মিরপুর থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রী ৬ দিন পর উদ্ধার

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৭:১৯, জুন ১৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:২৯, জুন ১৫, ২০১৯

অপহরণের মামলায় গ্রেফাতার ফাহিমরাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থেকে অপহরণের ছয় দিন পর এক  স্কুলছাত্রীকে (১৩) উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ জুন) ভোরে মিরপুর-১১ এর একটি বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আসাদুজ্জামান জানান, ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের সময় ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গন্ডার নামে বিহারি ক্যাম্পের এক যুবক ও তার দুই সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ সময় আরও দুই নারীকে আটক  করা হয়। এর আগে ফাহিম নামে এক তরুণ, তার মা ফারহানা বেগম ও ফারহান মাসুদ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তারা কারাগারে রয়েছে।

ওই ছাত্রীর মামা জানান, মেয়েটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ৮ জুন মিরপুর থেকে নিখোঁজ হয় ওই ছাত্রী। সিসিটিভি ফুটেজে তাকে ইয়াসিন শেখ ফাহিম (১৫) নামে এক কিশোরের সঙ্গে রাস্তায় হাঁটতে দেখা যায়। ফাহিম তার বন্ধু। এ সময় ওই ছাত্রীকে একটি প্রাইভেটকারে তুলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় প্রথমে মেয়টির বাবা পল্লবী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে তিনি মামলা করেন। ঘটনার পর ফাহিমকে দু’দিন এলাকায় দেখা যায়নি। পরবর্তী সময়ে সে যখন এলাকায় আসে, পুলিশ ফাহিম, তার মা ও ফারহান মাসুদকে গ্রেফতার করে।

ফাহিমের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ওই রাতে মামুন নামে এক ব্যক্তি নিজেকে পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে তাকে ভয় দেখিয়ে মেয়টিকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যায়। ফাহিম এমন দাবি করেছে। পুরো চক্রের সঙ্গে গন্ডার নামে এক বিহারি যুবক জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওই ছাত্রীকে মামুনের সঙ্গে জোর করে বিয়ে দিতেই এই অপহরণ করা হয়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে।

জানা গেছে, মেয়েটি রাজধানীর পল্লবী এলাকার এমডিসি মডেল স্কুলের ছাত্রী। তার সঙ্গে দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল একই স্কুলের ছাত্র ইয়াসিন শেখ ফাহিমের (১৫)। জেরিন-ফাহিমের প্রথমে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও পরে সম্পর্ক প্রেমে গড়ায়। বিষয়টি পরিবার জেনে যাওয়ার পর এনিয়ে তাদের সতর্ক করা হয়। গত ৮ জুন রাতে তারা দু’জন বাসা থেকে বের হয়ে যায়। ওই দিনই অপহরণের ঘটনা ঘটে। অপহরণ চক্রের সঙ্গে ফাহিম জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

 

/এআরআর/আইএ/

লাইভ

টপ