সবার জন্য পেনশনের কাজ শুরু হবে এই অর্থ বছরেই

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:১১, জুন ০৭, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:৪৫, জুন ০৭, ২০১৮

সংসদের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসবার জন্য পেনশনের ব্যবস্থা করার কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ‘সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বেসরকারি-পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত সব কর্মজীবীর জন্য একটি টেকসই সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তনের কাজ এই অর্থ বছরেই শুরু করবো।’ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতার সময়ে তিনি এসব কথা বলেন।

কয়েকটি নির্দিষ্ট এলাকায় পরীক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করার ইচ্ছা আছে  উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অর্থনেতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সবার কাছে পৌঁছাতে চাই, কমাতে চাই বৈষম্য। তাই, বিদ্যমান সরকারি পেনশন কার্যক্রমের বাইরে বেসরকারি পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত সব কমজীবী মানুষের জন্য সর্বজনীন  পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে চাই। প্রস্তাবিত ব্যবস্থার আওতায় সরকার পরিচালিত স্কিমে নিবন্ধন করে একজন কমজীবী মাসিক ভিত্তিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা জমা করবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষও একটা নির্দিষ্ট অঙ্ক সংশ্লিষ্ট কমজীবীর পেনশন হিসেবে জমা করবে।  হতদরিদ্র শ্রমজীবীদের ক্ষেত্রে তাদের অংশের অতিরিক্ত হিসেবে সরকার পূব ঘোষণা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ওই হিসাবে জমা করবে ৷ এ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গঠিত তহবিল বিনিয়োগ হতে প্রাপ্ত আয় সর্বজনীন পেনশন তহবিলে জমা হতে থাকবে। ওই জমানো চাঁদা ও আয়ের পরিমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অবসরকালে মাসিক পেনশন পাবেন। তবে, সর্বজনীন পেনশন প্রবর্তনের জন্য মৌলিক কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন হবে, যা সময় ও ব্যয়সাপেক্ষ ব্যাপার।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি কমচারী ও জনগণের মধ্যে সুযোগের ন্যায্যতা (equity) ও সামঞ্জস্য বিধান করার জন্য উপযুক্ত কর্মপরিকল্পনা, ধারাবাহিক কৌশলগত পরিবর্তন,প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সৃজন, কারিগরি সক্ষমতা ও যথাযথ নীতি কৌশল প্রণয়ন করা প্রয়োজন।’ 

আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, ‘দেশের মোট বয়স্ক জনসংখ্যার মধ্যে পেনশন ভোগীর সংখ্যা অতি সামান্য। শুধু সরকারি কর্মচারী ও কতিপয় বেসরকারি সংস্থার কর্মচারীরা সর্বমেটি প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ পরিবার বর্তমানে  নিয়মিত পেনশন পেয়ে থাকেন। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কমচারীদের বাহিরে হতদরিদ্র ৩৫ লাখ লোক মাসিক ৪০০ টাকা হারে বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন, যা মোট বয়স্ক জনসংখ্যার এক চতৃর্থাংশ মাত্র।তাদের ভাতার পরিমাণও মানসম্মত জীবন ধারণের পক্ষে যথেষ্ট নয়। লক্ষ্যণীয় যে, জনমিতির স্বাভাবিক ধারায় এক সময় উন্নত দেশের মতো আমাদের দেশেও বয়স্ক জনগোষ্ঠীর অনুপাত বাড়বে। তখন স্বাভাবিক বাজেট বরাদ্দের আওতায় তাদের সহায়তা দেওয়া দুরূহ হয়ে পড়বে।

আরও পড়ুন-

দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধাভোগী

বাজেট ২০১৮-১৯: দাম বাড়বে, দাম কমবে

 

সবার জন্য পেনশনের কাজ শুরু হবে এই অর্থ বছরেই

করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত থাকছে

সংসদে চার লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী

আজ বাজেট পেশ

বড় বাজেট, নির্বাচনের বাজেট

বড় বাজেট বাস্তবায়নে সক্ষম নয় বাংলাদেশ 

বাজেটে গুরুত্ব পাওয়া ১০ খাতের শীর্ষে পরিবহন ব্যবস্থা

বরাদ্দ পাওয়া ১০ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষে স্থানীয় সরকার

এক হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার বরাদ্দ থাকছে বাজেটে

বিশেষ সম্মাননা ভাতা পাবেন মুক্তিযোদ্ধারা

পরিধি বাড়ছে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর, বাড়বে ভাতাও

 

/সিএ/এমএনএইচ/

লাইভ

টপ