মোটরসাইকেলের জন্য খুন, রিয়াজ হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিল ৫ জন

Send
বরিশাল প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৯:১৮, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩৩, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯

নিহত রিয়াজমোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের জন্যই খুন করা হয় বরিশালের মরকখোলা পোল এলাকায় তেল ব্যবসায়ী ও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক রিয়াজুল হক সরদারকে। আর এ হত্যাকাণ্ডে এক নারীসহ পাঁচ জন অংশ নিয়েছিল।  তাদের মধ্যে আটক দু’জন হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। বাকি তিন জনকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আটককৃতরা হলো, বরিশালের বাবুগঞ্জের শ্রীমন্তরায় গ্রামের চৌকিদার ও রহমতপুরের লোহালিয়া গ্রামের মো. লিমন। তদন্তের স্বার্থে বাকি তিন জনের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মোক্তার হোসেন এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রযুক্তির সহায়তায় ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করা হয়। পরে ১৯ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে রুবেলকে চাঁদপাশার ঘটকের চর থেকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালায়। তবে সেখান থেকে কাউকে আটক করা সম্ভব না হলেও ২০ সেপ্টেম্বর রাতে লোহালিয়া এলাকা থেকে লিমনকে আটক করা হয়।

আটক দু'জন

আটককৃতরা জানিয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫ আগস্ট রাত ২টার দিকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীর স্ত্রী ও তার বন্ধু রিয়াজকে চুক্তিতে বাবুগঞ্জের দিকে নিয়ে যায়। পরে বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউনিয়নের তালতলা এলাকার উঁচাপোল নামক স্থানে গিয়ে রিয়াজকে বেঁধে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু না পেরে লিমন রিয়াজকে দা দিয়ে কোপ দেয়। রিয়াজ তা ঠেকাতে গেলে তার হাতে কোপ লাগে। এরপর রিয়াজ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে অপর চার জন তাকে ধরে ফেলে। এসময় রিয়াজের সঙ্গে ছিনতাইকারীদের ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তারা ডোবায় পড়ে যায়। সেখানেই তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

৬ আগস্ট সকালে ডোবা থেকে লাশ উদ্ধারের পর ছিনতাইকারীরা আত্মগোপনে চলে যায়। ৭ আগস্ট লিমন ও মূল পরিকল্পনাকারী মোটরসাইকেলটি বরিশাল নগরীর ত্রিশ গোডাউন এলাকায় রেখে যায়।

রিয়াজ হত্যাকাণ্ডে তার স্ত্রী নাজমিন বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি নামে হত্যা মামলা করেন।

 

/এসটি/

লাইভ

টপ