগাঁওয়ে আছেন বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে অংশ নেওয়া ক্রিকেটাররা। স্বাভাবিকভাবেই অন্য সবার মতো এই অবস্থার সঙ্গে পরিচয় নেই শরিফুলের। যে কারণে নিজেকেই অন্যরকম লাগছে তার, ‘বায়ো-বাবলে থাকা অবস্থায় নিজেকে একটু অন্য রকম লাগছে। এর আগে যখন খেলেছি এতটা ঘরবন্দি ছিলাম না, বাইরে যেতাম, ঘুরতাম, অবসর সময়ে একটু আড্ডা দিতাম। এখন আর সেটা হয় না।'

সোমবার মাহমুদউল্লাহ একাদশের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে তরুণ এই ক্রিকেটার বলেছেন, 'আগামীকালের ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, ফাইনালের থেকেও। যদি জিতি, তাহলে ফাইনালে যেতে পারবো। না গেলে পরেরটা কী হবে বলা যায় না। কালকের ম্যাচটাই আসল। তাই কাল আমরা ফাইনাল মনে করেই খেলবো।'

/আরআই/পিকে/

লাইভ

টপ
X