উল্লাপাড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত নিরবের পাশে শিক্ষক ও সহপাঠীরা

Send
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৯:১৬, জুলাই ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৫৬, জুলাই ২১, ২০১৯





সাইফুল ইসলাম নিরবসিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার সলপ স্টেশনের কাছে ট্রেন দুর্ঘটনায় গুরতর আহত সাইফুল ইসলাম নিরবের পাশে দাঁড়িয়েছেন তার স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। নিরব সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। সে সাভারের এনাম হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।

দুর্ঘটনরা সময় মাইক্রোবাসে বরযাত্রী হিসেবে থাকা নিরবের মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ ও শ্বাসনালির ক্ষতি হয়।
অধ্যক্ষ খাদিজা পারভীন জানান, নিরবের চিকিৎসার জন্য তার বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সহপাঠীরা চাঁদা তুলে ৬২ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান সংগ্রহ করেন। শনিবার বিকালে স্বজনদের কাছে টাকা হস্তান্তর করা। চিকিৎসার জন্য আরও টাকার দরকার বলে তিনি জানান। তিনি নিরবের চিকিৎসা সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান।
নিরবের বাবা হাসান মামুন মন্টু একজন শ্রমজীবী মানুষ। তিনি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার উত্তর কান্দাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সাইকেলে ফেরি করে ডিম বিক্রির মাধ্যমে সংসার চালান।
একই দুর্ঘটনায় নিরবের ভগ্নিপতি খোকন শেখও নিহত হন।
প্রসঙ্গত: ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় উল্লাপাড়ার চরঘাটিনা থেকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কান্দাপাড়ায় একটি বিয়ের মাইক্রোবাস সলপ স্টেশন রেলক্রসিং পার হচ্ছিল। ওই সময় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনের ইঞ্জিনের সঙ্গে ধাক্কায় পাদানির সঙ্গে মাইক্রেবাসের সামনের বাম্পার আটকে যায়। মাইক্রোবাসটিকে আধ কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রনেটি। এতে বর উত্তর কান্দাপাড়া গ্রামের রাজন শেখ ও কনে উল্লাপাড়ার চরঘাটিনা গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা সুমাইয়া খাতুনসহ ১১ জন মারা যান। বর রাজনের ভগ্নিপতি সুমন, প্রতিবেশী নিরব, বায়োজিদ, লাদেন, টুটুল ও ইমরানসহ ওই দুর্ঘটনায় ৬ জন আহত হন। এদের মধ্যে সুমন ও নিরব গুরুতর আহত হন।

/এনআই/

লাইভ

টপ