২৬তম এশিয়ান টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ আগামী ৩ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়াতে হতে যাচ্ছে। এই চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে আগামী ১ সেপ্টেম্বর দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল। সেখানে র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করার পাশাপাশি ম্যাচও জিততে চাইছেন সাদিয়া রহমান মৌ-সোনাম সুলতানা সোমারা।
এশিয়ান টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের আটজন খেলোয়াড় অংশ নেবেন। এর মধ্যে চার জন পুরুষ ও চার জন নারী খেলোয়াড়। পুরুষ খেলোয়াড় হচ্ছেন মুহতাসিম আহমেদ হৃদয়, রামহিম লিয়ন বম, ইমরুল কায়েস ইমন ও নাফিজ ইকবাল। আর চার নারী খেলোয়াড় হচ্ছেন সোমা, সাদিয়া, রহিমা আক্তার ও খৈ খৈ সাই মারমা।
দল নির্বাচন জাতীয় র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে করা হয়েছে বলে জানা গেছে। দলটির কোচ মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, ‘পুরুষ ও নারী উভয় ক্ষেত্রেই র্যাঙ্কিংয়ের সেরা তিন জন জায়গা পেয়েছেন। এছাড়া গত যুব গেমস চ্যাম্পিয়ন নাফিজ ইকবাল ও খৈ খৈ মারমাকে এশিয়ান টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অতিরিক্ত চতুর্থ খেলোয়াড় হিসাবে। মূল দলের সাথে জুনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে সুযোগ দেওয়া হয়েছে তাদের।’
চ্যাম্পিয়নশিপের সাতটি ইভেন্টের সবগুলোতেই অংশ নেবে বাংলাদেশ। ইভেন্ট হচ্ছে পুরুষ দলগত, নারী দলগত, পুরুষ একক, নারী একক, পুরুষ দ্বৈত, নারী দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈত।
এশিয়ান টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ কমনওয়েলথ গেমসেরই বাছাইপর্ব হিসেবেও গণ্য হয়। টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সহ-সভাপতি খোন্দকার হাসান মুনীর বলেছেন, ‘দলের প্রস্তুতি ভালো। ইনশাআল্লাহ্ এবারও বাংলাদেশ আগামী কমনওয়েলথ গেমসে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবো আশা করি।’
অনুশীলন নিয়ে সন্তুষ্ট দলের খেলোয়াড়রা। সোমা বলেছেন, ‘এশিয়ান টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জের। একই সাথে নিজেদের যাচাই করার বড় এক জায়গা।’ মৌ আশাবাদী কণ্ঠে বলেছেন, ‘এশিয়ান টেবিল টেনিসে পদক অর্জন সহজ নয়। চীন, জাপান, কোরিয়ার মতো দল যেখানে খেলে। র্যাঙ্কিংয়ের উন্নতি করতে পারাই বড় ব্যাপার।’ এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার দলগুলোকে হারানোর লক্ষ্য থাকবে বলে জানিয়েছেন মৌ।
মুহতাসিম আহমেদ হৃদয়ের স্বপ্ন অনেক বড়, ‘প্রথমত কোয়ালিফাই করে সেরাটা খেলে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত যাওয়ার লক্ষ্য । যে ক্যাম্প হয়েছে তাতে প্রস্তুতি বেশ ভালো।’







