এখনও যারা ভ্রান্ত পথে!

Send
মো. আবুসালেহ সেকেন্দার
প্রকাশিত : ১৮:৪৪, মে ২৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:১৯, মে ২৯, ২০১৯

মো. আবুসালেহ সেকেন্দারগত সপ্তাহে বাংলা ট্রিবিউনে ‘মুক্তচিন্তার সংকট ও মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (স.)-এর নীতি’ শীর্ষক লেখা প্রকাশিত হওয়ার পর কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রশ্নগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, মহানবী (স.) মক্কাজীবনে তার নিন্দাকারী, আল্লাহ ও ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে সমালোচনা ও কটূক্তিকারীদের বিরুদ্ধে হত্যার নির্দেশ না দিলেও মদিনা জীবনে দিয়েছেন। যারা এ ধরনের দাবি করছেন, তারা কয়েকটি হাদিসের পাশাপাশি কোরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যার মাধ্যমে এই ধরনের দাবি করছেন। উগ্রপন্থীরা মূলত ওইসব হাদিসের পাশাপাশি কোরআনের অপব্যাখ্যার মাধ্যমে ভিন্নমতের মানুষ হত্যায় ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের উৎসাহিত করছে। তাই সময়ের দাবির প্রেক্ষাপটে ওইসব  হাদিসের পাশাপাশি কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যার প্রয়োজন পড়েছে।
হাদিসে উল্লেখ আছে, হজরত আবু হোরায়রার (রা.) মা ছিলেন অমুসলিম। তিনি ছেলের সঙ্গে মদিনায় বসবাস করতেন। তিনি প্রায় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (স.)-কে গালি দিতেন। হজরত আবু হোরায়রা বিষয়টি মহানবী (স.)-কে জানান। গালি দেওয়ার কথা শুনে একটুও বিরক্ত হলেন না মহানবী (স.), বরং তিনি হাত তুলে আবু হোরায়রার মায়ের জন্য দোয়া করলেন, (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)। মহানবীকে (স.) যিনি গালি দিতেন, তার সঙ্গে মহানবীকে প্রাণাধিক ভালোবাসেন সাহাবি আবু হোরায়রা বসবাস করতেন। যদি ইসলাম ধর্মে গালি দেওয়া হলে, কটূক্তি করলে হত্যার অনুমতি থাকতো, তবে আবু হোরায়রার সেটি করার কথা ছিল। কোথাকার কোন এক অজ্ঞাত অন্ধ ব্যক্তির চেয়ে মহানবীর (স.) প্রতি হজরত আবু হোরায়রার প্রেম কি কম ছিল? এ রকম প্রায় পঞ্চাশেরও বেশি উদাহরণ দেওয়া যাবে, যেখানে মহানবী (স.)-কে গালি দেওয়া, কটূক্তি করা, তার স্ত্রীদের সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করা, আল্লাহকে গালি দেওয়া, কোরআনের আয়াত বিকৃত করা, হত্যার উদ্দেশ্যে বিষমাখা খাবার দেওয়া, তরবারি দিয়ে আক্রমণ করা ইত্যাদি ক্ষেত্রে কাউকে হত্যা করেননি মহানবী (সা.), অথবা হত্যারও নির্দেশ দেননি। মহানবীর (স.) জীবনে ঘটে যাওয়া ওই ঘটনাগুলো শুধু মক্কার জীবনে নয়, মদিনার জীবনেও পাওয়া যাবে। যেখানে মহানবী (স.) মহান আল্লাহ বা ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে বাজে কথা বলার কারণে কাউকে হত্যার অনুমোদন দেননি। তিনি সব সময় ওই ব্যক্তির হেদায়েতের জন্য দোয়া করেছেন।

দুই.

মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারীদের হত্যার জন্য উগ্রপন্থীরা হাদিসের পাশাপাশি  কোরআনের আয়াতেরও ভুল ব্যাখ্যা দেয় তরুণ ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মুক্তিবুদ্ধির চর্চাকারীদের হত্যায় উৎসাহিত করছে।

এক্ষেত্রে তারা ইসলামের দৃষ্টিতে মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারীদের হত্যার বৈধতা দেওয়ার জন্য প্রধানত সুরা নিসার, মায়িদা ও আনফালের যথাক্রমে ৮৯-৯৩, ৩৩ ও ১২নং আয়াতের রেফারেন্স ব্যবহার করছে। যদিও হত্যাকারীরা ওইসব আয়াতের যে ব্যাখ্যা দিয়েছে, তাতে আয়াতের প্রকৃত ব্যাখ্যার প্রতিফলন নেই। আশা করি সুরা আনফালের ১২নং আয়াত আলোচনা করলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

‘স্মরণ করো, তোমাদের প্রতিপালক ফিরিশতাদের প্রতি প্রত্যাদেশ করেন, আমি তোমাদের সহিত আছি, সুতরাং মুমিনদের অবিচলিত রাখো; যাহারা কুফরি করে আমি তাহাদের হৃদয়ে ভীতির সঞ্চার করিব, সুতরাং তাদের স্কন্ধে ও সর্বাঙ্গে আঘাত করো।’ (সুরা আনফাল: আয়াত ১২)।

উল্লিখিত আয়াতে যারা কুফরি করে অর্থাৎ কাফেরদের স্কন্ধে বা ঘাড়ে আঘাত করার কথা বলা হয়েছে দাবি করে উগ্রপন্থীরা মুক্তচিন্তার মানুষদের হত্যা করছে। কিন্তু পুরো আয়াত আলোচনা করলে দেখা যাবে তাদের ওই দাবি সত্য নয়।

এ আয়াত নাজিল হয়েছিল বদর যুদ্ধকে কেন্দ্র করে। [আয়াতের একেবারে প্রথম শব্দদ্বয়ে ‘স্মরণ করো’ উল্লেখ থাকায় স্পষ্টত বোঝা যায়, আয়াতটি বদর যুদ্ধের পরে (তাফসির ও সিরাত গ্রন্থ মতে অব্যবহিত পরে) নাজিল হয় এবং মহান আল্লাহ যে বদর যুদ্ধে তার প্রতিশ্রুতি মতো ফেরশতা পাঠিয়ে  মুসলিমদের সাহায্য করেছিলেন সেই বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।]

বদর যুদ্ধকে কেন্দ্র করে উপরোক্ত আয়াতটি নাজিল হয়, তা প্রায় সব তাফসির গ্রন্থেই উল্লেখ রয়েছে। তারপরও যদি কেউ প্রশ্ন উত্থাপন করেন, বদর যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে যে আয়াত নাজিল হয়েছে, তাফসিরের এই কথা সত্য নয়। তবে তার জ্ঞাতার্থে বলছি, এই আয়াত যে পরিস্থিতিতেই নাজিল হোক না কেন, তা যুদ্ধাবস্থায় বা মুসলিমদের প্রতিপক্ষ সশস্ত্র অবস্থায় ছিল, সেই সময় নাজিল হয়েছে, বিষয়টি সত্য। কারণ আয়াতের মধ্যেই সেই বিষয়টি স্পষ্টত উল্লেখ রয়েছে।

মহান আল্লাহ ফেরশতাদের নির্দেশ দিচ্ছেন, মুমিনদের অবিচলিত রাখতে। এই বক্তব্য থেকেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়। কারণ হঠাৎ এমন কী ঘটলো, মুমিনরা বিচলিত হয়ে পড়ছেন? ফেরেস্তা পাঠিয়ে তাদের অবিচলিত রাখতে হচ্ছে আল্লাহকেই? মুমিনদের বিচলিত হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়।

বদর প্রান্তরে অমুসলিমদের সশস্ত্র অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে এবং মুসলিমদের তুলনায় কাফেরদের সৈন্যসংখ্যা ও অস্ত্রশস্ত্র বেশি হওয়ার কারণে মুসলমানরা বিচলিত হয়ে পড়েছেন।

তাহলে বদর যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে এই আয়াত নাজিল হয়, সেই বিষয়টি যারা মেনে নিয়েছেন, তারা নিঃসন্দেহে আয়াতের পরের অংশও বুঝতে পেরেছেন। তারপরও যারা বোঝেননি, তাদের জন্য বলছি। ‘তাদের স্কন্ধে ও সর্বাঙ্গে আঘাত করো’—কাদের আঘাত করতে বলা হচ্ছে? যেসব অমুসলিম বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করছে তাদের আঘাত করতে বলা হচ্ছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী অমুসলিমদের আঘাত কে বা কারা করবে? এই প্রশ্নের উত্তরও সহজ। কারণ আয়াতের প্রথমে বলা আছে, এ কথাগুলো বলা হয়েছিল ফেরেশতাদের উদ্দেশে [‘তোমাদের প্রতিপালক ফেরেশতাদের প্রতি প্রত্যাদেশ করেন’]। এখানে ফেরেশতাদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এখন যদি কোনও মানুষ নিজেকে ফেরেশতা মনে করে হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে আমার বলার কিছু নেই।

