behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

তাসকিনের জন্য ভালোবাসা

প্রভাষ আমিন১২:২১, মার্চ ২২, ২০১৬

Probhash Aminক্রিকেট খেলার কিছু নিয়ম-কানুন আছে। সবাইকে সেই নিয়ম মেনেই খেলতে হয়। আইসিসি এখন শুধু মাঠের খেলা নয়, মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের আচার-আচরণ, কথা-বার্তাও ঠিক করে দেয়। নিয়ম মেনে যেমন খেলতে হয়, কোড অব কনডাক্ট মেনে চলতে হয়। এখন ফিল্ডিং নিয়ন্ত্রিত, বোলিং নিয়ন্ত্রিত, বাউন্সার নিয়ন্ত্রিত। বল করার সময় বোলারের কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি বেঁকে গেলে তা অননুমোদিত। বিশ্বের অনেক বাঘা বোলারকে আইসিসির এই নিয়মের পরীক্ষা দিতে হয়েছে। অনেকে এই বাধা সামলে আরও শাণিত হয়ে বিশ্ব কাঁপিয়েছেন, আবার অনেকের ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়ে গেছে। যেমন  মুরালিধরন আইসিসির নিষেধাজ্ঞার বাধা টপকে সর্বকালের সেরাদের একজন হয়েছেন। আবার আবির্ভাবেই সাড়া ফেলে দেওয়া, এক ম্যাচে হ্যাট্রিক এবং সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়া সোহাগ গাজী এখন প্রায় ভুলে যাওয়া নাম।
আইসিসির সদস্য হিসেবে বাংলাদেশও আইসিসির নিয়ম মেনেই ক্রিকেট খেলে। আগেও বাংলাদেশের বোলারদের বোলিং অননুমোদিত হয়েছে। কিন্তু এবারের মতো হইচই হয়নি আগে কখনও। বাংলাদেশের দুজন বোলারকে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। কিন্তু আরাফাত সানির জন্য কিছুটা মন খারাপ হলেও তাসকিনের জন্য বাংলাদেশজুড়ে হাহাকার, কান্নার রোল কেন?
বাংলাদেশের বাইরের মানুষের মনে হতে পারে, ক্রিকেট নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের আবেগ অনেক বেশি। তাই হয়তো তারা আইসিসির ন্যায্য সিদ্ধান্ত নিয়ে একটু বেশি প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। কিন্তু ব্যাপারটা অত সরল বা আবেগী নয়। অন্তত তাসকিনের ব্যাপারটা তো নয়ই। গত বিশ্বকাপ থেকে তাসকিন আমাদের জয়ের অন্যতম নায়ক। তারুণ্যের সঙ্গে গতির মিশেলে তাসকিন হয়ে উঠেছেন নতুন বাংলাদেশের সাইনবোর্ড। গত অনেকগুলো ম্যাচে, বিশেষ করে মুস্তাফিজের অনুপস্থিতিতে তাসকিনই আমাদের স্ট্রাইক বোলার। তাই তাসকিনের ব্যাপারে আইসিসির সিদ্ধান্তে সবাই ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুঁজে পাচ্ছেন। ব্যাপারটি যদি নিছক আবেগপ্রসূত হতো, তাহলে তো আরাফাত সানির ব্যাপারেও আমাদের প্রতিক্রিয়া একইরকম হতো। আরাফাত সানির বোলিং নিয়ে সন্দেহটা আমাদেরও ছিল। কিন্তু তাসকিন ষড়যন্ত্রের শিকার বলেই মনে হচ্ছে। তারচেয়ে বড় কথা হলো টাইমিং। বিশ্বকাপের শুরুতেই বড় দলগুলোর জন্য হুমকি হয়ে ওঠা বাংলাদেশের মনোবল ভেঙে দিতেই এ ষড়যন্ত্র বলে বিশ্বাস করছেন অনেকেই। সাধারণত আম্পায়ারদের রিপোর্টের পর পরীক্ষা দেওয়ার সন্দেহভাজন বোলার ১৪ দিন সময় পান। আর পরীক্ষার জন্য সময় পান আরও ১৪ দিন। তার মানে ২৮ দিন সময় পেলে বাংলাদেশের দুই বোলারই বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেতেন। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তড়িঘড়ি করে পরীক্ষা এবং তার ফলাফল দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাসকিন-আরাফাত সানির দুদিন পর পরীক্ষায় বসলেও ফলাফল এসেছে একই দিনে।

