বড় ধরনের কোনও সংশোধনী ছাড়াই অর্থবিল পাস

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:১৫, জুন ২৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৪৬, জুন ২৯, ২০১৯

 

অর্থবিল উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ছবি: ফোকাস বাংলা)বড় ধরনের কোনও সংশোধনী ছাড়াই জাতীয় সংসদে পাস হলো অর্থ বিল ২০১৯। শনিবার (২৯ জুন) রাত ৮টা ১২ মিনিটে বিলটি সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে অর্থমন্ত্রীর পক্ষে বিলটি সংসদে উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিলটি উপস্থাপনের পর ১০ জন সদস্য বিলের ওপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব আনেন। তারা হলেন−ফখরুল ইমাম (ময়মনসিংহ-৮), পীর ফজলুর রহমান (সুনামগঞ্জ-৪), কাজী ফিরোজ রশিদ (ঢাকা-৬), বেগম রওশন আরা মান্নান (মহিলা আসন-৪৭), রুস্তম আলী ফরাজী (পিরোজপুর-৩), হারুনুর রশিদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), লিয়াকত হোসেন খোকা (নারায়ণগঞ্জ-৩), মোকাব্বির খান (সিলেট-২), বেগম রুমিন ফারহানা (মহিলা আসন-৫০) ও মোহাম্মদ শামীম হায়দার চৌধুরী (গাইবান্ধা-১)। তাদের প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে অর্থবিল ২০১৯ সংসদে পাসের জন্য অর্থমন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রী উপস্থাপন করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এটি ভোটে দেন এবং কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেটের ওপর সর্বশেষ আলোচনা করেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে অর্থবিল জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুমতি দিতে স্পিকারের কাছে আবেদন করেন। স্পিকার তার আবেদন মঞ্জুর এবং প্রধানমন্ত্রীকে অর্থমন্ত্রীর পক্ষে বিল উপস্থাপনের অনুমতি দেন।

ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পরেও বড় ধরনের কোনও সংশোধন ছাড়া অর্থবিল ২০১৯ সংসদে পাস হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সঞ্চয়পত্রের ওপর ১০ শতাংশ কর বহাল রাখা হয়েছিল। এটিকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার বিভিন্ন মহল থেকে ব্যাপক দাবির পরও তা আমলে নেয়নি সরকার। সঞ্চয়পত্রের ওপর ১০ শতাংশ কর বহাল রাখা হয়েছে। সুতা আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে ৪ টাকা হারে করারোপের বিধান রাখা হয়েছে। অর্থবিল ২০১৯-এ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য স্টক ডিভিডেন্ডের সমপরিমাণ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে শেয়ার বাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। শেয়ারবাজারের রিটেইল আর্নিংয়ের ক্ষেত্রে নিট মুনাফার ৭০ শতাংশ স্থানান্তর করলে ১০ শতাংশ হারে কর পরিশোধের বিধান রাখা হয়েছে।

শনিবার সকালে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হলে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অর্থমন্ত্রী উপস্থিত না থাকলেও দুপুরের বিরতির পর বেলা ৩টায় তিনি অধিবেশনে যোগ দেন। পরে তিনি বাজেটের ওপর সমাপনী আলোচনা উপস্থাপন করেন। এ সময় বাজেট বক্তৃতায় তার অসুস্থতার বিষয়টি সংসদকে অবহিত করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ও অর্থবিল-২০১৯ জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এরপর থেকে প্রস্তাবিত বাজেটের বেশকিছু বিষয় নিয়ে সংসদের ভেতরে ও বাইরে আলোচনা-সমালোচনা হয়।

আরও খবর...

যেসব সংশোধনী আনা হচ্ছে নতুন বাজেটে

২০৩০ সালের দিকে বাংলাদেশ ঋণ নেবে না, দেবে: অর্থমন্ত্রী

 

/এসআই/এনআই/টিএন/এমএমজে/

লাইভ

টপ