একটি ব্যাংকের এমডি হয়ে একটি ফাউন্ডেশনে কীভাবে এত ডলার অনুদান দিলো সেই প্রশ্ন তুলে গণমাধ্যমকে তা তদন্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ক্ষেত্রে যদি কোনও তথ্য লাগে তিনি তার জোগান দেবেন বলেও জানান। তিনি নিজে এটা করতে গেলে ‘প্রতিহিংসা’র প্রশ্ন আসতে পারে বলেও মন্তব্য করেন।
বুধবার (২২ জুন) গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধে অভিযুক্ত’ ড. মুহম্মদ ইউনূসের ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে দেওয়া অনুদান প্রসঙ্গে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের অর্থ বরাদ্দ বন্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে, সেই বিষয়ে তদন্ত করা হবে কিনা সাংবাদিক রাশেদ চৌধুরীর এমন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে ৫৪টি বেসরকারি ব্যাংক রয়েছে। কার এত আর্থিক সঙ্গতি রয়েছে, একজন এমডি একটি ফাউন্ডেশনে এত ডলার দিলো অনুদান হিসেবে, অথবা এত ডলার খরচ করলো কীভাবে—সেটা আপনারা তদন্ত করলে ভালো হয় না? আমি করতে গেলে বলবেন, প্রতিহিংসার জন্য এটা করছি। তাই আপনারা সাংবাদিকরা করলে সেটা আরও ভালো হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আরও তথ্য আছে। কোন ব্যাংকে কত টাকা আছে, কোন চেকে কত টাকা সরালো, সেসব তথ্যও আছে। বের করেন না। সব আমরা বলবো কেন? আপনারা একটু খুঁজে বের করেন। তারপরে যদি কিছু লাগে জোগান দেবো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ট্রাস্টের টাকা বেসরকারি ব্যাংকে কীভাবে যায়? এক চেকে ছয় কোটি টাকা তুলে নিয়ে যায় নিজের ব্যক্তিগত হিসাবে…। আমরাও তো ট্রাস্ট চালাই, তার চেয়ারপারসন হবার পরেও আমার ব্যক্তিগতভাবে টাকা তোলার কোনও রাইট নেই। আমার কাছে এই তথ্যও আছে, ট্রাস্ট থেকে ব্যক্তিগত চেকে ৬ কোটি টাকা নিয়ে তারপর সেই টাকা উধাও। গেলো কই? বেশি দিনের কথা না, ২০২০ সালের কথা। তার হিসাব নম্বর সবই আছে। বলতে চাই না। আপনারা বের করেন।
তিনি বলেন, এত স্বনামধন্য বিখ্যাত ব্যক্তি, আমি কিছু বললে… আমরা তো লেখাপড়া জানি না, কিছুই জানি না। আমাদের তো বলা শোভা পায় না। এত জ্ঞানী তো না। সাধারণ মানুষ। একেবারে নিরেট বাঙালি মেয়ে। তাও আবার বাংলায় পড়েছি।
আরও পড়ুন:









