ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইসিএসডিএপি’র সম্মেলন ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর

Send
ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৯:৩৩, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:২১, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯

দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক এশিয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় আন্তর্জাতিক জোট ‘আইসিএসডিএপি’র সম্মেলন। সংস্থাটির সপ্তম দ্বি-বার্ষিক এ সম্মেলনের আয়োজক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ও আইসিএসডি, অস্ট্রেলিয়া। আগামী ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি ভেন্যুতে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নেবেন এশিয়া, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের শতাধিক সামাজিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ-গবেষক।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ে এ ধরনের সর্ববৃহৎ আয়োজন এটিই প্রথম। আন্তর্জাতিক এ সম্মেলন সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সম্মেলনের সহযোগী আয়োজক সিঙ্গাপুর ইউনিভার্সিটি অব সোস্যাল সায়েন্স এবং থাইল্যান্ডের থাম্মাসাট বিশ্ববিদ্যালয়। এর আগে আন্তর্জাতিক এই জোটের ষষ্ঠ দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সিঙ্গাপুরে।
বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান সামাজিক অসন্তোষের কারণে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি শ্লথ হবার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন ও শান্তির পথ বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক দেশেই জাতিগত নিধন এবং গণহত্যার শিকার হয়ে শান্তি ও নিরাপত্তার খোঁজে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য মানুষ প্রতিবেশী ভিন্ন দেশে আশ্রয় নিচ্ছে। আবার উন্নয়নশীল দেশের মানুষ উন্নত দেশে প্রবেশ করছে। ঐচ্ছিক ও বলপ্রয়োগের এমন অভিবাসন প্রক্রিয়া বিশ্বের জাতীয়তাবাদমুখী রাজনৈতিক দল ও সরকারসহ, সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আদর্শ ও মূল্যবোধগত প্রশ্ন এবং উত্তপ্ত বিতর্কের চ্যলেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে। আবার নিজ দেশের ভেতরে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন, সহিংসতার মাধ্যমে শ্রেণি, লিঙ্গ, অঞ্চল এবং ধর্মের মধ্যে সামাজিক অস্থিরতার বীজ রোপিত হচ্ছে।
বিশ্বায়নের যুগে শান্তির পথ হিসেবে দ্বন্দ্ব নিরসনের চেষ্টাকেই গুরুত্বের সাথে অগ্রাধিকার দিয়ে বিবেচনা করা হয়। কারণ এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সামাজিক স্থিতিশীলতা অর্জন করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব। সামাজিক অস্থিরতার মাধ্যমে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলা করে শান্তির পথনির্দেশ করা এবং শান্তি ও উন্নয়নের জন্য ভবিষ্যত সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করাই আন্তজাতিক এই সম্মেলনের লক্ষ্য। এজন্য যেসব বিষয়ের উপর আলোকপাত করা হবে সেগুলো হলো- গৃহযুদ্ধ, শরণার্থী ও সামাজিক অস্থিরতা; অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং শান্তি ও উন্নয়নের ওপর প্রভাব; জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং সামাজিক অস্থিরতা; বিশ্বায়ন, অভিবাসন এবং শান্তি ও উন্নয়নের পথে চ্যালেঞ্জ; দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং শান্তি ও উন্নয়নের প্রতিবেশ ইত্যাদি।
।ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশীদ আসকারী সম্মেলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহিনুর রহমান এবং আইসিএসডি সভাপতি ও অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টুয়ার্ট ইউনিভার্সিটির সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক মনোহর পাওয়ার আয়োজনের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক।

/এনএ/

লাইভ

টপ