এক কথায় যদি বলি, তাহলে পুরো বিষয়টা দাঁড়াচ্ছে, বদর প্রান্তরে কাফেরদের সশস্ত্র অবস্থানের কারণে মুসলিমরা বিচলিত হয়ে পড়ে। তখন  ফেরশতাদের পাঠিয়ে আল্লাহ নির্দেশ দিচ্ছেন, তোমরা মুসলিমদের মনোবল অটুট রাখো, যেন তারা বিচলিত না হয়। মুক্তচিন্তার মানুষদের হত্যাকারীরা নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করছে। কিন্তু ওই আয়াতের মাধ্যমে নিরস্ত্র মানুষ হত্যার বৈধতা দেওয়ার সুযোগ নেই। ওই আয়াতে যেসব অবিশ্বাসী মুসলিমের সঙ্গে যুদ্ধ করছে তাদের ঘাড়ে আঘাত করার কথা বলা হয়েছে। এ আয়াতের কোথাও নিরস্ত্র মানুষকে হত্যার কথা বলা হয়নি।

অন্য একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, অমুসলিমরা সশস্ত্র অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও ফেরশতাদের হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তাদের আঘাত করতে বলা হয়েছে। আঘাত করা আর হত্যা বা কতল করার নির্দেশ দেওয়া এক কথা নয়। মুক্তচিন্তার মানুষকে হত্যার বৈধতায় উগ্রপন্থীদের প্রচারিত কোরআনের অন্য আয়াতগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, ওই আয়াতগুলোর মাধ্যমেও নিরস্ত্র মানুষকে হত্যার কথা কোথাও বলা হয়নি। ইসলামের দৃষ্টিতে কেবল আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে অস্ত্রধারণ করা ও প্রাণরক্ষার্থে শত্রুকে হত্যার অনুমোদন রয়েছে।

ইসলাম ধর্মে মানুষ হত্যা নয়, মানুষের জীবন রক্ষাকে উৎসাহিত করা হয়েছে। ইমাম আহমদ (র.) আবদুল্লাহ ইবন আমর (রা.) হতে বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবন আমর (রা.) বর্ণনা করেন, একদা মহনাবী (স.)-এর কাছে গিয়ে  হজরত হামজা ইবন আবদুল মুত্তালিব (রা.) বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমাকে এমন একটি কাজ বলে দিন, যেন আমার জীবন সুখের হয়। উত্তরে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, হে হামজা! মানুষের জীবন রক্ষা করা কি আপনি পছন্দ করেন? না হত্যা পছন্দ করেন? উত্তরে তিনি বললেন, মানুষের জীবন রক্ষা করা আমি পছন্দ করি।

তখন রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, তাহলে আপনি এই কাজ করতে থাকুন। (তাফসিরে ইবন কাছীর, পৃ. ৫১৪)।

মহানবী (স.) শুধু এই কথা বলে ক্ষান্ত হয়েছেন তা নয়, ব্যক্তিজীবনে বা বাস্তব জীবনে ওই কথার চর্চা করেছেন। বদর যুদ্ধ তার বড় প্রমাণ। যে অমুসলিমরা দিনরাত  আল্লাহ ও তার রাসুলকে গালি দেয়, যে অমুসলিমরা আল্লাহ ও তার রাসুলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অস্ত্র ধারণ করেছে, যুদ্ধের ময়দানে আল্লাহর প্রিয় মহানবীর (স.) একনিষ্ঠ সাহাবিদের হত্যা করেছে, ওইসব শত্রু যখন বদর যুদ্ধে বন্দি হলো, তাদের কাউকে মহানবী (স.) হত্যা করেননি। বরং তাদের সঙ্গে তিনি যে আচরণ করেছিলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে তা বিরল।

