X
মঙ্গলবার, ০৩ আগস্ট ২০২১, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

'ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন এসেছে'

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০২১, ০১:৫১

স্বাধীনতার ৫০ বছরে চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সামনের ৫০ বছরের প্রত্যাশা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বাংলা ট্রিবিউন-এর সঙ্গে কথা বলেছেন সংগঠনটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়।

বাংলা ট্রিবিউন: বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে ছাত্র সংগঠনের ভূমিকা কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

আল নাহিয়ান খান জয়: এ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস যদি পর্যালোচনা করি, ছাত্র সংগঠনের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি ছিল। স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রায় ১৭ হাজার নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। স্বাধীনতা পরবর্তী ৫০ বছরে প্রত্যেকটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ছাত্ররাই নেতৃত্ব দিয়েছে। যখন কেউ অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করেছে তারা কিন্তু সফল হয়নি। সফল না হওয়ার পেছনে রয়েছে ছাত্র সংগঠনগুলোর সক্রিয় ভূমিকা।

 বাংলা ট্রিবিউন : স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পার হলো, সামনের পঞ্চাশে কী আশা করছেন?

আল নাহিয়ান খান জয়: স্বাধীনতার ৫০ বছরের ইতিহাস যদি পর্যালোচনা করি, কিছু স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর জাতির পিতা দেশকে এগিয়ে নিতে নানামুখী রূপরেখা তৈরি করেছিলেন। যারা বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি, স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি, এমন কিছু কুলাঙ্গার তাকে সপরিবারে হত্যা করে। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা আমাদের দেশনেত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেঁচে গিয়েছিলেন। আমাদের নেত্রী দেশে ফেরার পর গণমানুষের হাল ধরেন এবং স্বাধীনতাবিরোধীদের সফল হতে দেননি। তাঁর সরকার গঠনের মাধ্যমেই আবার স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির উত্থান হয়। মাঝের সময়টা ছিল ঘোর অন্ধকারাচ্ছন্ন। নেত্রীর দূরদর্শী ভাবনায় আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি। আশা করছি আগামী ৫০ বছরে উন্নয়নের জন্য সারা বিশ্বে আমরা 'বাংলাদেশ মডেল' হিসেবে পরিচিতি লাভ করবো।

বাংলা ট্রিবিউন : ক্যাম্পাসে রাজনীতির সংস্কৃতিতে কেমন পরিবর্তন দেখছেন?  

আল নাহিয়ান খান জয়: অবশ্যই ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন এসেছে। একটা সময় দেখেছি ক্যাম্পাসে  অস্ত্রের ঝনঝনানি, রগকাটা বাহিনীর পদাচারণা। এখন সে অবস্থা নেই। এখন স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিগুলো ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। ছাত্রলীগসহ বাম সংগঠনগুলো আছে। কিন্তু নিষিদ্ধ শিবিরের অবস্থান নেই। তারা এখন নামসর্বস্ব সংগঠনে পরিণত হয়েছে। 

বাংলা ট্রিবিউন : বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার ওপর রাজনৈতিক প্রভাব আছে কিনা, থাকলে কী প্রভাব পড়ছে বলে মনে করেন?

আল নাহিয়ান খান জয়: আমি মনে করি না শিক্ষার ওপর রাজনৈতিক কোনও প্রভাব আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের  শিক্ষার যে  নিয়মনীতি, তার ওপর কেউ হস্তক্ষেপ করে না।

বাংলা ট্রিবিউন : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষে পা দিলো। শতবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি কোন দিকে?

আল নাহিয়ান খান জয়: ঢাবির র‌্যাংকিংয়ে রাজনৈতিক প্রভাব থাকার কথা নয়। আমি মনে করি না, শুধু র‌্যাংকিং দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করা যায়। বাংলাদেশের দিকে যদি তাকাই, দেশের প্রত্যেকটি সেক্টরে ঢাবি শিক্ষার্থীরা অবদান রাখছে। তাই আমি মনে করি না র‌্যাংকিংয়ের কারণে ঢাবি পিছিয়ে আছে। কিন্তু কিছু আন্তর্জাতিক নিয়ম থাকে। সেক্ষেত্রে আমার আশা, বিশ্ববিদ্যালয় যেন তার জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দিক দিয়ে এগিয়ে যেতে পারে।

বাংলা ট্রিবিউন : বর্তমান ছাত্র সংগঠনগুলোর কার্যক্রমকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? সহাবস্থান আছে কি?

আল নাহিয়ান খান জয়: শিক্ষার্থীদের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। অছাত্রদের অবস্থানের কোনও সুযোগ নেই। সহাবস্থান কিন্তু বিরাজ করছে। মধুর ক্যান্টিন, টিএসসিতে সবাই অবস্থান করছে।

বাংলা ট্রিবিউন : হলগুলোতে ক্ষমতাসীনদের একক আধিপত্য রয়েছে বলে অনেকের অভিযোগ, এ বিষয়ে কী বলবেন?

আল নাহিয়ান খান জয়: ধারণাটি মিথ্যা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি শিক্ষার্থী খুবই সচেতন। কেউ যদি বলে তাদের ওপর কিছু জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, সেটা অবশ্যই মিথ্যা। কারণ তারা জানে কোনটি ভালো আর কোনটি খারাপ। ছাত্রলীগ একটি জনপ্রিয় ছাত্র সংগঠন। এই সংগঠনের কর্মী হওয়া অনেকেরই স্বপ্ন। এই স্বপ্ন তাদেরও আছে। এই সংগঠনের কর্মী হতে চাইলে আমরা তো আর কাউকে বাধা দিতে পারি না। ছাত্রলীগের জনপ্রিয়তার কারণেই হলগুলোতে ছাত্রলীগের অবস্থান ভালো।

 বাংলা ট্রিবিউন : আপনাদের সংগঠনে ভিন্নমত গ্রহণের প্রবণতা আছে?

আল নাহিয়ান খান জয়: কেউ যদি ভিন্ন মতামত দেয় এবং তা যৌক্তিক হয়, তবে আমরা অবশ্যই গ্রহণ করবো।  যদি ভিন্নমত গ্রহণের প্রবণতা না থাকে তবে তো স্বাভাবিক পরিবেশ থাকবে না।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০৯:৪৭

যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হতে পেরেছে। একসময় দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত বাংলাদেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও ভাগ্য বদলাতে পারেননি রাজশাহীর পবা উপজেলার হুজরিপাড়া ইউনিয়নের শরিষা কুড়ি কলেজপাড়া এলাকার হতদরিদ্র বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান। মাসে সরকারিভাবে পাওয়া মুক্তিযোদ্ধা ভাতা থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে পাঁচ শতক জায়গার ওপর টিনের ঘর বানিয়ে বসবাস করছেন দেশের এই সূর্য সন্তান।

জরাজীর্ণ ঘরে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমানের বসবাস জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমানের তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। তিন মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। বড় ছেলে মিনারুল ইসলাম আলাদা সংসার করছেন। বর্তমানে স্ত্রী ও দুই ছেলে এবং তাদের স্ত্রীসহ ছয় জনের সংসারের খরচ চালাচ্ছেন তিনি। অর্থের অভাবে ছেলেমেয়েকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে পারেননি। ছেলেরা কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত।

দেশ স্বাধীনের ৫০ বছরেও নিজের ভাগ্যের কেন পরিবর্তন হয়নি জানতে চাইলে ৬৫ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান বলেন, ‘নিজের কোনও আবাদি জমি ছিল না। বর্তমানেও নেই। অন্যের জমিতে কাজ করে সংসার চালাই। এতে করে ছেলেমেয়েদের নিয়ে সংসার করে বাড়তি কিছু করতে পারিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের প্রথম মেয়াদ থেকে ৩০০ টাকা থেকে এখন ১২ হাজার টাকা করে প্রত্যেক মাসে সরকারি ভাতা পেয়ে আসছি। সোনালী ব্যাংক পবা উপজেলার বায়া শাখায় ভাতা উত্তোলনের তালিকায় তৃতীয় স্থানে আমার নাম রয়েছে।’

 খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৭ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর সাব-সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন আব্দুর রহমান। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার আনুমানিক বয়স ছিল ১৬ বছর। পবা উপজেলার দারুশা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন, তখন তরুণ আব্দুর রহমান ডাকে সাড়া দিয়ে দেশ স্বাধীনের প্রস্তুতি নেন। এরই অংশ হিসেবে প্রথমে ভারতের পানিপিয়া ক্যাম্পে যোগদান করেন। পরে ভারতের শিলিগুড়িতে প্রশিক্ষণের জন্য যান। সেখানে প্রশিক্ষণ শেষ করে আবার বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এরপর পবা থানার দুয়ারি এলাকায় ব্রিজ অপারেশন, তানোর থানায় পাকিস্তানি বাহিনীসহ তার অনুসারী রাজাকার, আলবদর এবং বিহারিদের সঙ্গে যুদ্ধ করেন। একের পর এক অভিযানে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীনের অংশীদার হন আব্দুর রহমান।

 বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান বলেন, ‘বাংলার মানুষ পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচার, নিপীড়ন ও নির্যাতন থেকে যাতে মুক্তি পায় সে জন্য যুদ্ধে গিয়েছিলাম। তখন ভাবিনি দেশ স্বাধীন হলে আমি আর্থিকভাবে লাভবান হবো। দেশ স্বাধীনের পর যে সম্মান পেয়েছি তা অনেক। তবে আমাদের মতো দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন শেখ হাসিনা। আমাদের আগের চেয়ে বহুগুণে সম্মানিত করছেন। সেই সঙ্গে আর্থিকভাবে সহায়তা করছেন। এতে আমি গর্ববোধ করছি।’

 তিনি আরও বলেন, ‘যতদিন বেঁচে আছি ততদিন যেন মাথা গোঁজার জন্য ভালোভাবে বসবাসের ঠাঁই পাই। আমি এখন অসুস্থ। তাই চিকিৎসার জন্য সরকারি-বেসরকারিভাবে কেউ সহায়তা করলে অনেক ভালো হতো। যে ভাতা পাই তা দিয়ে সংসার চালিয়ে চিকিৎসা খরচ চালাতে পারি না।’

 

/এএম/

সম্পর্কিত

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

সালাউদ্দিনের স্মৃতিতে

কেমন ছিল মুক্তিযুদ্ধের সেই দিনগুলো

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ২৩:০৬

মুক্তিযুদ্ধে অস্ত্র হাতে পাক হানাদার বাহিনীদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে একদল বীর বাঙালি। আরেকটি দল ছিল, যারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ না করলেও মাঠে ফুটবল খেলে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছে। যারা স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল নামেই পরিচিত। ভারতের বিভিন্ন শহরে ফুটবল খেলে জনমত গড়ে অর্থ সংগ্রহ করেছে দলটি। যুদ্ধের সময় জাকারিয়া পিন্টু-কাজী সালাউদ্দিন-নওশেরুজ্জামানদের কম ত্যাগ স্বীকার করতে হয়নি। কোনও সময় আধপেটা থাকতে হয়েছে, কখনোবা ঘুমানোর জায়গাও ঠিকমতো জোটেনি!

তারপরও তাদের দমানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছেন মাতৃভূমির জন্য। আর সেই দলটির সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন কাজী সালাউদ্দিন। মাত্র সাড়ে ১৬ বছর বয়সে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দিয়েছিলেন অন্যদের সঙ্গে। স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত দলটির সঙ্গে থেকে বিভিন্ন শহরে প্রদর্শনী ম্যাচ খেলেছেন। লাল-সবুজ পতাকার জন্য গড়েছেন জনমত।

দেশের জন্য ফুটবল খেলে লড়াই করতে যাচ্ছেন, তাই ধরেই নিয়েছিলেন সামনে বিপদসংকুল রাস্তা অপেক্ষায়মান। আর পরতে পরতে সেই বাধা অতিক্রমও করে গেছেন।

সেই দিনগুলো মনে পড়লে এখনও নস্টালজিক হয়ে পড়েন দেশের ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি কাজী সালাউদ্দিন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিই। পেছনে ফিরে আর তাকাইনি। জানি এই লড়াই-সংগ্রামে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে। তারপরও পিছপা হইনি। লক্ষ্য ছিল, যেভাবেই হোক দেশকে স্বাধীন করতে সরাসরি ভূমিকা রাখতে হবে। সেটাই করার চেষ্টা করেছি।’

সাড়ে ৮ মাসব্যাপী ফুটবল খেলে নানান সময় বিভিন্ন ধরনের কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। সালাউদ্দিন সেই স্মৃতি রোমন্থন করলেন এভাবে, ‘আমাদের এমনও দিন গেছে আধপেটা খেয়ে থাকতে হয়েছে। দেখা গেছে খাবার সংকট। তাই আমরা বেশি সময় ধরে অনুশীলন করে গেছি। যেন একবেলা না খেতে হয়। এমন সময় কেটেছে আমাদের একাধিক দিন। তারপরও আমরা ভেঙে পড়িনি।’

খাবারের পাশাপাশি আবাসন সংকটও ছিল তীব্র। একটা বাসার মধ্যে পুরো দল থেকেছে। সেখানেই রান্না-বান্না। বলতে গেলে দুর্বিষহ জীবন কেটেছে। সালাউদ্দিনের ভাষায়, ‘এক বাসাতে যদি ৩০ জন থাকে, ঘুমায়, বাথরুম একটি, তাহলে বুঝে নিন কতটুকু কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। তারপরও আমরা মুখ বুঝে মেনে নিয়েছি। কারণ তো সেই একটাই— দেশকে যে করেই হোক স্বাধীন করতে হবে।’

একপর্যায়ে দেশ স্বাধীন হলো। যে যার মতো দেশে ফিরে এলো। কলকাতা থেকে তখন অন্যদের মতো অনেক কষ্টে ঢাকায় এসেছিলেন সালাউদ্দিন। ধানমন্ডির বাসায় তখন তাকে দেখে অন্যরা চিনতেই পারেনি! সেই সাড়ে ১৬ বছরের তরুণ সালাউদ্দিন এখন সাফ ও বাফুফের সভাপতি হিসেবে এক যুগের বেশি সময় ধরে আছেন। মাঝে স্বাধীনতার পরে তারকা খেলোয়াড় কিংবা কোচ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। বাংলাদেশের প্রথম সুপারস্টার বললে তার নামই সবার আগে চলে আসে।

তবে সেজন্য স্বাধীন দেশকেই সামনে আনছেন সবার আগে, ‘দেশ স্বাধীন হয়েছে বলেই আমি আজ এই পর্যন্ত এসেছি। তা না হলে তো আসতে পারতাম না।’

 

 

/টিএ/কেআর/

সম্পর্কিত

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

ভয় নয়, জয়ের উৎসব গণিতের

ভয় নয়, জয়ের উৎসব গণিতের

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০২১, ০০:২৫

একটি ট্রফির জন্য দেশের ফুটবলে হাহাকার! সেই ২০০৩ সালে সাফ ফুটবলে ট্রফি জিতেছে বাংলাদেশ, এরপর থেকে ট্রফি যেন ‘সোনার হরিণ’! সাফ কিংবা বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ অথবা হালের নেপালে তিন জাতির ফুটবল প্রতিযোগিতা- কোনোটিতেই ট্রফি ছুঁতে পারেনি লাল-সবুজের সেনানিরা। শুধু কী তাই! স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যাবে হাতে গোনা চারটি সাফল্য ফুটবলে বড় অর্জন হিসেবে সঙ্গী।

স্বাধীনতার আগ থেকেই ফুটবল ছিল ভীষণ জনপ্রিয়। স্বাধীন হওয়ার পর ফুটবলে জনপ্রিয়তা যেন নতুন রূপে মাত্রা পায়। ৭০, ৮০ ও ৯০ দশকের ফুটবল যেন ছিল এই দেশের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। কাজী সালাউদ্দিন থেকে শুরু করে চুন্নু-আসলাম-বাদল রায়সহ তারকার অভাব ছিল না। ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে একেকজন ছিলেন ভাস্বর। সেই সময় বিভিন্ন প্রতিযোগিতা কিংবা আন্তর্জাতিক ম্যাচে ইরান, থাইল্যান্ড কিংবা ভারতের সঙ্গে সমান তালে খেলার চেষ্টা করতো বাংলাদেশ। অনেক সময় সমানে সমান লড়াই হতো। কিন্তু পরিতাপের বিষয় সেই সময় যাদের খেলা দেখতে দর্শকরা মাঠে যেত, ঠিক তারাই কিনা থেকেছেন আন্তর্জাতিক ট্রফিশূন্য! পরবর্তীতে কোচ কিংবা কর্মকর্তা হয়েও অতৃপ্তি ঘোচাতে পারেননি কেউ।

