কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করবে বিসিএস: মো.শাহিদ-উল-মুনীর

Send
হিটলার এ. হালিম
প্রকাশিত : ১৯:৪৫, এপ্রিল ১৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৪৫, এপ্রিল ১৮, ২০১৯

বিসিএস সভাপতি মো.শাহিদ-উল-মুনীরতথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সভাপতি হয়েছেন মো.শাহিদ-উল-মুনীর। কার্যনির্বাহী কমিটি পুনর্বিন্যাস করে নতুন সভাপতি নির্বাচন করা হয়। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২০১৮-২০২০ মেয়াদের শেষ অংশে (১ এপ্রিল ২০১৯ থেকে ৩১ মার্চ ২০২০ পর্যন্ত) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মো. শাহিদ-উল-মুনীর। তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। মো.শাহিদ-উল-মুনীর ইপসিলন সিস্টেমস অ্যান্ড সলিউশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং ইউনিকম বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী। মো.শাহিদ-উল-মুনীর ২০০৮-২০০৯ মেয়াদে বিসিএস’র কোষাধ্যক্ষ, ২০১০-২০১১ মেয়াদে পরিচালক এবং ২০১২-২০১৩ মেয়াদে তিনি মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬-১৮ ও ২০১৮-২০১৯ মেয়াদে তিনি ছিলেন পরিচালক।

 

বাংলা ট্রিবিউন: নতুন দায়িত্ব নিয়ে কী ভাবছেন, কীভাবে কাজ করবেন?

মো.শাহিদ-উল-মুনীর: নতুন দায়িত্ব মানে নতুন চ্যালেঞ্জ। ২০১৮-২০ মেয়াদের নির্বাচনে শেষ এক বছরের জন্য সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছি। এর আগেও পাঁচবার আমি এই সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলাম। এবার সভাপতি হিসেবে। কীভাবে এই সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নেওয়া যাবে তা নিয়েই কাজ করবো। সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে প্রথম থেকেই কাজ করছি। বিসিএস এই খাতে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এই খাতকে সমৃদ্ধ করাই আমার স্বপ্ন। দায়িত্ব পাওয়ার পর এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে নিজের পুরোটা দেওয়ার আশা ব্যক্ত করছি। সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবো। কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উপায় বের করে সামনে এগিয়ে যাওয়াটাই হলো চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জটা নিতে পারবো ভেবে ভালো লাগছে।

বাংলা ট্রিবিউন: মাত্র দায়িত্ব নিলেন, শুরুটা কীভাবে করবেন?

মো.শাহিদ-উল-মুনীর: দায়িত্বটা একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। সভাপতি হিসেবে এর আগেও অনেকেই দায়িত্ব পালন করেছেন। সমিতির কিছু নিত্য নৈমিত্তিক কাজ থাকে, সেগুলো এমনিতেই চলবে। বিভিন্ন জায়গায় আমরা সচেতনতামূলক প্রোগ্রামের পাশাপাশি পুরো বাংলাদেশ জুড়ে অনেক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকি। এর বাইরে আমার ব্যক্তিগত কিছু চিন্তাভাবনা আছে যেগুলো নিয়ে কাজ করতে চাই। সেই ক্ষেত্রগুলোতে এরই মধ্যে আমি কিছু বিষয় চিহ্নিত করেছি। কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলাপ করে সমস্যা এবং সম্ভাবনাগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করবো। আমাদের মধ্যে যারা হার্ডওয়্যার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাদের এই ব্যবসাকে লাভজনক খাত হিসেবে পরিণত করতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা নিয়ে কাজ করবো। প্রতিবার আমরা তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে এগিয়ে নিতে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। এবার আরও কিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেব। গত মেয়াদকালেও আমরা কিছু কাজ করেছি। এবার আরও ভালো কিছু হবে।

