রাঙামাটিতে টিলা সমান করে আশ্রয়হীনদের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণের সুপারিশ

Send
বাংলা ট্রিবউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১০:০২, মার্চ ২২, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১০:০৮, মার্চ ২২, ২০১৮


রাঙামাটিতে পাহাড় ধসপার্বত্য জেলা রাঙামাটির ছোট ছোট টিলা সমান করে বহুতল ভবন নির্মাণ করে সেখানে আশ্রয়হীন ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের পুনর্বাসন করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় উপকমিটি। বুধবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপকমিটির প্রতিবেদন তোলা হয়। তবে এই প্রতিবেদন নিয়ে বুধবারের বৈঠকে আলোচনা হয়নি বলে জানা গেছে। কমিটি সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। 

গত বছর পাহাড় ধসের ঘটনার পর পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ এবং গৃহহীনদের পুনর্বাসনের জন্য সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর এই উপকমিটি গঠন করেছিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। চট্টগাম, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি পরিদর্শন শেষে তারা এই প্রতিবেদনটি তৈরি করে।

এই সংসদীয় উপকমিটির আহ্বায়ক ছিলেন নাটোর-২ থেকে নির্বাচিত সরকারি দলের সংসদ শফিকুল ইসলাম। সংসদীয় উপকমিটির প্রতিবেদনে দেখা যায়, উপকমিটি রাঙামাটি গিয়ে মতবিনিময় সভা করেছিল। সেখানে কমিটির সঙ্গে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে বলেছিলেন, রাঙামাটি এলাকায় সমতল ভূমি নেই। এ ছাড়া বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ, তাই ছোট ছোট টিলাগুলো সমতল করে যদি বহুতল ভবন বানানো যায় তাহলে পাহাড়ের ওপরে ও পাদদেশে বসবাসকারীদের একসঙ্গে রাখা যাবে। তাতে পরিবেশেরও কোনও ক্ষতি হবে না। প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানিও কমবে।

উপকমিটি তাদের প্রতিবেদনে মোট সাতটি সুপারিশ করে। অন্য সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে-পাহাড়ের পাদদেশে নতুন করে ঘরবাড়ি নির্মাণ বন্ধ করা, পাহাড়ে অধিক পরিমাণে পরিবেশবান্ধব এবং পাহাড় রক্ষাকারী গাছ ও বাঁশ লাগানো, পাহাড়ে বসবাসকারী ছিন্নমূল মানুষদের জন্য স্থায়ী আবাসন নির্মাণের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা, রাঙামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই পাশের পাহাড়গুলোতে স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ করা ও বিদ্যমান স্থাপনাগুলোকে অন্যত্র স্থানান্তর, ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প নেওয়া এবং পাহাড় কাটা ও ইটভাটায় কাঠ পোড়ানো বন্ধ করতে নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা।

 

/ইএইচএস/এফএস/

লাইভ

টপ