তরুণদের মাঝে নেতৃত্বের গুণাবলি বাড়াতে মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম

Send
তারুণ্য ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৩:১৫, নভেম্বর ২৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:২৯, নভেম্বর ২৮, ২০১৯

‘থাইরোকেয়ার-নিয়াজ মোর্শেদ লিডারশিপ স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ বিজয়ীদের জন্যে এক বছর মেয়াদী মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম আয়োজন করবে থাইরোকেয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড।  তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে নেতৃত্ব গুণাবলি বিকাশে সহায়তা করবে এই মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম।


সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন কলেজ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় ‘লিডারশিপ স্কলারশিপ’ পুরস্কার প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতায় মোট ১৫ জন সম্ভাবনাময় তরুণ শিক্ষার্থীকে বাছাই করেন বিচারকমণ্ডলী। এদের মাঝে অসামান্য দক্ষতাসম্পন্ন ১১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেওয়া হয় নগদ ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার এবং ১ বছর মেয়াদী মেন্টরশিপ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ। বাকি ৪ জন ছাত্রকে বিশেষ পুরস্কার ছাড়াও তাদেরকে মেন্টরশিপ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয় থাইরোকেয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড।
নির্বাচিত ছাত্রদেরকে নিয়ে মেন্টরশিপ প্রোগ্রামের আওতায় ২০২০ সালে বেশ কয়েকটি বিশেষ সেশনের আয়োজন করবে থাইরোকেয়ার বাংলাদেশ। এই সেশনগুলোতে অংশগ্রহণকারীদের পারস্পরিক সম্পর্ক তৈরি, সমস্যা সমাধানের উপায়, যোগাযোগ দক্ষতা ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। থাইরোকেয়ার বাংলাদেশ এর একটি চৌকস দল এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এক বছর মেয়াদী এই মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম শেষে অংশগ্রহণকারী ১৫ জন শিক্ষার্থীকে একই ধরনের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়ে উঠবে।
এই আয়োজন সম্পর্কে থাইরোকেয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান রিয়াজ ইসলাম বলেন, ‘ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যেই তরুণ শিক্ষার্থীদের দিয়ে আমাদের এই আয়োজন।  সম্ভাবনাময় এই শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা পুরোপুরি ভাবে কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি আমরা। এর মাধ্যমে মূলত তাদের নিজেদের এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি সমাজের সুবিধাবঞ্চিতদের জন্যও যেন তারা ভূমিকা রাখতে উদ্যোগী হয়, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার এবং ‘থাইরোকেয়ার-নিয়াজ মোর্শেদ লিডারশিপ স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ এর স্পন্সর নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, ‘এই আয়োজনটি খুবই ব্যতিক্রমী একটি উদ্যোগ এবং ভবিষ্যতে এটি নেতৃত্ব গুণাবলির আন্দোলনে পরিণত হবে বলে আমি আশাবাদী। তরুণ এই শিক্ষার্থীরা জীবনের এমন একটি পর্যায়ে রয়েছে যেখানে তারা নানাবিধ ঘাত প্রতিঘাতের শিকার হতে পারে।  যথাযথ দিকনির্দেশনাই পারে তাদের আগ্রহের বিষয়গুলোতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের সুযোগ করে দিতে। দিনশেষে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে সমাজের উন্নয়নে আমরা কতোটুকু ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছি সেটা।’

/এনএ/

লাইভ

টপ