নতুন দায়িত্ব মানে নতুন চ্যালেঞ্জ। ২০১৮-২০ মেয়াদের নির্বাচনে শেষ এক বছরের জন্য সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছি। এর আগেও পাঁচবার আমি এই সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলাম। এবার সভাপতি হিসেবে। কীভাবে এই সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নেওয়া যাবে তা নিয়েই কাজ করবো। সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে প্রথম থেকেই কাজ করছি। বিসিএস এই খাতে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এই খাতকে সমৃদ্ধ করাই আমার স্বপ্ন। দায়িত্ব পাওয়ার পর এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে নিজের পুরোটা দেওয়ার আশা ব্যক্ত করছি

বাংলা ট্রিবিউন: আপনার মেয়াদে নিশ্চয়ই আপনি কিছু পরিকল্পনা নিয়ে এগোবেন। সেই পরিকল্পনা নিয়ে যদি কিছু বলতেন।

মো.শাহিদ-উল-মুনীর: আমাদের যে সমস্যা বা সম্ভাবনাগুলো রয়েছে  সেগুলো নিয়ে প্রতিমাসে একটি করে সেমিনার বা গোলটেবিল বৈঠক আয়োজনের একটি পরিকল্পনা আছে। এছাড়া আইসিটি ইন্ডাস্ট্রি এবং দেশের জন্য ভালো হবে এমন বিষয় নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা সাজানো হবে। আরেকটি বিষয়- আইসিটি সেক্টরকে সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড করতে সরকার নানা ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। যেমন- স্কুল-কলেজগুলোতে ল্যাব করে দিচ্ছে, ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে ডিজিটাল তথ্য সেবা কেন্দ্র। প্রচুর ল্যাব হচ্ছে, হার্ডওয়্যার সেটআপ হচ্ছে। কিন্তু ওই পরিমাণ দক্ষ জনবলের সংকট রয়েছে। এজন্য প্রতিটা জেলায় আমি হার্ডওয়্যার ট্রেনিং সেন্টার চালুর পরিকল্পনা নিয়েছি। এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা সরকার এবং স্থানীয় স্কুল-কলেজগুলোকে সাপোর্ট দিতে পারবে। অনেক ডিভাইস রয়েছে যেগুলোতে সামান্য কিছু হার্ডওয়্যারের সমস্যা সমাধান করলেই সেই ডিভাইসগুলো ব্যবহার করা যাবে। হার্ডওয়্যার ট্রেনিং দিয়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে পারলে আমরা এক্ষেত্রেও সাশ্রয়ী ভূমিকা রাখতে পারবো। আইসিটি মন্ত্রণালয়ের কাছে আমরা এই বিষয়ে প্রস্তাবনা রাখবো। নিরাপদ ইন্টারনেট অথবা সবার জন্য ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে আমাদের অভিভাবক এবং আইসিটি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে অসংখ্য মানুষ অনলাইনে থাকছে। এ কারণে অনলাইনে অপরাধের পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে। দেশের সব জেলার স্কুল-কলেজগুলোতে সাইবার বুলিং বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রোগ্রাম এবং ইন্টারনেট অ্যাওয়ারনেস কর্মসূচি পালন করে জনসচেতনতা সৃষ্টি করাও আমাদের পরিকল্পনার অংশ। 

বাংলা ট্রিবিউন: আপনি দায়িত্ব নেওয়ার পরেই প্রথম বাজেট আসছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি কী ভূমিকা রাখবে?

মো.শাহিদ-উল-মুনীর: এ বিষয়ে আমাদের একটা কমিটি আছে। আমরা সবাই একসঙ্গে বসে আলোচনা করবো। সরকার এখন ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে (প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদন) জোর দিচ্ছে। মেড ইন বাংলাদেশ বা বাংলাদেশের পণ্য লেখা দেখাটা নিঃসন্দেহে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তবে সক্ষমতা সৃষ্টির জন্য ধাপে ধাপে এগোতে হবে। সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার উভয় খাতকে একই সঙ্গে এগিয়ে নিতে পারলেই তথ্যপ্রযুক্তিতে আমরাই পথিকৃৎ হবো। 

বাংলা ট্রিবিউন: এমআরপি (সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য) নীতিমালা কতটুকু বাস্তবায়ন হলো?

