মেসি ঝলকে সেমিফাইনালে বার্সেলোনা

Send
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত : ০২:৫১, এপ্রিল ১৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩৪, এপ্রিল ১৭, ২০১৯

2019-04-16T200542Z_649980043_RC113794F950_RTRMADP_3_SOCCER-CHAMPIONS-FC-MUচ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে গোল করা ভুলেই গিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। ১২ ম্যাচ পর সেই খরা কাটালেন আর্জেন্টিনার ফরোয়ার্ড। ন্যু ক্যাম্পে জোড়া গোল করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের স্বপ্নের মতো পথচলার ইতি টানলেন তিনি। তার জাদুকরী পারফরম্যান্সে মঙ্গলবার শেষ আটের দ্বিতীয় লেগে ৩-০ গোলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারালো বার্সেলোনা। তাতে দুই লেগে ৪-০ গোলের অগ্রগামিতায় ২০১৫ সালের পর প্রথম সেমিফাইনাল নিশ্চিত করলো তারা।

প্রথম লেগে আত্মঘাতী গোলে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে জয়খরা কাটায় বার্সা। এদিন কারও দেওয়া উপহারে ম্যাচ জেতেনি কাতালান জায়ান্টরা। যদিও গোলমুখে প্রথম শট ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। ১ মিনিটে পল পগবার পাস থেকে মার্কাস র‌্যাশফোর্ড বল তুলে মারেন মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগেনের মাথার উপর দিয়ে। কিন্তু একটুর জন্য গোল উদযাপন করা হয়নি অতিথিদের। ক্রসবারে আঘাত করে বল চলে যায় মাঠের বাইরে।

১০ মিনিটে ম্যানইউ ডিফেন্ডার ফ্রেডের ভুলে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় বার্সা। তার চ্যালেঞ্জে বক্সের মধ্যে ইভান রাকিতিচ পড়ে গেলে পেনাল্টি দেন রেফারি। তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিতে সিদ্ধান্ত পাল্টে যায়।

অ্যাশলে ইয়াং বল বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে ১৬ মিনিটে দারুণ এক গোলে বার্সাকে এগিয়ে দেন মেসি। ক্রিস স্মলিংয়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দাভিদ দে গেয়াকে পরাস্ত করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। তাতে ২০১৩ সালের এপ্রিলের পর প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে গোলখরা কাটান মেসি।

এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই দ্বিগুণ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে ম্যানইউ। ২০ মিনিটে মেসির ডান পায়ের শট ঠেকাতে ব্যর্থ হন দে গেয়া। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়া এই স্প্যানিশ গোলরক্ষকের হাতের নিচ দিয়ে বল জালে জড়ায়। ২০১০ সালের পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগে মেসি জোড়া গোল করেন বক্সের বাইরে থেকে।

প্রথমার্ধে হ্যাটট্রিকের জন্য চেষ্টা করে গেছেন মেসি। ২৬ ও ৩৬ মিনিটে তার শট গোলবারের উপর দিয়ে চলে যায়। ম্যানইউ দ্বিতীয়বার গোলের সুযোগ তৈরি করে ৩৯ মিনিটে। পগবার ওই শট সহজে ঠেকান টের স্টেগেন। বিরতির আগের মিনিটে দুর্দান্ত সেভে সের্হি রবের্তোকে ব্যর্থ করেন দে গেয়া, তাতে ৩-০ গোলে এগিয়ে যেতে পারেনি বার্সা।

দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির শট ব্লক করেন ইয়াং। ম্যাচের সময় এক ঘণ্টা পার হতেই তৃতীয় গোল পায় বার্সা। জোর্দি আলবার অ্যাসিস্টে চমৎকার গোল করেন ফিলিপ্পে কৌতিনিয়ো।

তিন গোল হজম করার পরও ম্যাচে ফিরতে চেষ্টা করে গেছে ম্যানইউ। যদিও পরিষ্কার সুযোগ তারা তৈরি করতে পারেনি। তেমন একটা চেষ্টা ছিল জেসি লিনগার্ডের, ৭৯ মিনিটে তার শট গোলবারের উপর দিয়ে যায়।

শেষ দিকে আরও গোলের জন্য মরিয়া ছিল বার্সা। কিন্তু দে গেয়ার বাধায় ব্যর্থ হয় তারা। ৮৫ মিনিটে আর্তুরো ভিদালকে ব্যর্থ করেন ম্যানইউর স্প্যানিশ গোলরক্ষক। ৮৮ মিনিটে সুয়ারেস সুযোগ নষ্ট করেন গোলবারের উপর দিয়ে বল মেরে। ইনজুরি সময়ের প্রথম মিনিটে সুয়ারেস ও ভিদালের সমন্বিত চেষ্টায় মেসি পায়ে পান বল। কিন্তু তাকে ফিরিয়ে দিয়ে হ্যাটট্রিক বঞ্চিত করেন দে গেয়া।

/এফএইচএম/

লাইভ

টপ