কক্সবাজারে ৩১ ডিসেম্বর থেকে মেগা বিচ কার্নিভ্যাল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৭:৪৮, ডিসেম্বর ২১, ২০১৫ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৪২, ডিসেম্বর ২১, ২০১৫

কক্সবাজার হিমছড়িআগামী ২০১৬ পর্যটন বর্ষের আনুষ্ঠানিক সূচনা পর্বে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যটন নগরী কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী মেগা বিচ কার্নিভ্যাল।
এ কার্নিভ্যালের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান ড.অপরূপ চৌধুরী ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান খান কবির।
গত ১৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য প্রাঙ্গণে এবং কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্টের উন্মুক্ত মঞ্চে জমকালো অনুষ্ঠানে শুরু হয় কার্নিভ্যালের ক্ষণ গণনা।
রাজু ভাস্কর্য প্রাঙ্গণে সময় গণনার (কাউন্ট ডাউন) আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
এ সময় তিনি বলেন, সরকার ২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছে। পর্যটন বর্ষে বিপুল আয়োজনের সূচনা হবে কক্সবাজারের মেগা বিচ কার্নিভ্যালের মধ্য দিয়ে। কক্সবাজারকে পুরো পৃথিবীর সামনে তুলে ধরতেই এ আয়োজন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অমিত সম্ভবনার দুয়ার খুলে দেবে পর্যটন। সেই দুয়ার দিয়ে পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকরা বাংলাদেশে তাদের ঠিকানা খুঁজে নেবে।

মেনন বলেন, পর্যটন শিল্পের বিকাশে সরকার একটি বিশদ পরিকল্পনা  প্রণয়ন করেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ভিন্ন এক বাংলাদেশের ছবি ফুটে উঠবে।

বিচ কার্নিভ্যালের আয়োজক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ও এর অধীন সংস্থা বাংলাদেশ ট্যুারিজম বোর্ড (বিটিবি), বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (বিপিসি) এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।

তিন দিনব্যাপী এ কার্নিভ্যালকে সামনে রেখে পৃথিবীর দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত বর্ণিলভাবে সাজবে। এ আয়োজনে দেশের সেরা শিল্পীদের গান, স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠির মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক আয়োজন, নৃত্য পরিবেশনা, আতশবাজিসহ নানা আয়োজন থাকবে।

পুরো সৈকতকে উৎসবের আবহ তৈরি করা হবে। মেলা বিভিন্ন অনুষঙ্গের মধ্যে থাকছে রকমারি খাবারের প্রদর্শনী, লোক শিল্পের পরসা, সারা দেশের পর্যটন আকর্ষণীয় স্থানসমূহকে তুলে ধরার আলাদা আয়োজন, ঘুড়ি উৎসব, বিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, সার্ফিং, বালুর ভাস্কর্য তৈরি, আলোক চিত্র প্রদর্শনীসহ ৬৯টি ইভেন্ট। সেই সঙ্গে সমুদ্র সৈকতকে পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সচেতনামূলক বিভিন্ন আয়োজনও থাকছে।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোয়িশন অব কক্সবাজার’র (টোয়াক) সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট ও বীচ কার্নিভ্যাল উপলক্ষে  আগত পর্যটকদের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে টোয়াক সচেষ্ট। এ সময় প্রায় ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম ঘটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ বলেন, আসন্ন থার্টি ফার্স্ট নাইট ও মেগা বিচ কার্নিভ্যাল সামনে রেখে পর্যটন পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশও প্রস্তুত রয়েছে। ভাটার সময় যেন পর্যটকরা সাগরে নামতে না পারেন সেজন্যে লাইফ গার্ড ও পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দর্শনীয় স্থান ও বিপণি বিতানগুলোতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। এ ছাড়া চুরি ছিনতাই এবং ইভটিজিং ঠেকাতে সাদা পোশাকে পুলিশ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।

/এসআই/এফএইচ/

লাইভ

টপ