নদীতে বালু ফেলার অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

Send
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৮:১২, নভেম্বর ১৫, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:২৯, নভেম্বর ১৫, ২০১৭

নারায়ণগঞ্জনারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের বৈদ্যারবাজার এলাকায় মারীখালি নদীর উৎস মুখ বন্ধ করে বালু ভরাট ও সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগে উঠেছে। এ ঘটনায় হেরিটেজ পলিমার অ্যান্ড সেমি টিউবস লি. ও ইউরো মেরিন শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডকইয়ার্ড লি. নামে দুই শিল্প প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত। বুধবার দুপুরে সোনারগাঁও উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মো. রুহুল আমিন রিমন এ অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় বালু ভরাটের কাজে নিয়োজিত দুটি ড্রেজারের আটক করে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- সেলিম আহমেদ ও কাবিল হোসেন। পরে ভ্রম্যামাণ আদালত বসিয়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে দুইজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সোনারগাঁও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, সোনাগাঁওয়ের বৈদ্যারবাজার এলাকার সাতভাইয়াপাড়া ও চর লাউয়াদী মৌজায় ব্যক্তিমালিকানা জমি না কিনে এবং নদীর তীরবর্তী সরকারি খাস জামি ও হালট দখল করে অবৈধভাবে গত এক সপ্তাহ ধরে বালু ভরাট করছে হেরিটেজ পলিমার অ্যান্ড সেমি টিউবস লি. এবং ইউরো মেরিন শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডকইয়ার্ড লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল। এ নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে উপজেলা ভূমি অফিস থেকে ওই শিল্প প্রতিষ্ঠানকে দুটি নোটিশ পাঠানো হয়। এছাড়া জমির কাগজপত্র নিয়ে ভূমি অফিসে আসার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এদিকে মঙ্গলবার ( ১৪ অক্টোবর ) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসিল্যান্ড ) অফিসের সার্ভেয়ার মসিউর রহমান বৈদ্যারবাজার বালু ভরাটের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে ওই দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের বালু ভরাটের কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী বালু ভরাটের কাজ বন্ধ রয়েছে।
সোনারগাঁও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল আমিন রিমন জানান, বুধবার দুপুরে বৈদ্যারবাজার বালু ভরাটের জায়গা পরিদর্শন করেন তিনি। এসময় মারীখালি নদীর উৎস মুখ ও নদী সীমানা অংশ ভরাটের সত্যতা পেয়ে দুটি ড্রেজার আটক করেন। এসময় ড্রেজারে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি সেলিম আহমেদ ও কাবিল হোসেনকে গ্রেফতার করেন তিনি। পরে ঘটনাস্থলেই ভ্রম্যামাণ আদালতের মাধ্যমে কাবিলকে ৭৫ হাজার এবং সেলিমকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে জরিমানার টাকা আদায় করে তাদের ছেড়ে দেন।
তিনি আরও জানান, বৈদ্যারবাজার যে দুটি সরকারি জায়গার কথা বলা হচ্ছে তার কাগজপত্র খোঁজা হচ্ছে। এরই মেধ্যে বেশ কিছু কাগজপত্র জোগাড় হয়েছে। বাকি কাগজপত্র হাতে পেলেই সরকারি হালট দখলের অভিযোগে হেরিটেজ পলিমার অ্যান্ড সেমি টিউবস লি. ও ইউরো মেরিন শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডকইয়ার্ড লি. এর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/এআর/

লাইভ

টপ