বারবার ট্রায়াল নিয়ে জাভেদের প্রশ্ন

  বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:২৭আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:২৭

জানুয়ারিতে দক্ষিণ এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে টেবিল টেনিস খেলোয়াড়দের চলছে নিবিড় অনুশীলন। অনুশীলনের ফাঁকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য ট্রায়ালও দিতে হচ্ছে। প্রায় প্রতি মাসে এমন ট্রায়াল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারকা খেলোয়াড় জাভেদ আহমেদ। 

গত জুলাইয়ে নেপালে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ টেবিল টেনিসের দক্ষিণ এশিয়ান অঞ্চলের বাছাইয়ে খেলতে যাওয়ার আগে জাতীয় দলের ট্রায়ালে র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ বাছাই হন জাভেদ। ১২-১৪ সেপ্টেম্বর ফেডারেশন আরেকটি ট্রায়ালের আয়োজন করে। যেখানে আবারও নিজের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন তিনি। 

টেবিল টেনিস ফেডারেশনের বর্তমান কমিটির নিয়ম অনুসারে প্রতিটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আগে জাতীয় দলের ট্রায়াল কিংবা বাছাইয়ে অংশ নিতে হয় খেলোয়াড়দের। এই বাছাইয়ের সেরাদের নিয়ে গড়া হবে চূড়ান্ত দল। আগামী ১১-১৫ অক্টোবর ভারতের ভূবনেশ্বরে অনুষ্ঠিত হবে ২৮তম এশিয়ান টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ। সেখানেও চূড়ান্ত দলে থাকার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী জাভেদ।    

ভূবনেশ্বরে খেলে আসার পরই বাংলাদেশ টেবিল টেনিস দল অংশ নেবে ষষ্ঠ ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে। আগামী ৭-২১ নভেম্বর সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা। সেখানে খেলতে যাওয়ার আগেও আরেক দফা বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে। তাতে ভীষণ বিরক্ত জাভেদ, ‘বারবার নিজেকে প্রমাণ করতে হচ্ছে আমি সেরা। ব্যক্তিগতভাবে প্রতি মাসে নিজেকে প্রমাণ করাটা চ্যালেঞ্জিং।’

এরপর তিনি যোগ করে বলেছেন, ‘প্রতি দুই মাসে যদি একটা সিলেকশন হয় তাহলে আমাদের জন্য সুবিধা হয়। আমরা যারা সিনিয়র আছি, তাদের ওপরও চাপ কম পড়ে। এটা সত্যি আমরা নিজেদের জায়গা থেকে দেশকে সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করি।’

যদিও এই যুক্তি মানতে নারাজ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও ভারতগামী এশিয়ান টেবিল টেনিস দলের ম্যানেজার সুজন মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘খেলোয়াড়দের মধ্যে আমরা একটা প্রবণতা দেখেছি যে তারা ম্যাচ কম খেলতে চায়। যার ফলে একে অপরের সঙ্গে লড়াই করার ভীতি কাজ করে। তারা বেশি বেশি ম্যাচ খেললে ওদের মধ্যে যে জড়তা আছে সেটা কেটে যাবে। কিন্তু ওরা কম খেলতে যাচ্ছে। তবে যে মাসে টুর্নামেন্ট থাকবে, সে মাসে সিলেকশন না হলেও চলবে। যখন সিলেকশন হয়, এর আগে খেলোয়াড়দের প্র্যাকটিসের প্রবণতা বেড়ে যায়। সিলেকশন না থাকলে এক ধরনের ঢিলেমি পেয়ে বসে। যদি দুই মাস পর সিলেকশন দেই, তাহলে প্রথম এক মাস খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স খুঁজেই পাওয়া যাবে না।’

/টিএ/এফআইআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা: মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাস
ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা: মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাস
কিছু টিপস মেনে চললেই গরমে ত্বক সুন্দর রাখা যায়
কিছু টিপস মেনে চললেই গরমে ত্বক সুন্দর রাখা যায়
সত্যি কি বাংলাদেশের শ্রমিকদের জোরপূর্বক কাজ করানো হয়
সত্যি কি বাংলাদেশের শ্রমিকদের জোরপূর্বক কাজ করানো হয়
জয়পুরহাটে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারালেন ২ জন
জয়পুরহাটে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারালেন ২ জন
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম