‘এ বছরেই পদ্মা সেতু চালু হবে’

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৩:৪৫, জুন ০৭, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:০৬, জুন ০৭, ২০১৮

পদ্মা সেতু (ছবি: নাসিরুল ইসলাম)অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের কাজ শুরু করায় বিশ্বে আমাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। ইতোমধ্যে সেতুর চারটি স্প্যান সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের আশা, এই বছরেই চালু হবে পদ্মা সেতু।’ বৃহস্পতিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের পঞ্চম বাজেট এটি। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটির বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা।
সংসদে অর্থমন্ত্রী ড. আবুল মাল আবদুল মুহিতএর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য এই বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরপর মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাওয়া প্রস্তাবিত বাজেটে সম্মতিসূচক স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
এবারের বাজেটে মোট রাজস্ব প্রাপ্তি ও বৈদেশিক অনুদান ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত কর ৯ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা। কর ব্যতিত রাজস্ব প্রাপ্তি ৩৩ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান ৪ হাজার ৫১ কোটি টাকা। এডিপি ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা ও ঘাটতি ১ লাখ ২১ হাজার ২৪২ কোটি টাকা। এদিকে নিট ঋণ ধরা হয়েছে ৫০ হাজার ১৬ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ ঋণ ৭১ হাজার ২২৬ কোটি টাকা।
বাজেটে জিডিপি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশে রাখার প্রত্যাশা রয়েছে অর্থমন্ত্রীর। বাজেটে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ খাতে।
নতুন বাজেটের আকার ২০১৭-১৮ অর্থবছরের মূল বাজেটের তুলনায় ৬৪ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা বেশি। আর ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় এর আকার ৯৩ হাজার ৭৮ কোটি টাকা বেশি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকা, সংশোধিত বাজেটের আকার তিন লাখ ৭১ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা।

নতুন বাজেটে ঘাটতি মেটাতে অর্থমন্ত্রী বৈদেশিক উৎস থেকে মোট ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছেন ৬০ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১০ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা বিদেশি ঋণ পরিশোধ বাবদ খরচ হবে। সরকারের নিট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫০ হাজার ১৬ কোটি টাকা। ঘাটতির বাকি ৭১ হাজার ২২৬ কোটি টাকা নেওয়া হবে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হবে ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা, সঞ্চয়পত্র থেকে নেওয়া হবে ২৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা। বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা আসবে অন্যান্য উৎস থেকে।
আরও পড়ুন-


সংসদে চার লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী

আজ বাজেট পেশ

বড় বাজেট, নির্বাচনের বাজেট

বড় বাজেট বাস্তবায়নে সক্ষম নয় বাংলাদেশ 

বাজেটে গুরুত্ব পাওয়া ১০ খাতের শীর্ষে পরিবহন ব্যবস্থা

বরাদ্দ পাওয়া ১০ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষে স্থানীয় সরকার

এক হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার বরাদ্দ থাকছে বাজেটে

বিশেষ সম্মাননা ভাতা পাবেন মুক্তিযোদ্ধারা

পরিধি বাড়ছে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর, বাড়বে ভাতাও

/জেএইচ/

লাইভ

টপ