behind the news
IPDC  ad on bangla Tribune
Vision  ad on bangla Tribune

আমেরিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে জিকা ভাইরাস

বিদেশ ডেস্ক১৮:১৩, জানুয়ারি ২৫, ২০১৬

জিকা ভাইরাস পুরো আমেরিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ইতোমধ্যে ক্যারিবিয়ান এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার ২১ টি দেশে এ ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক খবরে এ কথা জানা গেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক সংগঠন দ্য প্যান আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যেখানে এডিস মশা পাওয়া যাচ্ছে সেসব দেশ ও অঞ্চলে জিকা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, নারী-পুরুষের সঙ্গমে ভাইরাসটি ছড়িয়ে থাকতে পারে। তবে এক্ষেত্রে আরও প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে। প্রায় ৮০ শতাংশ আক্রান্তের ঘটনায় কোনও লক্ষ্মণ পাওয়া যাচ্ছে না।
গত সপ্তাহে কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর ও জ্যামাইকা ভাইরাসটি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবহিত হওয়ার আগ পর্যন্ত নারীদের গর্ভধারণ করতে নিষেধ করেছে। যেসব নারী গর্ভধারণের উপযুক্ত এবং সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাদের চলতি বছর এবং পরের বছর পর্যন্ত গর্ভধারণ থেকে বিরত থাকতে উপদেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব নারী এরইমধ্যে গর্ভধারণ করে ফেলেছেন তাদেরকে বাইরে চলাচলের সময় মশার কামড় ঠেকাতে শরীর ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

২০১৫ সালের মে মাসে ব্রাজিলের এ ভাইরাসের আক্রমণ ছড়িয়ে পড়া শুরু করে। কোনও প্রাকৃতিক প্রতিষেধক না থাকায় তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এডিস প্রজাতির মশা থেকে জিকা ভাইরাস মানুষের দেহে ছড়িয়ে থাকে। জ্বর, জয়েন্ট পেইনসহ ছোটখাটো কিছু শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় এ ভাইরাসের কারণে। আবার তা এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে সেরেও যায়। তবে বিপত্তি তৈরি হয় গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে। গর্ভাবস্থায় জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বিকৃত মাথা নিয়ে জন্ম নিতে পারে শিশু। এসব শিশুর বুদ্ধিমত্তার ঘাটতি থাকে, শারীরিক বৃদ্ধি কম হয় এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

জিকা ভাইরাসের সবচেয়ে বেশি প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে ব্রাজিলে। দেশটিতে ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সাড়ে তিন হাজার মাইক্রোফেলাসি আক্রান্ত শিশু শনাক্ত হয়েছে। এল সালভাদরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের গর্ভবতী নারীদের ৯৬ শতাংশই জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে এখন পযর্ন্ত মাইসেফালি অর্থাৎ অস্বাভাবিকরকমের ছোট মাথা নিয়ে কোনও শিশুর জন্ম হয়নি। ব্রাজিলের পরই সবচেয়ে বেশি প্রাদুর্ভাব কলম্বিয়াতে। সেখানকার সরকারও নারীদের আপাতত সন্তানধারণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। তবে তা ছয়-আট মাসের জন্য।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মশার বিস্তার ঠেকাতে ঘরে যেকোনও পাত্রে জমে থাকা পানি ফেলে তা খালি করে রাখার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া পোকা-মাকড় থেকে বাঁচতে সব সময় ঘরের দরজা ও জানালায় নেট লাগাতে বা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

এডিস প্রজাতির মশা থেকে জিকা ভাইরাস মানুষের দেহে ছড়িয়ে থাকে। জ্বর, জয়েন্ট পেইনসহ ছোটখাটো কিছু শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় এ ভাইরাসের কারণে। আবার তা এক সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে সেরেও যায়। তবে বিপত্তি তৈরি হয় গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে। গর্ভাবস্থায় জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বিকৃত মাথা নিয়ে জন্ম নিতে পারে শিশু। এসব শিশুর বুদ্ধিমত্তার ঘাটতি থাকে, শারীরিক বৃদ্ধি কম হয় এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। জিকা ভাইরাসের সবচেয়ে বেশি প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে ব্রাজিলে। দেশটিতে ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সাড়ে তিন হাজার মাইক্রোফেলাসি আক্রান্ত শিশু শনাক্ত হয়েছে।

এল সালভাদরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের গর্ভবতী নারীদের ৯৬ শতাংশই জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে এখন পযর্ন্ত মাইসেফালি অর্থাৎ অস্বাভাবিকরকমের ছোট মাথা নিয়ে কোনও শিশুর জন্ম হয়নি। 

ব্রাজিলের পরই সবচেয়ে বেশি প্রাদুর্ভাব কলম্বিয়াতে। সেখানকার সরকারও নারীদের আপাতত সন্তানধারণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। তবে তা ছয় থেকে আট মাসের জন্য। সূত্র: বিবিসি

/এএ/বিএ/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