মুক্তচিন্তার মানুষদের বিরুদ্ধে যেসব কথিত অভিযোগ উত্থাপন করে হত্যা করা হচ্ছে, বদর যুদ্ধে বন্দি হওয়া ৭০ কাফের সেই দোষে দোষী ছিল। তারা দিনরাত মহানবী (স.) এবং ইসলামের সমালোচনায় নিযুক্ত ছিল। উপরন্তু তারা ইসলাম ধর্ম, মহানবী ও আল্লাহ সম্পর্কে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করে গালি দিতো। এছাড়া বদর যুদ্ধে তাদের ওপর অতিরিক্ত অপরাধ ছিল–

১. মহান আল্লাহ ও তার নবীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অস্ত্র ধারণ করা।

২. আর একটি অপরাধ তাদের ওপর দেওয়া অসত্য হবে না। তা হলো বদর যুদ্ধে যে ১৪ সাহাবি শহীদ হয়েছিলেন তাদের হত্যা বা হত্যার সহযোগিতা করার অপরাধ। কারণ ওইসব সাহাবি মুসলিমদের প্রতিপক্ষ অমুসলিম যোদ্ধাদের হাতেই শহীদ হন।

এতগুলো অপরাধ সত্ত্বেও মহানবী (স.) তাদের কাউকে প্রাণদণ্ড দেননি। বরং তিনি তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন যা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। মক্কায় ফিরে গিয়ে ওইসব বন্দি কাফের মক্কাবাসীদের বলেন, ‘মদিনাবাসীরা (মুসলিমরা) সুখে থাকো। তারা নিজেরা হেঁটে আমাদের উটে চড়তে দিয়েছে। আটা যখন ফুরিয়ে আসে তখন তারা শুধু খেজুর খেয়েছে, আমাদের রুটি খেতে দিয়েছে।’

পরিশেষে, বদর যুদ্ধকেন্দ্রিক এ ঘটনা বলে দিচ্ছে ইসলাম ধর্মে ইসলাম ধর্ম অবমাননা, মহানবীকে (স.) গালি বা কটূক্তি করাসহ প্রভৃতি অভিযোগ উত্থাপন করে নিরস্ত্র মানুষ হত্যার সুযোগ নেই। কিন্তু সুকৌশলে জঙ্গিরা কোরআনের আয়াতগুলোর অপব্যাখ্যা প্রদান করে ধর্মপ্রাণ মসুলিমদের মুক্তচিন্তার মানুষদের হত্যায় উৎসাহিত করছে। তাই সরকার ও গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে কোরআনের আয়াতের সঠিক ব্যাখ্যা এবং ইসলাম ধর্মে নিরস্ত্র মানুষ হত্যার সুযোগ নেই, সেই বিষয়টি তুলে ধরা হলে খুব সহজেই উগ্রপন্থীদের মতাদর্শের বিরুদ্ধে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের সচেতন করা সম্ভব হবে। তবে অনেকে মুক্তবুদ্ধির চর্চার নামে প্রায়ই ইসলাম ধর্ম, মহানবী (স.) ও আল্লাহ সম্পর্কে অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করেন। ওই অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করা আর যাই হোক, মুক্তবুদ্ধির চর্চার হতে পারে না। অন্য ধর্ম বা মতের প্রতি অবশ্যই শ্রদ্ধা রেখে ওই ধর্মের প্রচলিত কুসংস্কার বা মানব সমাজের জন্য ক্ষতিকর দিকগুলোর সমালোচনা করা যেতে পারে। কিন্তু কোনোভাবে ধর্ম সম্পর্কে অশ্লীলভাবে গালি-গালাজ করাকে সমর্থন করা যায় না। যারা ওই ধরনের গালি বা অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করেন, তাদের কতটা সভ্য বলা যায়? শালীন ও যৌক্তিক তর্কই সভ্য মানুষের পরিচায়ক। তবে মুসলমানরা যে পরিস্থিতির সম্মুখীনই হোক না কেন, যতক্ষণ পর্যন্ত কেউ সশস্ত্র অবস্থা ধারণ করে অন্যের প্রাণ সংহার করছে এমন পরিস্থিতি তৈরি না হচ্ছে, ততক্ষণ মুসলিমদের কাউকে হত্যার সুযোগ নেই। অর্থাৎ আত্মরক্ষায় কেবল ইসলাম হত্যার অনুমোদন করে। আশা করি, মুসলিমরা ইসলামের এই বিধান উপলব্ধি করবে। 

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
salah.sakender@outlook.com

 

 

/এমওএফ/এমএনএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