অসুস্থ মানুষকে কষ্ট দেওয়া মোটেও উচিত না: ড. কামাল

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৪৭আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৫৪

খালেদা জিয়া ও ড. কামাল হোসেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রসঙ্গে গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘এখানে কোনও দল বা নেতানেত্রীর পক্ষে বলছি না। একটা অসুস্থ মানুষের কথা বলছি। আমি মনে করি আমাদের তো একটা ঐতিহ্য আছে পাকিস্তান আমল থেকেই, যে কেউ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া। যারা বিচারাধীন তাদের জন্য সব হাসপাতালেই ব্যবস্থা রয়েছে। আমি বলবো না নিজের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নিন। তবে নীতির যে জায়গা আছে সেখান থেকে বিশেষ বিশেষ ভাবে হয়রানি, অসুস্থ মানুষকে কষ্ট দেওয়া মোটেও উচিত না। এটা একটা খারাপ উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে গণফোরাম আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আজ না হয় এক দল বিরোধী অবস্থানে আছে, কাল তারা নাও থাকতে পারে। অসুস্থ মানুষকে কষ্ট দেওয়া মোটেও উচিত না। আমাদের সংবিধানকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এগুলো থেকে সরকারের বিরত থাকা উচিত।’

ড. কামাল বলেন, ‘আমরা এটাও শুনছি যে, ওনার স্বাস্থ্যের কারণে বিএনপি চাচ্ছে হাসপাতালে নেওয়া হোক। কিন্তু দরকার ছিল ওনাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। যারা বিচারাধীন তাদের জন্য সব হাসপাতালেই ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারের ভুলে যাওয়া উচিত না যে আমরা একটা সভ্য সমাজে বসবাস করি। এদেশে আমরা সবাই সভ্য, আমরা সভ্য রাষ্ট্রকে যেন অসভ্য রাষ্ট্রে পরিণত না করি।’

খালেদা জিয়ার বিচারকাজ পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখানে উদাহরণ দেওয়া হচ্ছে কর্নেল তাহেরের। সামরিক শাসনে তখন কতো লোক মারা গিয়েছিল, এর মধ্যে কর্নেল তাহেরের ভূমিকা ছিল। আর তা প্রায় ৪১ বছর আগে। এই এতো বছর আগের একটি উদাহরণ দিয়ে এটা করার কোনও মানে হয় না। যদি অভিযুক্ত হন, বিচার হয় হোক। কিন্তু এই ব্যাপারে কোনও বিশেষ ব্যবস্থা করা সংবিধানকে অমান্য করা। সরকারও যেটা করছে এটা সরকারের পক্ষে যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন- এই সরকারের বিদায় নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না: ড. কামাল হোসেন

/এসও/এফএস/
সম্পর্কিত
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদফতর গঠনের আশা মির্জা ফখরুলের
৯৩৮০০০ কোটি টাকার বাজেট: ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অভিযাত্রায় বাংলাদেশ
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদফতর গঠনের আশাবাদ মির্জা ফখরুলের
সর্বশেষ খবর
যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ‘অবৈধ ও অপরাধমূলক’ বললো ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ‘অবৈধ ও অপরাধমূলক’ বললো ইরান
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-ইউজিসি’র ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-ইউজিসি’র ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
বাজেটে বরাদ্দ বেড়েছে যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের
বাজেটে বরাদ্দ বেড়েছে যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের
৪ বছরের মধ্যেই ১.৫ ডিগ্রি উষ্ণতার সীমা ছাড়াতে পারে বিশ্ব
৪ বছরের মধ্যেই ১.৫ ডিগ্রি উষ্ণতার সীমা ছাড়াতে পারে বিশ্ব
সর্বাধিক পঠিত
প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সেই সড়কের ইট 
প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সেই সড়কের ইট 
সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের আছে আইডি কার্ড, চিনতে পেরেছে পরিবার
সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের আছে আইডি কার্ড, চিনতে পেরেছে পরিবার
বিএসএফের পুশইনের পর সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের পরিচয় মিলেছে
বিএসএফের পুশইনের পর সীমান্তে আটকে থাকা বৃদ্ধের পরিচয় মিলেছে
লাশের গোপনাঙ্গ নিয়ে মন্তব্য করে তোপের মুখে নারী চিকিৎসক
লাশের গোপনাঙ্গ নিয়ে মন্তব্য করে তোপের মুখে নারী চিকিৎসক
৫৪ কেজিতে এক মণের দিন শেষ
৫৪ কেজিতে এক মণের দিন শেষ