’৮০ দশক থেকে সাফ গেমসের (বর্তমানে এসএ গেমস) পাশাপাশি সাফ ফুটবলের প্রচলন হয়েছে। সাফ তো ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। কিন্তু সে সময় একাধিক প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেললেও ট্রফি জেতা আর হয়নি। এছাড়া বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব খেললেও সাফল্য সেভাবে ধরা দেয়নি।

সেই আফসোস এখনও অনেকের মনে বিদ্যমান। তাদের সেই কষ্ট অবশেষে ঘুচিয়েছেন আরেক কিংবদন্তি প্রয়াত মোনেম মুন্নার নেতৃত্বের দল। ১৯৯৫ সালে মিয়ানমারে প্রথম চার জাতি ফুটবলের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। স্বাধীন বাংলাদেশে ফুটবলে প্রথম কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শিরোপা জয়।

মোনেম মুন্নার নেতৃত্বে একদল বীর সেনানি অসাধারণ খেলে স্বাগিতক মিয়ানমারকে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল। অথচ গ্রুপ পর্বে স্বাগতিক দলটির কাছেই হারতে হয়েছিল!

জার্মান কোচ অটো ফিস্টারের কোচিংয়ে মিয়ানমারে প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবলে ট্রফি জয়ের স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপরের ট্রফিও এসেছে সব বিদেশি কোচের অধীনেই।

এরপর ১৯৯৯ সালে কাঠমান্ডুতে সাফ গেমস ফুটবলে সোনা জিতে সবাইকে চমকে দেন আলফাজ-জুয়েল রানারা। সেখানেও ইরাকি কোচ সামির শাকিরের অবদান।

সেই ধারা অব্যাহত ছিল ২০০৩ সালেও। অস্ট্রিয়ান কোচ জর্জ কোটানের অধীনে প্রথমবারের মতো ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ’ বলে অভিহিত সাফ ফুটবলের শিরোপা জেতে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। ঢাকার মাঠে কনকনে ঠান্ডার মধ্যে স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শকের উপস্থিতিতে সেই ট্রফি জয়ের পর আর সাফ ফুটবলে সাফল্য আসেনি। শুধু ২০১০ সালে এসএ গেমসে ঢাকার মাঠে এমিলি-ওয়ালিরা সোনা জিতেছিল। বর্তমানে জাতীয় দল অনেক সুযোগ-সুবিধা পেলেও সেভাবে সাফল্য আনতে পারছে না। সাফল্যের ঘর শূন্যই রয়ে গেছে। বরং এই সময়ে হারতে হয়েছে ভুটানের কাছে!

জাতীয় দলের পাশাপাশি আমাদের ক্লাব ফুটবলে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী লিমিটেড ও মোহামেডান স্পোর্টিং অন্য মাত্রা যোগ করেছে। এখনও দুই দলের খেলা হলে অনেকেই নস্টালজিক হয়ে পড়েন। যদিও ফুটবলের সেই ক্রেজ আর নেই। মাঠে দর্শক হয় না সেভাবে। তারপরও স্বাধীন বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে দুটি দলের নাম আলাদা করেই লেখা থাকবে। ক্লাব ফুটবলে আবাহনীর পাশাপাশি মোহামেডানও দেশে ও দেশের বাইরে সম্মান কুড়িয়ে এনেছে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালের হাতে গড়া আবাহনী দেশের ফুটবলে অন্যরকম আবহ তৈরি করেছিল। আইরিশ কোচ উইলিয়াম বিল হার্টের অধীনে প্রথম বাংলাদেশের কোনও ক্লাব আধুনিক ফুটবল খেলতে শুরু করে। এরপর ক্লাবটি ধীরে ধীরে সমর্থকদের মনের কোঠায় জায়গা করে নেয়।

