আ.লীগ নেতার হুমকির কারণে ১৭ নেতার জিডি!

Send
রংপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০০:৫৫, ডিসেম্বর ০১, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৪৯, ডিসেম্বর ০১, ২০১৬

রংপুররংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজলুল হোসেন সুরুজের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর এ হুমকিতে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ওই ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ১৭ জন সভাপতি ও সম্পাদক।

গঙ্গাচড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জান্নাত আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নিরাপত্তা দাবি করে আওয়ামী লীগ নেতারা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঘটনা তদন্ত করে প্রয়াজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

জিডিতে অভিযোগ করা হয়েছে, ‘নোহালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজলুল হোসেন সুরুজ এই পদে আসার পর থেকেই ক্ষমতার অপব্যাবহার করে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি করছেন। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে অশোভন আচরণ করায় তার কর্মকাণ্ডে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী মেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এ বিষয়ে তার অনিয়ম দুর্নীতি ক্ষমতার অপব্যাবহারসহ সব অবৈধ কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলা হলেও তিনি শোনেন না। তার অপকর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে নোহালী ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে যারাই কথা বলবে তাদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ার  হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে করে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সাধারণ ডায়রিতে ওয়ার্ড আওয়ামী রীগের নেতারা জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশের সহায়তা কামনা করেছেন।

জিডিতে সই করেছেন- নোহালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি জাবেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক অশ্বিনী রায়, ২ নম্বর সভাপতি নুরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক লেবু মিয়া, ৩ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ললিত চন্দ্র সম্পাদক নুরুজ্জামান, ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ফজলুল হক, সাধারণ সম্পাদক মনি শংকর রায়, ৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মাইদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ভোচারাম বর্মন, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক নিরজ্ঞন কুমার, ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আবু তালেব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান, ৮ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি রাধিকা মোহন রায়।

গঙ্গাচড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জান্নাত আলী বলেন, ‘হুমকির বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়াজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

/এসএনএইচ/ 

লাইভ

টপ