সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশন্সের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাঈম আশফাক চৌধুরী প্রেস ব্রিফিয়েং জানিয়েছেন, জিম্মি সংকট অবসানে রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে 'অপারেশন থান্ডারবোল্ট' পরিচালনা করা হয়। শনিবার সকালের এই অভিযানের পর ২০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের সবাই বিদেশি এবং অভিযানের আগেই তাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করা হয়। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য সিএমএইচে পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, অভিযানের সময় ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে তিনজন বিদেশি নাগরিক। এর মধ্যে দুইজন শ্রীলঙ্কার ও একজন জাপানের নাগরিক। তবে চূড়ান্ত অভিযানে অংশগ্রহণকারী কোনও কমান্ডো আহত হননি।
অভিযান চলার সময় ৬ হামলাকারী নিহত হয় এবং সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়। শুক্রবার রাতে নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তা, জিম্মি ও হামলাকারী মিলিয়ে নিহত সংখ্যা ২৮ বলে জানা গেছে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাঈম আশফাক চৌধুরী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই এই অভিযান চালানো হয়। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেয় নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে অপরাশেন থান্ডার বোল্ট শুরু হয়। ১২ থেকে ১৩ মিনিটের মধ্যেই যৌথবাহিনী দুষ্কৃতকারীদের নির্মূল করতে সক্ষম হয়। সাড়ে ৮টায় পুরো অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে নিহতদের খোঁজ জানার জন্য ০১৭৬৯০১২৫২৪ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলেছেন নাঈম আশফাক চৌধুরী।
অভিযানের সময় হামলাকারীদের ব্যবহৃত চারটি পিস্তল, একটি ফোল্ডেড বার একে-২২ পিস্তল, চারটি আইইডি, একটি ওয়াকিটকি সেট এবং বেশকিছু ধারালো দেশীয় অস্ত্র (রামদা জাতীয়) উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন-
এবার সাতক্ষীরায় পুরোহিতকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা
কমান্ডো অভিযানে মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যে গুলশানে জিম্মি সংকটের অবসান: প্রধানমন্ত্রী
/এসএএস/এনএস/এএইচ/এফএস/








