বিরোধের অবসান, রাজধানীতেই সমাহিত হবেন রবার্ট মুগাবে

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৩:৫০, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:৫০, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯

জিম্বাবুয়ের সরকারের সঙ্গে সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের পরিবারের বিরোধের অবসান হয়েছে। পরিবারের মুখপাত্র রবার্ট মুগাবের ভাতিজা লিও মুগাবে জানিয়েছেন, তাকে রাজধানী হারারেতে জাতীয় বীরদের স্মৃতিস্থম্ভে সমাহিত করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত দিন নির্ধারণ করা এর আগে রবার্ট মুগাবের পরিবারের সদস্যরা তাকে নিজ গ্রামেই সমাহিত করতে চাইলে প্রেসিডেন্ট ইমারসন মানগাগওয়া’র সরকারের সঙ্গে তাদের মতপার্থক্য তৈরি হয়।

জিম্বাবুয়ের দীর্ঘদিনের শাসক ও সাবেক প্রেসিডেন্ট  রবার্ট মুগাবে গত (৬ সেপ্টেম্বর)  সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।  ৯৫ বছর বয়সী এই সাবেক প্রেসিডেন্ট দীর্ঘদিন নানা রোগে ভুগছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।  সরকারের পক্ষ থেকে তাকে রাজধানীতে সমাহিত করার কথা বলা হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার জানানো হয় আগামী সপ্তাহে নিজ গ্রামেই সমাহিত করা হবে।

শনিবার রবার্ট মুগাবের রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এতে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। রবিবার রাজধানী হারারেতে আয়োজিত অপর এক শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার সুযোগ পাবে সাধারণ মানুষ। এর পর তাকে নিজগ্রাম কুতামায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে বিভিন্ন গোত্রপ্রধান ও পরিবারের সদস্যরা তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। পরিবারের মুখপাত্র লিও মুগাবে জানান, সাবেক প্রেসিডেন্টকে সমাহিত করার দিন এখনও চূড়ান্ত হয়নি। রাষ্ট্রীয় স্মৃতিস্থম্ভে তার জন্য বিশেষ কবর নির্মিত হবে জানিয়ে তিনি বলেন এজন্য সময় প্রয়োজন।

লিও মুগাবে বলেন, ‘এই পুরো প্রক্রিয়া ২০১৭ সালের ১৭ নভেম্বরের পর তার বৈধতাকে নিশ্চিত করবে। আমরা এটা করতে প্রস্তুত যাতে মানুষ দেখতে পায় তিনিই জাতির প্রতিষ্ঠাতা আর সেকারণেই তার কবর বিশেষ হবে আর পুরো জাতি তাকে শ্রদ্ধা জানাবে’।

জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট ইমারসন মানগাগওয়া মুগাবের মৃত্যুর পর তাকে জাতীয় বীর ঘোষণা করেন। যেটা তাকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সমাহিত করার বিষয়টি নির্দেশ করে।

১৯৮০ সাল থেকে দুই মেয়াদে প্রায় ৩৭ বছর জিম্বাবুয়ে শাসন করেন রবার্ট মুগাবে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট দুই পদেই দায়িত্ব পালন করেছেন আলোচিত এ নেতা। সাবেক ঔপনিবেশিক শক্তি যুক্তরাজ্যের কড়া সমালোচক ছিলেন তিনি। ২০১৭ সালে সাবেক মিত্র মানগাগওয়াকে বরখাস্তের পর সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মুগাবে সরকারের পতন ঘটে। তবে,তার আগেই পদত্যাগের শর্ত হিসেবে নিজের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। অনেকেই মনে করেছিলেন নিজের স্ত্রী গ্রেস মুগাবেকে ক্ষমতায় বসাতে মানগাগওয়াকে বরখাস্ত করেন মুগাবে।

 

/জেজে/

লাইভ

টপ