বিসিবি না হলেও বাংলাদেশের সাধারণ দর্শকরা এই ষড়যন্ত্রের পেছনে ক্রিকেট মোড়ল ভারতের হাত দেখতে পাচ্ছেন। গত বিশ্বকাপের পর থেকেই হঠাতই বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ নিয়ে দারুণ উত্তেজনা। আমার ধারণা এখন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে যে উত্তেজনা, শিগগিরই তা চলে আসবে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে। পারফরম্যান্সের অধোগতির কারণে পাকিস্তান আস্তে আস্তে হারিয়ে যাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে। আর পারফরম্যান্সের উর্ধ্বগতি দিয়ে সে জায়গা দখল করে নেবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের এই উত্তেজনাটা অবশ্য ভারতীয়দেরই আমদানি করা। ‘মওকা মওকা’ বানিয়ে ভারতীয়রা তাতিয়ে দেয় আমাদের। আর উত্তেজনার সে আগুনে ঘি ঢেলেছে আইসিসি। গত বছরের মার্চে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দুর্বলতম আম্পায়ারিংয়ে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশকে হারিয়ে দেয় আইসিসি। বিশ্ব ক্রিকেটে অর্থের মূল উৎস ভারতকে টুর্নামেন্টে যতটা সম্ভব বেশি দূর টিকিয়ে রাখতেই আইসিসি এমনটা করেছে। বাংলাদেশের সেই পরাজয়ের ব্যাপারে ভারতের সরাসরি কোনও হাত নেই। তবে আইসিসির তখনকার প্রেসিডেন্ট ভারতীয় শ্রীনিবাসনের কালো হাত দেখেছেন অনেকেই। এমনকি এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করায় শ্রীনিবাসন বিশ্বকাপ ফাইনালে ট্রফি দেওয়ার নিয়মিত প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত করেন বাংলাদেশের লোটাস কামালকে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ মানেই এখন উত্তেজনার বারুদে ঠাসা। বিশ্বকাপের পরপরই বাংলাদেশে এসে মুস্তাফিজের তোপের মুখে সিরিজ হেরে বসে ভারত। এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশকে হারিয়ে তার শোধ নিয়েছে ভারত। এই উত্তেজনার ইতিহাস অবশ্য আরেকটু পুরোনো। ২০০৭ সালে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ভারতের বিশ্বকাপ শেষ করে দিয়েছিল তখনকার ‘পুচকে’ বাংলাদেশ।

এতকিছুর মধ্যে তাসকিন টার্গেট কেন? তাসকিন ভালো খেলেন, এটা তো একটা ব্যাপারই। এশিয়া কাপের সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হলিউডি ছবি ‘থ্রি হান্ড্রেড’-এর পোস্টারের একটি ফটোশপ ছড়িয়ে পড়ে। অত্যন্ত অবমাননাকর সেই ফটোশপ পোস্টারে দেখা যায়, ভয়ঙ্কর তাসকিনের এক হাতে রক্তমাখা তরবারি, অন্য হাতে ধোনীর কাটা মুণ্ডু। এই অবমাননাকর কার্টুনের ব্যাপারে বিসিবি, বাংলাদেশ দল বা তাসকিনের কোনও হাত নেই। বাংলাদেশি সমর্থকদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা হলেও এখন জানা যাচ্ছে, সুমিত কুমার নামে এক ভারতীয় ক্রিকেট লেখকই এই অপকর্মের হোতা।

