জাবির শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ‘বিতর্কিত’ দুই ধারা বাতিল চায় ছাত্র ইউনিয়ন

Send
জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২০:০৭, জুন ১৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:০৯, জুন ১৮, ২০১৯

জাবির অধ্যাদেশের বিতর্কিত দুই ধারা বাতিল চায় ছাত্র ইউনিয়নজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সংশোধিত অধ্যাদেশে যুক্ত হওয়া ‘বিতর্কিত’ ধারা দুটি বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদ।

মঙ্গলবার (১৮ জুন)বিশ্বাবিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে সিন্ডিকেট সভা চলাকালে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম অনিকের সঞ্চালনায় সভাপতি নজির আমিন চৌধুরী জয় বলেন, ‘শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট সংগঠন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে কোনরূপ আলোচনা ছাড়াই এবং তাদের মতামতের তোয়াক্কা না করেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থী-স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীদের মত প্রকাশ এবং অবাধ তথ্য প্রকাশের উপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে। তথ্য অধিকার সুরক্ষায় রাষ্ট্রীয় আইন থাকার পরেও এইরকম আইন প্রণয়ণ অত্যন্ত দুরভিসন্ধিমূলক। এই আইন প্রণয়নের মাধ্যমে তথ্যের অসততা বা বিকৃতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারণ করে দেওয়ার ফলে ক্ষমতার বিরুদ্ধে পর্যালোচনামূলক সাংবাদিকতাও বাধাগ্রস্ত হবে।’

প্রসঙ্গত, সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য প্রকাশের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে সম্প্রতি ছাত্র-ছাত্রী শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ হালনাগাদ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অধ্যাদেশে যুক্ত হওয়া দুটি ধারা নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মরত সাংবাদিক এবং ছাত্র সংগঠনগুলো মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

অধ্যাদেশের ৫ এর (ঞ) নং ধারায় বলা হয়, ‘অসত্য বা তথ্য বিকৃত করে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত কোনও সংবাদ বা প্রতিবেদন স্থানীয়/জাতীয়/আন্তর্জাতিক প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক সংবাদ মাধ্যমে/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ/প্রচার করা বা উক্ত কাজে সহযোগিতা করতে পারবে না।’

৫ এর (থ) নং ধারায় বলা হয়, ‘কোন ছাত্র-ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীর উদ্দেশ্যে টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ই-মেইল, ইন্টানেটের মাধ্যমে কোনও অশ্লীল বার্তা বা অসৌজন্যমূলক বার্তা প্রেরণ অথবা উত্যক্ত করতে পারবে না।’

 

/এফএএন/

লাইভ

টপ