জাবির ছাত্রী হল থেকে নবজাতক উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

Send
জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৮:২২, মার্চ ১৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৫৮, মার্চ ১৭, ২০১৯

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের একটি কক্ষের ট্রাঙ্ক থেকে উদ্ধার হওয়া নবজাতকটিকে বাঁচানো যায়নি। তবে হলের ভেতরে নবজাতক উদ্ধারের ঘটনায় এরই মধ্যে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ১০ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা তিনটার দিকে ওই হল থেকে নবজাতকটি উদ্ধার হয়। সঙ্গে সঙ্গে সদ্যজাত শিশুটিকে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সব ধরনের চেষ্টা সত্ত্বেও শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি। রাত পৌনে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। ওই নবজাতকের গর্ভধারিনী মনে করে ওই কক্ষের এক ছাত্রীকেও বর্তমানে এনাম মেডিক্যালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ফজিলাতুন্নেছা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, ‘ছাত্রীর শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো। হল প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল। রবিবার সকালে তাকে তার মা-বাবার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে সে মা-বাবার তত্ত্বাবধানে আছে।’

ফজিলাতুন্নেছা হল সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে ওই ছাত্রীর কক্ষে নবজাতকের কান্নার আওয়াজ পাওয়া যায়। পরে আশপাশের ছাত্রীরা বিষয়টি টের পেয়ে যান। তারা হলের কর্মচারীদের বিষয়টি জানান। পরে কর্মচারীরা তালা ভেঙে নবজাতককে উদ্ধার করেন। পরে ওই ছাত্রী ও নবজাতককে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে রাত পৌনে ১০টার দিকে নবজাতকের মৃত্যু হয়।

ফজিলাতুন্নেছা হলের এক ছাত্রী জানান, ওই ছাত্রী যে গর্ভবতী, তা তারা আগে থেকে টের পাননি। তার শারীরিক কাঠামোতেও তেমন কোনও পরিবর্তন লক্ষ করা যায়নি। তার চলাফেরাও স্বাভাবিক ছিল।

এদিকে, ঘটনা তদন্তে ফজিলাতুন্নেছা হলের সহকারী আবাসিক শিক্ষক রাবেয়া খাতুন তানিয়াকে প্রধান করে চার সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ১০ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে হলটির প্রভোস্ট অধ্যাপক মুজিবর রহমান বলেন, ‘ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে।’



/আইএ/টিএন/

লাইভ

টপ