স্ক্রিনের ওপারে কেমন ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে শিশুদের?

প্রদীপ্ত মোবারক
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৪ আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৬

প্রযুক্তিনির্ভর এই আধুনিক সভ্যতায় স্মার্টফোন, ইন্টারনেট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। শিক্ষা, যোগাযোগ, তথ্যপ্রাপ্তি, সৃজনশীলতা এবং বৈশ্বিক সংযোগের ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু প্রযুক্তির এই অভূতপূর্ব অগ্রগতির পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আজ বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে; অনিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল নির্ভরতা কি আমাদের শিশু-কিশোরদের স্বাভাবিক মানসিক বিকাশ, সামাজিক আচরণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মূল্যবোধকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে?

একসময় শিশুর শৈশবের পরিচয় ছিল খেলার মাঠ, প্রকৃতির সান্নিধ্য, গল্পের বই, পারিবারিক বন্ধন এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ড। শিশুরা বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে সামাজিক দক্ষতা অর্জন করত। বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠত আবেগ, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ।

আজ সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। অনেক শিশুর শৈশবের উল্লেখযোগ্য অংশ অতিবাহিত হচ্ছে স্মার্টফোনের পর্দার সামনে। ভার্চুয়াল জগত ধীরে ধীরে অনেক শিশুর কাছে বাস্তব জীবনের বিকল্প পরিসরে পরিণত হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিঃসন্দেহে আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। কিন্তু শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে এর অতিরিক্ত ব্যবহার নতুন ধরনের মনস্তাত্ত্বিক সংকট তৈরি করছে। বিনোদন, সামাজিক স্বীকৃতি, লাইক-কমেন্টের প্রতিক্রিয়া এবং ভার্চুয়াল জনপ্রিয়তার আকাঙ্ক্ষা অনেক শিশুর মানসিক জগতে এমনভাবে প্রভাব বিস্তার করছে, যা তাদের আত্মপরিচয়, আত্মবিশ্বাস এবং বাস্তব সম্পর্কের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

ডিজিটাল আসক্তি: নীরবে বদলে যাচ্ছে শিশুর মনোজগৎ

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, শিশু-কিশোরদের অতিরিক্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার উদ্বেগ, বিষণ্নতার প্রবণতা, মনোযোগের ঘাটতি, ঘুমের ব্যাঘাত এবং আত্মবিশ্বাসের সংকটের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সার্জন জেনারেলের ২০২৩ সালের একটি পরামর্শপত্রে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে সতর্কতা প্রকাশ করা হয় এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানও শিশুদের জন্য ভারসাম্যপূর্ণ ডিজিটাল অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। কারণ শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশমান অবস্থায় থাকে। এই সময় অতিরিক্ত ভার্চুয়াল উদ্দীপনা তাদের মনোযোগ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক দক্ষতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

২০২৬ সালেও শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তাদের কিছু নকশাগত বৈশিষ্ট্য শিশুদের দীর্ঘ সময় ধরে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে উৎসাহিত করে এবং এর ফলে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ নিয়ে একাধিক আইনি প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। প্রশ্ন হলো, আমরা কি এই বাস্তবতাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছি?

সন্তানের হাতে স্মার্টফোন, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

বর্তমান সময়ে অনেক অভিভাবকের কাছে স্মার্টফোন হয়ে উঠেছে সন্তানকে ব্যস্ত রাখার সহজতম উপায়। শিশুর কান্না থামাতে ফোন দেওয়া, খাবারের সময় ভিডিও চালিয়ে দেওয়া কিংবা অবসর কাটানোর জন্য অনলাইন বিনোদনের সুযোগ করে দেওয়া; এসব ধীরে ধীরে অভ্যাসে পরিণত হচ্ছে। কিন্তু প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণ এবং প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতা; এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

একটি শিশু যদি প্রতিদিন দীর্ঘ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করে, বাস্তব জীবনের সম্পর্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, পড়াশোনায় মনোযোগ হারায় কিংবা ভার্চুয়াল প্রশংসাকে নিজের মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে, তাহলে অভিভাবকদের সতর্ক হওয়া জরুরি।

শিশুরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় এমন সব কনটেন্টের মুখোমুখি হয়, যা তাদের বয়স ও মানসিক পরিপক্বতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সহিংসতা, অনৈতিক প্রবণতা, অবাস্তব জীবনধারার প্রদর্শন, সাইবার বুলিং এবং নেতিবাচক সামাজিক প্রভাব তাদের মানসিক বিকাশে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

বাংলাদেশের বাস্তবতা: বাড়ছে উদ্বেগ

বাংলাদেশেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর ভিডিও, অনলাইন হয়রানি এবং ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহারের ঘটনা অভিভাবক ও সমাজকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে।

প্রযুক্তি যেমন অপরাধের তথ্য প্রকাশে সহায়তা করছে, তেমনি অসচেতন ব্যবহার শিশুদের জন্য নতুন ধরনের ঝুঁকিও তৈরি করছে। একটি শিশুর ছবি, ভিডিও বা ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তার দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও মানসিক প্রভাব তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে অনলাইন পরিচয় এবং বাস্তব পরিচয়ের মধ্যে পার্থক্য তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অনেকেই ভার্চুয়াল জনপ্রিয়তাকে জীবনের প্রকৃত সাফল্যের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে।

সোশ্যাল মিডিয়ার নীরব ক্ষয়: মনোযোগ, ঘুম ও সম্পর্কের সংকট

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অন্যতম বড় প্রভাব হলো মনোযোগের বিচ্ছিন্নতা। দ্রুত পরিবর্তনশীল ভিডিও, ক্রমাগত নোটিফিকেশন এবং তাৎক্ষণিক বিনোদনের অভ্যাস শিশুদের দীর্ঘ সময় ধরে কোনো একটি বিষয়ে মনোযোগ ধরে রাখার সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার সময় বারবার ফোন পরীক্ষা করার অভ্যাস থেকে বের হতে পারে না। ফলে শেখার গভীরতা কমে যায় এবং শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

অন্যদিকে, রাতে দীর্ঘ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ফলে ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হয়। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তুলনামূলক মানসিকতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষ সাধারণত জীবনের সুন্দর ও আকর্ষণীয় মুহূর্তগুলোই প্রকাশ করে। শিশুরা যখন এসব দেখে, তখন অনেক সময় নিজেদের জীবনকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করে। এর ফলে তৈরি হতে পারে হতাশা, অপ্রতুলতার অনুভূতি এবং আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি।

লাইক-কমেন্টের স্বীকৃতি: নতুন প্রজন্মের নতুন চ্যালেঞ্জ

বর্তমান প্রজন্মের অনেক শিশু-কিশোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়াকে নিজের গ্রহণযোগ্যতার সঙ্গে যুক্ত করতে শুরু করেছে। লাইক, কমেন্ট এবং ফলোয়ারের সংখ্যা অনেকের কাছে আত্মমূল্যায়নের একটি সূচকে পরিণত হচ্ছে।

কিন্তু মানুষের প্রকৃত মূল্য কোনো ভার্চুয়াল সংখ্যার মাধ্যমে নির্ধারিত হয় না। একটি শিশুর আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠে তার পরিবার, শিক্ষা, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং মানবিক সম্পর্কের মাধ্যমে।

সাইবার বুলিং, অনলাইন অপমান এবং নেতিবাচক মন্তব্য শিশুদের মনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই অনলাইন নিরাপত্তা সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করা এখন সময়ের দাবি।

প্রযুক্তি নয়, প্রয়োজন প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার

প্রযুক্তিকে শত্রু হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। প্রযুক্তি সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে এটি শিশুর শিক্ষার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে। অনলাইন শিক্ষা, নতুন দক্ষতা অর্জন, গবেষণা এবং সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ভূমিকা অপরিসীম।

সমস্যা প্রযুক্তিতে নয়; সমস্যা হলো অনিয়ন্ত্রিত ও অসচেতন ব্যবহার। তাই শিশুদের প্রযুক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন না করে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শেখানোই হবে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।

