‘ধূমপানের ধোঁয়ার ৭০টি রাসায়নিক পদার্থ সরাসরি ক্যানসার সৃষ্টি করে’

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০৪:০০, এপ্রিল ২৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৪:০৫, এপ্রিল ২৪, ২০১৯

পপধূমপানের ধোঁয়ায় প্রায় চার হাজার বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে যা বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী। এর মধ্যে ৭০টি রাসায়নিক পদার্থ সরাসরি ক্যানসার সৃষ্টি করে।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে টোব্যাকো কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ সেল আয়োজিত ‘আইন অনুযায়ী তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কবাণী বাস্তবায়ন: বর্তমান অবস্থা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ধূমপানের ধোঁয়ায় প্রায় চার হাজার বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে, যা বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী। এর মধ্যে ৭০টি রাসায়নিক পদার্থ সরাসরি ক্যানসার সৃষ্টি করে। বাংলাদেশের তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় তামাকজনিত অসংক্রামক রোগের ঝুঁকিও বেড়েছে। তামাকজনিত ব্যাধি ও অকাল মৃত্যুর কারণে বাংলাদেশে প্রতিবছর ৩০ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা বা ৩.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় এক লাখ ৬২ হাজার মানুষ ধূমপানের কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন রোগে মারা যায় এবং তিন লাখ ৮২ হাজার মানুষ তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করে।

এসব বিবেচনা করে সংবাদ সম্মেলনে সকল তামাক পণ্যের মোড়কে ৯০ শতাংশ অংশ জুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী প্রদর্শন করা; বিড়ি, জর্দা ও গুলের ক্ষেত্রে মোড়কের ভিন্নতা; মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণীর জায়গা রাখা; অভিন্ন মোড়ক প্রবর্তন; খুচরা শলাকা ও পানের সঙ্গে জর্দা বিক্রি বন্ধ করা; খোলা তামাক মোড়কের আওতায় আনা; মোবাইল কোর্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করা; সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী বিহীন তামাক পণ্য ধ্বংস করা; উৎপাদিত পণ্যের মোড়কে উৎপাদনকারী কোম্পানির নাম-ঠিকানা সুনির্দিষ্ট করে মুদ্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং উৎপাদনের তারিখ প্রদান বাধ্যতামূলক করাসহ বেশ কিছু সুপারিশমালা তুলে ধরেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে এনআরবির সাবেক চেয়ারম্যান নাসির আহমেদ, দি ইউনিয়নের পোনিফ্যাল অ্যাডভাইজার মাহবুবুল আলম এবং জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটের ক্যানসার ইপিডেমিওলজি বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

/এইচএন/এমএএ/

লাইভ

টপ