‘কাবাডি খেলে ভবিষ্যৎ কি, ভারতে খেলোয়াড়রা কোটি কোটি টাকা পাচ্ছে’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২২ নভেম্বর ২০২৫, ১৩:৪৩আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০২৫, ১৩:৪৩

মিরপুর সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে শুরুতে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল থাইল্যান্ড। সময় গড়াতে বাংলাদেশ নিজেদের আধিপত্য দেখাতে শুরু করে। নারী কাবাডি বিশ্বকাপে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে সেমিফাইনালে উঠে প্রথমবারের মতো পদক নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। এমন সাফল্যের পর কোচ ও খেলোয়াড়রা কাবাডির দিকে বাড়তি মনোযোগ দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

ম্যাচ শেষ হতেই শুরু হয় বৃষ্টি-রুপালিদের আনন্দ-উৎসব। একজন এসে তাদের হাতে লাল-সবুজ পতাকাও ধরিয়ে দেন। সেটা নিয়ে কোর্টের চারদিকে ল্যাপ অব অনারও দিতে দেখা গেলো।  উৎসবমুখর দিনে বাংলাদেশের কোচ আরদুজ্জামান মুন্সি জানালেন,‘আমরা এশিয়ান গেমস ও তার আগে ইরানে নারীদের যে টুর্নামেন্ট হয়েছে, সেখানে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের আসলে টার্গেট ছিল ওয়ার্ল্ড কাপ। ওয়ার্ল্ড কাপে যে কোনও মূল্যে একটা মেডেল খুব দরকার ছিল। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। মনে করি এখন পর্যন্ত আমরা সাকসেসফুল। তবে আমরা চেষ্টা করবো সামনে আরও ভালো করার জন্য।’ 

এরপরই জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড় বার্তা দিলেন এভাবে,‘আমাদের হাতেগোনা কয়েকটা মেয়েই কাবাডি খেলে৷ তাই আমাদের পর্যাপ্ত প্লেয়ার নেই। পর্যাপ্ত প্লেয়ারের জন্য বিকেএসপিতে কাবাডির তেমন কোনও ব্যবস্থা নেই। বিকেএসপিতে মেয়েদের কাবাডির ব্যবস্থা করতে হবে। স্কুল লেভেল থেকে কাবাডি শুরু করতে হবে। এখন আমাদের মেয়েরা  কাবাডি খেলতে চায় না। কাবাডি খেলে ভবিষ্যৎ কি, ভারতে কাবাডি খেলে খেলোয়াড়রা কোটি কোটি টাকা পাচ্ছে। খেলাটাকে যদি আমরা পেশা হিসেবে নিতে না পারি, তাহলে কিন্তু আমাদের কাবাডি উঠে দাঁড়াবে না।’
 
রেইডার বৃষ্টি বিশ্বাস উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেছেন,‘গ্রুপ চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকেই আমাদের টার্গেট ছিল থাইল্যান্ড ম্যাচ। সামর্থ্যের সেরাটা দিয়ে থাইল্যান্ডকে হারানোর পরিকল্পনা ছিল। আমরা সেটা করতে পেরেছি। সবাই এক ইউনিট হয়ে কাজ করেছি বলে লক্ষ্য অর্জন করতে পেরেছি। অবশ্যই আমাদের আত্মবিশ্বাস ছিল জিতবো। পরের লক্ষ্য ফাইনাল খেলা। আমরা হাল ছাবো না, নিজেদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করবো।’

 

/টিএ/এফআইআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি