behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

‘কথামুখ’ দু’বাংলার মেলবন্ধন

ড. তাহা ইয়াসিন১৩:২৯, জানুয়ারি ৩০, ২০১৬

কথামুখঅসংখ্য পত্র পত্রিকার ভিড়ে আবার একটি পত্রিকা কেনো? সম্পাদক বরুণকুমার চক্রবর্তী এ প্রশ্নটি করেছেন নিজের সম্পাদিত ‘কথামুখ’ ১ম বর্ষের ১ম সংখ্যা ২০১৫-তে। ১৩ সি চণ্ডিতলা লেন, ৪০ কলকাতা থেকে প্রকাশিত এ সাহিত্য পত্রিকাটির বিশেষ উদ্দেশ্যে দু’বাংলার লেখকদের এক মলাটে স্থান দেওয়া। পত্রিকাটির মূল্য ১৫০ রুপি। বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের ভাষা বাংলা। বাঙালির সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ বলতে যা বোঝায় তা এই দু’বাংলায়। পশ্চিম বাংলা এবং বাংলাদেশ সাহিত্য-সংস্কৃতিতে পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক। বহু পত্র-পত্রিকা দু’জায়গায় প্রকাশিত হয় কিন্তু ভাষা ও সাহিত্যের সেতুবন্ধনের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত পত্রিকা সম্ভবত এটি প্রথম। এক জায়গার লেখকদের লেখা অন্যত্র ছাপা হয় না তা নয়, তবে এটিকে কেন্দ্র করে তেমন উদ্যোগ আগে দেখা যায়নি। ব্যতিক্রমী পথে চলার উদ্দেশ্যে যে এটি প্রকাশিত হচ্ছে তা যে কোনো পাঠক সূচীপত্রেই লক্ষ্য করতে পারবেন। এতে আলাদা আলাদা করে কোন লেখা, যেমন- কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প, ভ্রমণ ইত্যাদি ভাগে সাজানো নয়। প্রবন্ধ, গল্প, কবিতা, ভ্রমণ উপশিরোনাম ছাড়াই একপাশ থেকে সাজানো হয়েছে। প্রতিটি লেখার শুরুতে এবং শেষে স্কেচ এঁকেছেন পার্থমৈত্র।
সুমহান বন্দ্যোপাধ্যায় ‘বিবাহের সাতকাহন’ প্রবন্ধটিতে প্রাচীনকাল থেকে বর্তমানকাল পর্যন্ত পৃথিবীর নানা জাতি-উপজাতির বিবাহ রীতির একটা মনোজ্ঞ বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। জর্জ পিটার মারডর পৃথিবীর পাঁচশো চুয়ান্নটি সমাজের বিবাহরীতির যে তথ্য দিয়েছেন তা থেকে কিছু উপস্থাপন করেছেন লেখক। নাতিদীর্ঘ এই প্রবন্ধটি পাঠকের অনেক নতুন চিন্তার উদ্রেক করে। ডা. গৌতম বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত “মানসিক সুস্থতা কি কেবলমাত্র একটা ‘মিথ’?” প্রবন্ধটিতে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে। কেনো এত মানুষ অবসন্ন, কেনো এত উৎকণ্ঠার জাল? পৃথিবীব্যাপী অল্প সময়ের মধ্যে অতি দ্রুত সভ্যতার যান্ত্রিকীকরণ কি এর জন্য দায়ী? প্রত্যাশা আকাশ ছুঁয়ে ফেলেছে তাই? প্রত্যাশা পূরণের তীব্র ইচ্ছা বাধা পেলে তৈরি হচ্ছে ক্রোধ, ক্রোধের বাষ্প ছেয়ে ফেলেছে সমাজটাকে। ন্যূনতম ধৈর্য বজায় রাখতেই অক্ষম মানুষ। সকল বয়সী মানুষের মাঝে এই যে অস্থিরতা তা লেখক বেশ কিছু কেস স্টাডির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।
কথাসাহিত্যক হরিশংকর জলদাস ‘একদা এক ইলিশ’ গল্পটিতে জলের নিচে মাছদের প্রেম, বিয়ে এবং ক্ষমতাসীন মাছের ক্ষমতা অপপ্রয়োগের একটি চমৎকার চিত্র তুলে ধরেছেন। মাছদের আছে সমাজ, সংসার এবং সর্দারী প্রথা। স্বজাতি না হলে মাছদেরও বিয়ে হয় না, কিন্তু প্রেমের বিয়ে হলে সে নিয়ম চলে না। যেমন রতিকান্ত অর্থাৎ পাঙাশ আর সুখলতা অর্থাৎ ইলিশিনীর প্রেমের ঘটনা। স্বজাতি না হয়েও তরা বিয়ে করে। ইলিশিনী রতিকান্তকে রতিক্লান্ত বলে টিপ্পনী কাটলে রতিকান্ত রাতমগ্ন হয়। সুখের লহরে ভাসতে ভাসতে এক সময় রতিকান্ত অর্থাৎ পাঙাশ জোছনা স্নাত রাতে জেলেদের টং-জালে আটকা পড়ে। একা ইলিশিনীকে অন্যান্য সকল জাতের মাছ কুপ্রস্তাব দিতে থাকে। স্বামীহীন একজন নারীর সমাজে কী যে করুণ অবস্থা তা হাড়ে হাড়ে টের পেতে লাগল সুখলতা। সুখলতা ‘ঘোঁওড়া’ মাছ অর্থাৎ মাছদের সর্দার পঞ্চু সর্দারের কাছে বিচার চায়। পঞ্চু সর্দারের দুটি স্ত্রী আছে তারপরও সে ঐ রাতে ইলিশিনীকে তার আশ্রয়ে থাকতে বলে। সুখলতা গভীর রাতে যখন তন্দ্রাচ্ছন্ন তখন পঞ্চু সর্দারের দেহের প্রবল চাপে দম বন্ধ হয়ে আসে তার। সুখলতার মুখ দিয়ে শুধু আকুতিভরা গোঁ গোঁ শব্দ বেরিয়ে আসে। রক্তাক্ত সুখলতা বিছানায় পড়ে থাকে। এরপর হা-করা জালের মুখে ঢুকে যাওয়ার অপেক্ষা করে। মাছকে রূপক হিসাবে উপস্থাপিত করে সমাজের ক্ষমতাসীনদের নগ্ন রূপটি তুলে ধরেছেন গল্পকার।

