behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি এখন বাংলাদেশ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট১৮:৩৮, মার্চ ২০, ২০১৭

 

শিল্প মন্ত্রণালয়স্বাধীনতার ৪৭ বছরে আর্থসামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এক সময় যে বাংলাদেশকে উপহাস করে ‘তলাবিহীন ঝুঁড়ি’ বলা হতো, আজ সে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি। প্রায় এক দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে ৬ শতাংশেরও বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। সোমবার রাজধানীর বিসিআইসি মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শিল্প মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভার বক্তারা এসব কথা বলেন।  

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুষেণ চন্দ্র দাস, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. আবু আবদুল্লাহ, বিএসটিআই’র মহাপরিচালক সাইফুল হাসিব, বিসিক চেয়ারম্যান মুস্তাক হাসান মোহাম্মদ ইফতেখার, বিসিআইসি’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবাল ও বিটাকের মহা পরিচালক ড. দিলীপ কুমার শর্মা প্রমুখ।

বিসিআইসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, ‘স্থিতিশীল অর্থনীতি ও দক্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ সৃষ্টির বিরোধিতাকারীরা এখন বাংলাদেশের প্রশংসা করছেন। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লেনদেনের স্বচ্ছতার ফলে সৌদিআরব দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশের সঙ্গেই রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় সার বিক্রি করছে। ইতোমধ্যে দেশটির পক্ষ থেকে যৌথ বিনিয়োগে বাংলাদেশ অথবা সৌদি আরবে সার কারখানা স্থাপনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র শিল্পসচিব বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের ৫৫ বছরের জীবদ্দশায় স্বাধীনতা-পূর্ব সময়ে স্বাধীকার আন্দোলনসহ স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে অনেক উন্নয়ন কাজ করে গেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে অর্থনৈতিক অগ্রগতির মহাসড়ক ধরে এগিয়ে নিচ্ছেন। স্বাধীনতা অর্জনকালে সাড়ে সাত কোটি মানুষের বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি থাকলেও এখন বাংলাদেশ চালসহ বিভিন্ন দ্রব্য রফতানি করছে।’

মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রায় সব সূচকে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছে। এ অর্জনের পেছনে রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তিনি স্বাধীনতার চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের চলমান ধারাকে এগিয়ে নিতে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান।

/এসআই/এমএনএইচ/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