শুধু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নয়, বরং সচেতনতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে সন্তানকে ডিজিটাল জগতের সঙ্গে পরিচয় করাতে হবে।

অভিভাবকদের করণীয় কী

শিশুর বয়স অনুযায়ী প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করা। ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা। পরিবারের সবাই মিলে নির্দিষ্ট সময় প্রযুক্তিমুক্ত থাকা। সন্তানের অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন থাকা। খেলাধুলা, বই পড়া ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দেওয়া। সন্তানের সঙ্গে প্রযুক্তি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা। শেষ কথাটা এভাবেই বলছি, শৈশবকে ফিরিয়ে দিন শৈশবের কাছে।

শৈশব মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে গড়ে ওঠে চিন্তা, মূল্যবোধ, কল্পনাশক্তি এবং মানবিকতা। তাই শিশুর হাতে শুধু স্মার্ট ডিভাইস তুলে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; তার হাতে একটি সুস্থ ভবিষ্যৎ তুলে দেওয়ার দায়িত্বও অভিভাবকদের।

আমাদের সন্তানরা যেন প্রযুক্তির ব্যবহারকারী হয়, প্রযুক্তির বন্দি নয়, এই ভারসাম্য নিশ্চিত করতে হবে। কারণ প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ নির্মাণের শক্তি হতে পারে, আবার অসচেতন ব্যবহার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংকটও তৈরি করতে পারে।

সন্তানকে দিন বাস্তব জীবনের আনন্দ, মানবিক সম্পর্ক এবং সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ। কারণ একটি সুস্থ শিশুই পারে একটি সুস্থ সমাজ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে।

লেখক: কলামিস্ট ও জনসংযোগ প্রধান, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ

/ইউএস/
সম্পর্কিত
মোবাইল আসক্তি নিয়ে বকা, অভিমানে ঘর ছাড়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী: অবশেষে উদ্ধার
পর্যটন অর্থনীতি-৯: যোগাযোগ-নিরাপত্তা নিশ্চিতের পর অবকাঠামো উন্নয়নই পর্যটনের মূল স্তম্ভ
এআইয়ের দৌড়, বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত 
সর্বশেষ খবর
২৭ বছর আত্মগোপনে, এরশাদ শিকদারের অন্যতম সহযোগী গ্রেফতার
২৭ বছর আত্মগোপনে, এরশাদ শিকদারের অন্যতম সহযোগী গ্রেফতার
৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক হ্রাসে রাজি চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক হ্রাসে রাজি চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় আরও ৬ জন কারাগারে
মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় আরও ৬ জন কারাগারে
ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই: একদিনে হাসপাতালে ২১৫৮, মৃত্যু ছয়জনের
ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই: একদিনে হাসপাতালে ২১৫৮, মৃত্যু ছয়জনের
সর্বাধিক পঠিত
কোটি মানুষের শিল্পনগরী, নেই কোনও বিনোদনকেন্দ্র
কোটি মানুষের শিল্পনগরী, নেই কোনও বিনোদনকেন্দ্র
চীন-ভারতকে টপকে যুক্তরাষ্ট্রই হবে বাংলাদেশের প্রধান আমদানি উৎস?
চীন-ভারতকে টপকে যুক্তরাষ্ট্রই হবে বাংলাদেশের প্রধান আমদানি উৎস?
ঢাকার কাছেই ৫ রিসোর্ট: কোথায় কী সুবিধা, খরচ কত 
ঢাকার কাছেই ৫ রিসোর্ট: কোথায় কী সুবিধা, খরচ কত 
সিলেট-ঢাকা ছয় লেন মহাসড়কের কাজ কবে শেষ হবে, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী
সিলেট-ঢাকা ছয় লেন মহাসড়কের কাজ কবে শেষ হবে, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী
এত সাহস, এক গালে চড় দিলে দুই গালে চড় দেবো: বিদ্যুৎমন্ত্রী
এত সাহস, এক গালে চড় দিলে দুই গালে চড় দেবো: বিদ্যুৎমন্ত্রী