রাহেল রাজিব ‘দাগ’ গল্পটিতে ঢাকা শহরের অতি পরিচিত স্থান কারওয়ান বাজারের খোদেজা নামক একটি মেয়ের ভাসমান জীবনের চিত্র তুলে ধরেছেন। খোদেজার কোলে একটি বাচ্চা। গল্পকার জিজ্ঞাসা করে ‘তোর স্বামী কই? খোদেজা জবাব দেয় ভাইজান স্বামী নাই! নাই মানে নাই। গল্পকার আবার জিজ্ঞাসা করে তাহলে এইটা হইলো কী করে? খোদেজা বলে ‘ভাইজান এইটা হওনের লাইগ্যা স্বামী লাগে না!’ অর্থাৎ খোদেজার স্বামী নাই এবং ঘরসংসারও নাই। একদিন খোদেজার ছেলেটা হারিয়ে যায়। অনেকদিন পরে খোদেজার থাকার ঘরটিতে একজন ট্রাক ড্রাইভার ঢোকে এবং তার সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে। যাবার সময় সে খোদেজার হাতে একশো টাকা গুঁজে দেয়। খোদেজার কোনো কাকুতি মিনতি শোনার সময়ও নেই ড্রাইভারটির। ভাসমান স্বৈরিণী এই মেয়েটির বাড়ি ময়মনসিংহ-এ। ঢাকা শহরে এরকম কত খোদেজাদের জীবন পিস্ট হয় তা তথাকথিত ভদ্রসমাজ জানে না। শহরের এই নিষ্পেষিত নারীদের জীবনচিত্র অত্যন্ত বাস্তরূপে চিত্রিত হয়েছে গল্পটিতে।

জাহিদ সোহাগ ‘দু’জনে’ গল্পটিতে স্বামী-স্ত্রীর বিবাহিত জীবনের এক তিক্ত অভিজ্ঞতার চিত্র তুলে ধরেছেন। দীর্ঘদিন সংসার করার পর দু’জন কর্মজীবি মানুষের প্রেমহীন কামনার যে বাস্তবচিত্র গল্পকার তুলে ধরেছেন তা বিদ্যমান সমাজেরই একটি খণ্ডচিত্র। আয়তনে ছোট হলেও গল্পটিতে নারী-পুরুষের যৌথজীবন কীভাবে অপমানজনক হয়ে ওঠে তা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
অমিত দাসের ‘চারুবালা ঠাকুরের কথা’ রচনাটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং ঠাকুর বাড়ির অজানা অনেক কথা জানা যায়। চারুবালা ঠাকুর ছিলেন রবীন্দ্রনাথের জ্যেষ্ঠভ্রাতা দ্বিজেন্দ্রনাথের চতুর্থপুত্র সুধীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী। তাঁর লেখা খাতার কিছু অংশ লেখক সম্পাদনার মাধ্যমে সংযুক্ত করেছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে আমরা শিল্পিত এবং সাহিত্যগুণে গুণান্বিত অনেক রচনাই পাই যাতে সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে জানা যায়। কিন্তু চারুবালা ঠাকুরের সোজাসাপটা লেখায় ঠাকুর বাড়ির ভিতরের অনেক বিষয় উঠে এসেছে যা রবীন্দ্রনাথকে গভীরভাবে অনুধাবন করতে আমাদের সহায়তা করবে। যেমন- মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আর্শীবাদ প্রত্যাশায় প্রত্যুষে দলবেঁধে লোকজন এসে কীভাবে আর্শীবাদ গ্রহণ করত এবং দাঙ্গায় ঠাকুর পরিবারের সদস্য বলেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কানে কাঁচ বিদ্ধ হয়ে কিভাবে তিনি মৃত্যুবরণ করেন সেসব তথ্য লেখাটিতে আছে। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাংসারিক জীবনে সহধর্মিনী, মেয়ে বেলা, রাণী এবং ছেলে শমীর মৃত্যুতে দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে কীভাবে বেঁচে ছিলেন সেসব অধ্যায়ের কিছুটা আভাস পাওয়া যায় রচনাটিতে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন সম্পর্কে অনেক নতুন কিছু তথ্য পাঠককে নাড়া দেয় রচনাটি।
‘নীতিকথার পরের কথা’ প্রবন্ধে আনিসুজ্জামান চিরায়ত নীতিবোধের চিন্তাকে সাবলীলভাবে উপস্থাপন করেছেন। সমাজের নীতিবোধ সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, ‘সময়ের ব্যবধানে ও ব্যক্তির ভেদে নীতিবোধের পার্থক্য হয়। সমাজের ভেদেও হয়। প্রত্যেক সমাজই নিজেদের জন্য কিছু ভালোমন্দ নির্ধারণ করে থাকে, আরেক সমাজের নির্ধারিত ভালোমন্দের সঙ্গে তার মিল নাও হতে পারে। প্রত্যেক সমাজই মনে করে, তাদের স্থিরীকৃত নীতিই সর্বোত্তম।’ এই মতের আলোকে চিরায়ত কিছু বিষয় যেমন গণিকাবৃত্তি সম্পর্কে তিনি জানান সভ্যতার উষালগ্ন থেকে শাস্তিযোগ্য হলেও তা প্রাচীন গ্রিস থেকে ভারতবর্ষ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় প্রশ্রয়ে সমাদৃত হয়েছে। নৈতিকতা যে সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তি, নৈতিকতা যে-শৃঙ্খলা বিধান করে, তা ব্যতিরেকে সমাজ ও রাষ্ট্র চলতে পারে না বলেও তিনি জানান। সাহিত্য ও সমাজরে চিরপরিচিত কিছু উদাহরণের সাহায্যে তিনি আলোচনাকে সরসভাবে এগিয়ে নিয়েছেন। এটি আমাদের প্রচলিত ধ্যান-ধারণার বাইরে নতুন করে অনেক বিষয়ে ভাবতে শেখায়।
বাংলাদেশের উপন্যাসের শিল্পরীতি ও নব-চৈতন্যের রূপায়ণ বিষয়ে রফিকউল্লাহ খান ‘মুক্তিযুদ্ধোত্তর নব-চৈতন্য ও বাংলাদেশের উপন্যাসের শিল্পরীতি’ প্রবন্ধে এক মনোজ্ঞ বিশ্লেষণ করেছেন। ১৯৫২-র পর থেকে ১৯৭১-র মুক্তিযুদ্ধ এবং এর পরবর্তীকালে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, ইতিহাস ইত্যাদিকে আশ্রয় করে উপন্যাসের যে রূপান্তর ঘটেছে তিনি এ প্রবন্ধে তা আটটি পর্যায়ে বিভক্ত করেছেন। পর্যায়গুলো হলো : ১. প্রথাগত শিল্পীরীতির অনুসরণ, ২. রূপক ও প্রতীকধর্মী উপন্যাস, ৩. আঞ্চলিক জীবনের রূপায়ণ, ৪. মহাসমরোত্তর নব্যশিল্পরীতি, ৫. অন্তর্বাস্তবতার রূপায়ণ, ৬. মিথ-ঐতিহ্য, ইতিহাসের পূণর্মূল্যায়ন: নব আর্থিক, ৭. নব্যবাস্তবতাবোধ: আঞ্চলিক জীবনের রূপায়ণ, ৮. এপিক ফর্ম: যুদ্ধোত্তর নন্দনতত্ত্ব। এই বিভাজনগুলো অনুযায়ী লিখিত উপন্যাস সমূহের উল্লেখ এবং বিশ্লেষণধর্মী মতামত আমাদের বাংলাদেশের উপন্যাস বিচারের ক্ষেত্রকে প্রসারিত করে তোলে।
‘তিনকণ্যার কাহিনী’ নামক একটি সম্পূর্ণ উপন্যাস পত্রিকাটির গৌরব বাড়িয়েছে। এই উপন্যাসে একই পরিবারের তিনবোন বর্তমান সমাজে কিভাবে বাস্তবতার মুখোমুখী হয়ে সংগ্রাম করে টিকে থাকে তা তুলে ধরা হয়েছে। অনিমেশ এবং মহামায়া দম্পতির তিন মেয়ে মাধুরী, মৌমিতা এবং রণিতা। অনিমেষ রিটায়ার করেছেন। সংসার চলে টানাটানি করে। মাধুরী এক স্কুলে শিক্ষকতা করে। মূলত সংসারের যাবতীয় চাহিদা সেই মেটায়। মৌমিতা রণিতা টিউশনি করে। মাধুরীর বিয়ে হয় বিবেক নামক এক তরুণের সাথে। বিবেকের বড় বৌদির সাথে দৈহিক সম্পর্কের কারণে মাধুরী অল্পদিনে সংসার ত্যাগ করে ফিরে আসে পিত্রালয়ে।
মাধুরী বিবেকের সাথে আবার সংসার শুরু হয়। মৌমিতা অরিজের মাধ্যমে একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি জুটিয়ে চলে যায় শিলিগুড়ি। মৌমিতার সাথে সদ্য প্রেমে ব্যর্থ রণিতাও চলে যায়। পরে রণিতা অরিজের মাধ্যমে একটা চাকরি জোগাড় করে যোগদান করে দার্জিলিং-এ। রণিতার সাথে অরিজের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শেষে অরিজসহ রণিতা চলে যায় অস্ট্রেলিয়ায়। মৌমিতা ছোটবেলার পরিচিতি জুনিয়র ছোটভাই রাহুলের সাথে সম্পর্কিত হয়। পিতামাতা দুজনে কলকাতায় সেই পুরনো জীবনের ঘানি টানতে থাকে। পুরনো সম্পর্কগুলো আধুনিক সমাজে কিভাবে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় এবং অর্থনীতি কীভাবে আমাদের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে তার একটি চিত্ররূপ স্থান পেয়েছে এ উপন্যাসে।