মো.শাহিদ-উল-মুনীর: আমাদের প্রোডাক্ট রেঞ্জ অনেক। তারপরও স্টিকারযুক্ত পণ্য বাজারে যাচ্ছে। আমাদের কাজ হলো ব্যবসায়ীদের সচেতন করা যেন তারা মনে করে, আমি অসুস্থ প্রতিযোগিতায় যাব না। এমআরপিতে সবাইকে সম্পৃক্ত হতে হবে। এটা আমরা জোরদার করার চেষ্টা করবো। এমআরপি নীতি বাস্তবায়নের জন্য আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। প্রযুক্তিপণ্য ব্যবসায়ীরাও আমাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। কিছুটা সময়ও দরকার। তবে আমরা সফলতার ব্যাপারে আশাবাদী। 

বাংলা ট্রিবিউন: এমআরপি স্টিকারের চেয়ে কম দামে পণ্য বিক্রি করলে জরিমানার বিধান ছিল। সেরকম কিছু এখনও কি আছে?

মো.শাহিদ-উল-মুনীর: হ্যাঁ, এখনও আছে। কিন্তু জরিমানাই সমাধান নয়। ট্রাফিক আইনেও জরিমানার বিধান আছে। তবুও প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা চাই, ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের স্বার্থ রক্ষা হোক। সবাই নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকুক। এ সচেতনতা বাড়ানোর জন্য আমরা প্রথম থেকেই কাজ করে যাচ্ছি। জরিমানা বিধানও থাকবে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির কাজও চলবে। ব্যবসায়ীদের এমআরপি মূল্যে বিক্রি করার জন্যও আমরা উৎসাহ দেবো। এমআরপি নীতি তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের বিকিকিনিতে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত হবে। 

বাংলা ট্রিবিউন: ওয়ারেন্টি পলিসিটা কেমন চলছে?

মো.শাহিদ-উল-মুনীর: ওয়ারেন্টি পলিসিটা খুব ভালো করছে। এখানেও একই বিষয়, সচেতনতা দরকার। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে গ্রাহকদের সচেতন করবো যেন তারা যথাযথ মাধ্যম থেকে পণ্য কিনতে পারে। এর ফলে তারা ওয়ারেন্টি পাবে এবং কোনও ধরনের ভোগান্তিতে পড়বে না। অর্থাৎ বিসিএস সদস্যদের থেকে পণ্য কিনে তারা যথাযথ ওয়ারেন্টির নিশ্চয়তা পাবে।

মো.শাহিদ-উল-মুনীর

বাংলা ট্রিবিউন: আইটি পণ্যের ব্যবসা নিম্নমুখী। এই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে কী করবেন?

মো.শাহিদ-উল-মুনীর: আসল কথা হলো, বেশি মুনাফা না থাকাতে বা ক্ষেত্র বিশেষে কেনা দামের চেয়ে কমে পণ্য বিক্রির কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা টিকতে পারছে না। এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে ব্যবসায়ীদের নিয়ে বসতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবসাকে কিভাবে লাভজনক করা যায় এ নিয়ে আমরা নীতি প্রণয়নের চেষ্টা করবো। 

সবসময় যেভাবে হয় এবার সেভাবে হবে না। এখন ইন্ডাস্ট্রি হচ্ছে ফোর-জির। অনেক দেশে ফাইভজি চালুর পথে। ফলে ডিভাইসগুলোও হচ্ছে সেরকমই। আমরা চাই ভবিষ্যতের পণ্যগুলো ডিজিটাল এক্সপোতে দেখাতে। কিছু জটিলতা অবশ্য আছে। যেমন- এমন কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ফাইভ-জি ছাড়া চলবে না। এ সমস্যা দূর করতে এরিকসন, হুয়াওয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছে, ‘আমরা এখানে ডেমো দেখাতে পারবো। ডিজিটাল এক্সপোতে ম্যানুফ্যাকচারিং জোন, ফিউচার প্রোডাক্ট এবং সিকিউরিটি পণ্যের জোন থাকবে। এবারের এক্সপোতে ভবিষ্যতের প্রযুক্তিকে ফোকাস করা হবে বেশি