বাংলাদেশি সমর্থকদের অন্যায়ভাবে হেয় করার জন্যই এটা ছড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশের মূলধারার গণমাধ্যম এই কার্টুনকে পাত্তাই দেয়নি। কিন্তু ভারতীয় মূলধারার গণমাধ্যম সামাজিক মাধ্যমের এই কার্টুনকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। তাই কিছু না করেও তাসকিন ভারতীয়দের চক্ষুশুলে পরিণত হয়। তাছাড়া বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে হল্যান্ডের বিপক্ষে যে ম্যাচে সানি ও তাসকিনের বোলিং নিয়ে আম্পায়াররা রিপোর্ট করেছেন, সে ম্যাচে তাসকিন একটিও অননুমোদিত বল করেননি। চেন্নাইয়ের পরীক্ষাগারে তাকে ৩ মিনিটে ৯টি বাউন্সার করতে বলা হয়েছিল, যেখানে ৩টি ডেলিভারিই শুধু ১৫ ডিগ্রির সীমা ছাড়িয়েছিল, তাও বেঁকেছিল ১৭ ডিগ্রি। অথচ সেই ম্যাচে তাসকিন একটিও বাউন্সার মারেননি। তাহলে হল্যান্ডের বিপক্ষের ম্যাচে তাসকিনের বোলিং নিয়ে আম্পায়াররা রিপোর্ট করলেন কিসের ভিত্তিতে?  আইসিসি বড়জোর তাসকিনের বাউন্সারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারতো। তা না করে বিশ্বকাপের মাঝপথে একটি দলের দুই বোলারকে এভাবে বাতিল করে দেওয়া অন্যায্য শুধু নয়, অন্যায়ও।

সঙ্গত কারণেই সানি-তাসকিনকে হারিয়ে বাংলাদেশজুড়ে হাহাকার। শুধু বাংলাদেশ নয়, হাহাকার ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়েই। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট কিংবদন্তি ইয়ান চ্যাপেলও টুর্নামেন্টের মাঝপথে বাংলাদেশের দুই বোলারকে নিষিদ্ধ করাকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন। পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরামও তার কলামে বলেছেন, বাংলাদেশের প্রতি ন্যায্য আচরণ করা হয়নি। বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন আরেক কিংবদন্তি অমিতাভ বচ্চন। সবার কথা একটাই তাসকিন-সানি তো নতুন বোলার নন। তারা তো একবছরেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছে। তাহলে এতদিন না ধরে বিশ্বকাপের মাঝপথে কেন?

বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রথম পুরুষ মাশরাফি। তার মতো একজন দেশপ্রেমিক নেতা পাওয়া যে কোনও দেশের জন্যই ভাগ্যের। তিনি অন্তর দিয়ে দেশকে এবং ক্রিকেটকে ভালোবাসেন। কিন্তু মাঠে সবসময় আবেগকে দূরে ঠেলে বাস্তবতার কথা বলেছেন। মাশরাফি সবসময় মা মুরগির মতো তার দলের খেলোয়াড়দের আগলে রাখেন। যত খারাপ সময়ই আসুক, তিনি খেলোয়াড়দের পাশে থাকেন, দলের মনোবল চাঙা রাখার চেষ্টা করেন। শোনা যায় তাসকিনের নিষেধাজ্ঞার পর কড়া প্রতিবাদ জানাতে চেয়েছিলেন মাশরাফি। মুরলিধরনকে নো ডাকার প্রতিবাদে টিম নিয়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন অর্জুনা রানাতুঙ্গা। মাশরাফিও তেমন কোনও প্রতিবাদ জানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ম্যানেজমেন্ট তাকে নির্বৃত করে বলেছে, তারা আপিল করবে। তারপরও বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে কান্না লুকাতে পারেননি মাশরাফি। তিনি কঠোর ভাষায় অন্যায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছেন, কোড অব কন্ডাক্টের ধার ধারেননি। এতে এমনকি তারও শাস্তি হতে পারে। তাতে থোরাই কেয়ার মাশরাফির, ‘আমার ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবি না। হয়ত অনেক শক্ত কথা বলেছি। কিন্তু আমার দেশকে আগামী ১০-১৫ বছর সার্ভিস দেবে যে ছেলেটি, এখন তার পাশে না দাঁড়াতে পারলে আর কিসের অধিনায়ক হলাম। এই অবিচার মানতে পারছি না’। মাশরাফির কান্না গোটা বাংলাদেশের চোখে জল আনে, হাহাকার ছড়ায় বাতাসে।

