তরুণদের সঙ্গে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জটা নিচ্ছেন মামুনুল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:১০, অক্টোবর ২৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:১৭, অক্টোবর ২৯, ২০২০

সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন মামুনুল।জাতীয় দলে ১১ বছর ধরে প্রতিনিধিত্ব করছেন মিডফিল্ডার মামুনুল ইসলাম। মাঝে দীর্ঘদিন অধিনায়কের ভার ছিল তার কাঁধে। এবারও নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন। তবে জেমি ডের দলে তরুণ খেলোয়াড়দেরই প্রাধান্য বেশি। তাই মামুনুলের জন্য মূল দলে জায়গা করে নেওয়ার পাশাপাশি একাদশে সুযোগ পাওয়াটাও চ্যালেঞ্জিং-ই।

তবে এই চ্যালেঞ্জ উপভোগ করছেন আবাহনী লিমিটেডের এই মিডফিল্ডার। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুশীলন শেষে সংবাদ মাধ্যমকে ৩১ বছর বয়সী এই ফুটবলার বলেছেন, ‘আমি ছাড়া আমাদের দলের সবাই তরুণ। চেষ্টা করবো তরুণদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, তাদের চেয়েও ভালো করতে। তবে তরুণদের সঙ্গে লড়াই করেই আমাকে তাদের জায়গায় আসতে হবে। এটা খুবই ভালো এবং চ্যালেঞ্জিংও বটে। আমিও চ্যালেঞ্জটা খুব উপভোগ করছি।’

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে অনেক দিন ধরেই মাঠে খেলা নেই। যে কারণে খেলোয়াড়রা নিজের মতো অনুশীলন করেছে। কিন্তু তারপরেও ফিটনেসে ঘাটতি থেকেই যায়। মামুনুল তা মানছেন,‘ দীর্ঘদিন আমরা মাঠের বাইরে ছিলাম। ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করলেও সেটা কোনও লক্ষ্য নিয়ে করা হয়নি। এতে অবশ্যই ফিটনেসের একটু ঘাটতি থাকে। এই ঘাটতি পূরণের জন্য গত কয়েকদিন কাজ করা হয়েছে। শুধু আমি নই, সব খেলোয়াড়ই চেষ্টা করছে শতভাগ দেওয়ার। প্রতিটা সেশনের শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করছে সবাই।’

জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা মাত্র অনুশীলনে ফিরলেও তাদের আগে একমাত্র বসুন্ধরা কিংসের খেলোয়াড়রাই অনুশীলনে ছিলেন। তাই তারা অন্যদের চেয়ে ফিটনেসের দিক দিয়ে এগিয়ে। তবে মামনুল আশাবাদী যে ম্যাচের আগেই ফিটনেস পুরোপুরি ফিরে পাবেন বাকিরা, ‘আমি মনে করি বসুন্ধরা থেকে যারা এসেছে, তারা প্রায় ৯০ ভাগ ফিট আছে। আমরা যারা দলীয় অনুশীলন করিনি, ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করেছি। তাদের কেউ ৬০ বা ৭০ ভাগ ফিট। কিন্তু এ কয়েকদিনে আমাদের ফিটনেস শতভাগে নিয়ে আসতে হবে। এখনও আমাদের হাতে সপ্তাহ দুয়েক সময় আছে।’

করোনার কারণে খেলা ছিল না অনেক দিন। তার পরেও করোনা পরিস্থিতিতে প্রীতি ম্যাচগুলো দর্শক মাঠে নিয়েই করতে চাইছে বাফুফে। নিজেদের মাঠে দর্শকদের উপস্থিতিতে খেলার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেণ মামুনুল ইসলামও, ‘আমরা নিজেদের মাঠে খেলবো। এটা ভালো দিক। এই স্ট্রেন্থ কাজে লাগাতে হবে। শূন্য গ্যালারিতে খেলা হলে তো কোথায় খেলছি তা বোঝা যাবে না। অন্তত ১০ হাজার দর্শক দূরত্ব মেনে খেলা দেখতে আসলে আমরা অনুপ্রাণিত হবো।’

 

/টিএ/এফআইআর/

লাইভ

টপ