এ ছাড়াও সংখ্যাটিতে অসীম সাহা, মহাদেব সাহা, অনীক মাহমুদ, শামস্ আলদীন, নির্মলেন্দু গুণ প্রমূখ কবিদের কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। জাকির তালুকদারের ‘আমাদের দিনরাত্রি’, স্বপ্নময় চক্রবর্তীর ‘কান্নার প্রাচীর’, কিন্নর রায়ের ‘যা, যারে কাগজের নৌকো’, মনি হায়দারের ‘একটি খুনের প্রস্তুতি বৈঠকের পর’ গল্পগুলো প্রকাশিত হয়েছে। ইয়াসমীন আরা লেখার প্রবন্ধ ‘রবীন্দ্রনাথের কবিতায় বাংলাদেশ’ এবং ‘জীবনের প্রথম লন্ডন ভ্রমণ’ নামে একটি ভ্রমণ কাহিনী এতে লিখেছেন বিজনকুমার মন্ডল। বিচিত্র ধরনের সাহিত্যের সমারোহে সমৃদ্ধ একটি পত্রিকা ‘কাথামুখ’। নিখাঁদ সাহিত্যে সমৃদ্ধ এ ধরনের পত্রিকা আজকাল তেমন দেখা যায় না। এর পিছনে একটা সাহিত্যবোদ্ধাগোষ্ঠীর নিরন্তর প্রচেষ্টা রয়েছে একথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

 

ড. তাহা ইয়াসিন, সহকারি অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি।

সম্পর্কিত সংবাদ

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