২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে হতোদ্যম বাংলাদেশ মাঠে নামে তিন ইনফর্ম নিয়মিত খেলোয়াড়কে ছাড়াই। তাসকিন-সানির সঙ্গে যোগ হয়েছে ফুড পয়জনিঙে পড়া তামিম ইকবালও। তারপরও বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল। সবগুলো ক্যাচ ধরা গেলে আর ফিল্ডিংটা আরেকটু ভালো হলে বাংলাদেশ জিতেও যেতে পারতো।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাফল্য উপমহাদেশের ক্রিকেট রাজনীতিতেই ওলটপালট ঘটিয়ে দিয়েছে। গত ১৬ মার্চ কলকাতার ইডেন গার্ডেনে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচে সবাই ধরে নিয়েছিল গ্যালারির বাঙালি দর্শকরা বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি ইডেনেও শোর ওঠে- পাকিস্তান জিতেগা। আবার ১৯ মার্চ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বাংলাদেশে ঘটে অবিশ্বাস্য ঘটনা। সাধারণত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভারতেরই পক্ষে থাকে। কিন্তু সেদিন বাংলাদেশের দুই দলেরই পরাজয় চাইছিল। এখন আরেকটি বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের সামনে দাঁড়িয়ে আমরা।

টগবগে উত্তেজনা। সত্যি বলতে, এই বাড়তি উত্তেজনাটুকু আমার ভালোই লাগে। বাড়তি উত্তেজনা না থাকলে খেলাটা উপভোগ্য হয় না। অনেকেই খেলার সঙ্গে রাজনীতি না মেশানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু আমি পারি না। পাকিস্তানের সঙ্গে বৈরিতা আছে বলেই, বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচ বা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ অমন বারুদে হয়। মাঝখানে ফকল্যান্ড যুদ্ধ ছিল বলেই ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা ম্যাচ ফুটবল রূপকথার অংশ।

তবে একটা কথা মাথায় রাখলে ভালো, শেষ পর্যন্ত খেলা খেলাই, যুদ্ধ নয়। ভারতে শ্রীনিবাসনের মতো শত্রু যেমন আছে, তেমনি ডালমিয়ার মতো বন্ধুও ছিলেন। ১৬ বছরে ভারত একবারও আমাদের পূর্ণাঙ্গ সফরে আমন্ত্রণ জানায়নি এটা যেমন ঠিক; আবার ভারত অভিষেক টেস্টে আমাদের প্রতিপক্ষ ছিল, সেটাও ইতিহাস। আমরা বন্ধু বদলাতে পারবো, কিন্তু প্রতিবেশী বদলাতে পারবো না। তাই আমরা ভারতের সুপ্রতিবেশী হয়েই থাকতে চাই। তবে আমরাও তাদের কাছ থেকে সুপ্রতিবেশী মতো আচরণ আশা করি। একাত্তরে ভারত আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছে। এর জন্য আমরা চিরকৃতজ্ঞ। কিন্তু ভারতকে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। সবকিছুতে আমরা সমানে-সমান। হতে পারে ভারত আমাদের বড় ভাই; বয়সে বড়, আয়তনে বড়। কিন্তু ভারত ‘এলডার ব্রাদার’ হলে আমরা আছি, ‘বিগ ব্রাদার’ হলে নাই। মাঠে খেলা হবে সমানে সমান, ছাড় হবে না একচুলও।

বাংলাদেশের জন্য শুভকামনা থাকলো। আমরা বাংলাদেশের পাশেই আছি। আছি তাসকিন-সানির পাশেও। খেলায় হারজিত আছেই। তবু আমরা যেন মাঠে মাথা উঁচু করে রাখি। তাসকিনের প্রতি অন্যায়ের জবাব দিতে হবে মাঠের পারফরম্যান্সে। আবেগটা রেখে যেতে হবে হোটেলেই।

লেখক:  অ্যাসোসিয়েট হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ।
ইমেল: 
probhash2000@gmail.com

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune

কলামিস্ট

টপ