সৌদি তেল স্থাপনায় হুথিদের ড্রোন হামলার ভিডিও

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৮:১৩, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:১৪, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকো-র দুইটি বৃহৎ তেল স্থাপনায় ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় ভোর চারটায় আবকাইক ও খুরাইসে তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার কারণে সৃষ্ট আগুন মোকাবিলা শুরু করে আরামকোর শিল্প নিরাপত্তা দল। দুই জায়গার আগুনই এখন নিয়ন্ত্রণে। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি ড্রোন হামলার সৌদি তেল স্থাপনার অগ্নিকাণ্ডের একটি ফুটেজ প্রকাশ করেছে।

ভিডিও ফুটেজে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র আবকাইক-এ ড্রোন হামলার পর আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। এছাড়া পশ্চিমাঞ্চলে খুরাইস তেল ক্ষেত্রে হামলার পর সেখানেও আগুন জ্বলছে।

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ দাহারান থেকে ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থিত আবকাইক তেল স্থাপনা। আর সৌদির দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল স্থাপনা খুরাইস ওই স্থান থেকে আরও ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দু্টি তেল স্থাপনা থেকেই বিশালাকার ধোঁয়ার কুন্ডলি উড়তে দেখা গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমআল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে গোলাগুলির আওয়াজও শোনা গেছে।

ড্রোন হামলার শিকার হওয়ার পর সৌদি আরব তাদের তেল উৎপাদনকারী কারখানার সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের উদ্ধৃত করে এমনটাই দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তারা জানিয়েছে, এতে করে প্রতিদিন ৫০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন কমে যাবে, যা বিশ্বের মোট উৎপাদনের ৫ শতাংশ।

আরামকোর মালিকানাধীন বড় দুটি তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও । শনিবার রাতে টুইট বার্তায় তিনি বলেন, সৌদি তেল স্থাপনাগুলোতে ইয়েমেনের ড্রোন হামলার পেছনে তেহরানের হাত ছিল। তবে ইরান এই ড্রোন হামলায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

হুথি বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে রিয়াদ। ভয়াবহ ওই হামলার পর সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস)। এ সময় যুবরাজ ট্রাম্পকে সাফ জানিয়ে দেন, এ হামলার জবাব দিতে তার দেশ প্রস্তুত রয়েছে।

সৌদি আরবের ঘাঁটিগুলোতে হামলায় ব্যবহৃত হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো ইরান তাদেরকে সরবরাহ করে। বরাবরই এমন অভিযোগ করে আসছে রিয়াদ। তেহরান ও হুথি বিদ্রোহীরা অবশ্য বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

 

 

/এএ/

লাইভ

টপ