অ্যাম্বুলেন্স আছে, চালক নেই!

Send
নয়ন খন্দকার, ঝিনাইদহ
প্রকাশিত : ১১:২৯, জুন ১২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৪৩, জুন ১৩, ২০১৯

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সহাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স আছে দু’টি। তবে চালক নেই একজনও। ফলে জরুরি ভিত্তিতে রোগী আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বজনদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দুই সপ্তাহ ধরে এ অবস্থা বিরাজ করছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটিতে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, সেখানকার দায়িত্বে থাকা অ্যাম্বুলেন্স চালক ছাড়পত্র নিয়ে সিভিল সার্জন অফিসে যোগ দেওয়ায় হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সের চালক নেই। ১ জুন কামরুজ্জামান নামের একজন চালক যোগ দিয়েই ২ দিনের ছুটি নেন। কিন্তু ছুটি কাটিয়ে তিনি এখনও কর্মস্থলে যোগ দেননি। এজন্য তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গেছে, ১-১১ জুন পর্যন্ত  ১৮ রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

রেফার্ড হওয়া এক রোগীর স্বজন শাহিন হোসেন জানান, অবস্থার অবনতির কারণে তার আত্মীয়কে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্সের চালক না থাকায় তাদেরকে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। বাধ্য হয়ে শহরের একটি মাইক্রোবাস ১ হাজার ৭০০ টাকায় ভাড়া করে যশোর যেতে হয়েছে।

তিনি বলেন, জরুরি মূহূর্তে টাকাটা বড় কথা নয়। দ্রুত পৌঁছানোটাই বেশি প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স নিতে পারলে দ্রুত পৌঁছানো যায়।  হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সের চালক না থাকাটা দুঃখজনক।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচএ ডা. হোসাইন সাফায়েত জানান, নতুন চালক যোগ দিয়েই কর্মস্থলে আসেননি। অফিসিয়ালি তার বিরুদ্ধে দু’টি কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে। এ সমস্যা দ্রুতই কাটানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।

 

/এসটি/

লাইভ

টপ