ডিজিটাল ওয়েজেস সামিট-২০১৯‘দেশের সব সেবা ডিজিটাইজ করতে সরকার তিনটি ক্ষেত্রে কাজ করছে’

Send
টেক রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:৩৭, নভেম্বর ২০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৩৭, নভেম্বর ২০, ২০১৯

সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বতৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের মজুরি ডিজিটাইজেশনের অগ্রগতি বিবেচনা করে, কারখানা শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ডিজিটাল পদ্ধতিতে দেওয়ার ক্ষেত্রে সব ধরনের সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজ করতে সরকার এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বুধবার (২০ নভেম্বর) ঢাকার রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ডিজিটাল ওয়েজেস সামিট-২০১৯’ এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই), জাতিসংঘভিত্তিক বেটার দ্যান ক্যাশ অ্যালায়েন্স, বিজনেস ফর সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (বিএসআর) এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ)যৌথ আয়োজনে সম্মেলন আয়োজন করা হয়।

‘কর্মচারী ও উৎপাদনকারীদের জন্য ডিজিটাল মজুরির জন্য পদ্ধতি বিস্তৃত করা’ বিষয়ে উদ্বোধনী প্যানেল আলোচনার মধ্য দিয়ে সামিট শুরু হয়। প্যানেল আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল, বিজিএমইএ’র সভাপতি রুবানা হক; জাতিসংঘভিত্তিক সংস্থা-বেটার দ্যান ক্যাশ অ্যালায়েন্স’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রুথ গুডউন-গ্রয়েন প্রমুখ। উদ্বোধনী প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন এটুআই’র পলিসি অ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরী।

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি বাস্তবায়নে এই মুহূর্তে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, গার্মেন্টস কর্মীদের, বিশেষত নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বেতন-ভাতার ডিজিটাইজেশনের উদ্ভাবনী সমাধানের পরীক্ষা নিরীক্ষা এবং সমন্বয় সাধন করতে আমরা আমাদের বিভিন্ন সেবাকে কাজে লাগাচ্ছি। দেশের সব সেবা ডিজিটাইজ করতে সরকার তিনটি ক্ষেত্রে কাজ করছে- যাচাইযোগ্য ডিজিটাল আইডি, ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ও ইন্টারঅপারেবল ফ্রেমওয়ার্ক।

রুবানা হক বলেন, ডিজিটাইজেশন পদ্ধতির সব উদ্যোগকে একটি প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভুক্ত করতে পারলে শ্রমিকদের আর্থিক ও সামাজিক উন্নতি অগ্রগতির ধাপে নিয়ে যেতে সহায়তা করবে। ২০২১ সালের মধ্যে শতকরা ৯০ ভাগ শ্রমিক ডিজিটাল পদ্ধতিতে তাদের বেতন-ভাতা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

সম্মেলনে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন নগদে প্রদানের অসুবিধা, ডিজিটাল পেমেন্টের বিভিন্ন ক্ষেত্র যেমন সুরক্ষা, দক্ষতা, ক্ষমতায়ন, স্বাধীনতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গার্মেন্টস শ্রমিক ও উৎপাদক উভয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরা হয়। পে-রোল ডিজিটাল হওয়ার পর, গার্মেন্টস কারখানাগুলো তাদের প্রশাসন এবং আর্থিক বিভাগের কর্মকর্তাদের শতকরা ৫৩ ভাগ সময় হ্রাস করেছে।

সম্মেলনে তিনটি পৃথক প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়।

 

/এইচএএইচ/

লাইভ

টপ