বাংলা ট্রিবিউন: অনেকে হার্ডওয়্যার উৎপাদনের দিকে যাচ্ছে। আমাদের দেশে হার্ডওয়্যার পণ্য তৈরির জন্য বিসিএস কি কি উদ্যোগ নিয়েছে?

মো.শাহিদ-উল-মুনীর: আসলে হার্ডওয়্যার উৎপাদনের বিষয়টি অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। দেশে অনেকগুলো হাইটেক পার্ক হয়েছে। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানও আগ্রহ দেখাচ্ছে। আমরাও এগোচ্ছি। সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছি। যেসব দেশে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ করছি। দেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং সুবিধা উপস্থাপন করছি। কিছু প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে উৎপাদন শুরু করেছে। সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা খুব ভালো। আগামীতে এটা অনেক কাজে দেবে।

বাংলা ট্রিবিউন: সামনে ডিজিটাল-এক্সপো আসছে। সেটা নিয়ে আপনার আলাদা কোনও পরিকল্পনা আছে কী? নাকি সবসময় যেভাবে হয় সেভাবেই হবে?

মো.শাহিদ-উল-মুনীর: না, সবসময় যেভাবে হয় এবার সেভাবে হবে না। এখন ইন্ডাস্ট্রি হচ্ছে ফোর-জির। অনেক দেশে ফাইভজি চালুর পথে। ফলে ডিভাইসগুলোও হচ্ছে সেরকমই। আমরা চাই ভবিষ্যতের পণ্যগুলো ডিজিটাল এক্সপোতে দেখাতে। কিছু জটিলতা অবশ্য আছে। যেমন- এমন কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ফাইভ-জি ছাড়া চলবে না। এ সমস্যা দূর করতে এরিকসন, হুয়াওয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছে, ‘আমরা এখানে ডেমো দেখাতে পারবো। ডিজিটাল এক্সপোতে ম্যানুফ্যাকচারিং জোন, ফিউচার প্রোডাক্ট এবং সিকিউরিটি পণ্যের জোন থাকবে। এবারের এক্সপোতে ভবিষ্যতের প্রযুক্তিকে ফোকাস করা হবে বেশি।

বাংলা ট্রিবিউন: আপনি আপনার মেয়াদে বিসিএসকে কোথায় রেখে যেতে চান?

মো.শাহিদ-উল-মুনীর: ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) প্রতিষ্ঠা হয়। আইসিটি ইন্ডাস্ট্রিতে বিসিএস’র সদস্য সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। শুধু হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার নয়, তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত সব ধরনের ব্যবসার প্রতিনিধিত্ব করে বিসিএস। এটাই আমাদের সৌন্দর্য। বিসিএস আইসিটি সেক্টরের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন। সে হিসেবে আইসিটি খাতে আমাদের ভূমিকাও উল্লেখযোগ্য। বিসিএস তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনে সরকারের যেকোনও ভালো উদ্যোগের সঙ্গে আগেও ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা সবাই চাই বাংলাদেশ এগিয়ে যাক। এই যাত্রাকে গতিময় করতে বিসিএস তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যেকোনও ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে সবসময় প্রস্তুত। বিসিএসকে শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমি এবং আমার কার্যনির্বাহী সদস্যরা একযোগে কাজ করে যাব। ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রেখে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখবে বিসিএস।

শ্রুতি লিখন: আসির আহবাব নির্ঝর

 

/এইচএএইচ/

লাইভ

টপ