৮০’র দশকের শেষ দিকে ভারতে নাগজি কাপে আবাহনী শিরোপা জিতে ঢাকায় এসেছিল। সেটাই দেশের কোনও ক্লাবের বাইরে প্রথম ট্রফি জয়। দর্শকদের উন্মাদনা তখন ছিল দেখার মতো। এছাড়া বিটিসি কাপ, চার্মস কাপ ও বরদুলই ট্রফি জিতে নিজেদের ট্রফির শোকেস সমৃদ্ধ করেছে তারা। সবশেষ এএফসি কাপে জোনাল সেমিফাইনালে খেলে ইতিহাস গড়েছে আকাশি-নীল জার্সিধারিরা।

অন্যদিকে এশিয়ান কাপ উইনার্স কাপের দ্বিতীয় পর্বে গিয়ে মোহামেডানও চমক দেখায়। যদিও এক যুগের বেশি সময় ধরে সাফল্যবিহীন ক্লাবটি এখনও ধুঁকছে।

ফুটবলের অতীত ইতিহাস বেশ রোমাঞ্চকর হলেও বর্তমানে সেই আভা নেই। কাজী সালাউদ্দিনের যুগে বেঁচে থাকার জোর লড়াই চলছে ফুটবলের!

 

/টিএ/কেআর/

সম্পর্কিত

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

আপডেট : ২১ জুন ২০২১, ১০:৫০

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন করছে বলেই রূপকল্প-২০২১ নির্ধারণ করা হয়েছে। সাম্প্রতিককালে আমরা স্বাধীনতার ৫০ বছরকে ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর সঙ্গে যুক্ত করেছি। তাই আমাদের সার্বিক পরিকল্পনাটি ২০২০-২১ সালকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে। সেই সময়কে কেন্দ্র করে আমাদের যাত্রাপথও চিহ্নিত করেছি।

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতের অর্জনের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুয়ায়ী তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে আমাদের বেশ অর্জন রয়েছে। এগুলো নিম্নরূপ:

১. ২০২১ সালের আগেই ডিজিটাল বাংলাদেশ সুষ্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। 

২. থ্রি-জি মোবাইল প্রযুক্তির পর দেশে ফোর-জি মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার বিস্তৃত হয়েছে। মোবাইল প্রযুক্তিকে আরও সুরক্ষিত করতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে (আঙুলের ছাপ) সিম নিবন্ধিত হয়েছে। শিগগিরই এনইআইআর (ন্যাশনাল ইকুইপেমন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার) চালু করে সিম ও মোবাইল সেট ব্যবস্থাপনা পূর্ণাঙ্গভাবে ডিজিটাল করা হচ্ছে। 

৩. পাঁচ হাজার ৭৩৭টি ডিজিটাল সেন্টার এবং ৮ হাজার ২০০ ডিজিটাল ডাকঘরের মাধ্যমে জনগণকে ছয়শ’র বেশি ধরনের ডিজিটাল সেবা প্রদান করা হচ্ছে। 

৪. ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ফাইবার অপটিক ক্যাবল সম্প্রসারণ করা হয়েছে। 

৫. প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল, হাওর, বিল, চর, পাহাড়ি, উপকূলীয় ও দ্বীপ এলাকায় মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হচ্ছে।

৬. দেশে ১৭ কোটির ওপরে মোবাইল সিম ব্যবহার করা হচ্ছে।  ইন্টারনেট গ্রাহক ১১ কোটিতে পৌঁছেছে।

৭. ২৫ হাজার ওয়েবসাইট নিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম ওয়েব পোর্টাল ‘তথ্য বাতায়ন’ চালু করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত ও পুরস্কৃত হয়েছে।

৮. সারাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের পাশাপাশি স্মার্টকার্ড প্রদান করা হয়েছে। 

৯. মেশিনরিডেবল পাসপোর্ট চালু করা হয়েছে। এরপর ই-পাসপোর্ট চালু হয়েছে। 

১০. ডিজিটাল অপরাধ দমনে ও ডিজিটাল নিরাপত্তাবিধানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ প্রণয়ন করা হয়েছে। এটির প্রয়োগও করা হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি স্থাপিত হয়েছে। সিটিডিআর চালু হয়েছে। সার্ট চালু হয়েছে। ফরেনসিক ল্যাব চালু হয়েছে। 

১১. মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রবেশ করেছে মহাকাশ বিজ্ঞানের যুগে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ উৎক্ষেপণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। 

১২. লার্নিং আর্নিং, শি পাওয়ার, হাইটেক পার্ক, বিসিসি, বিআইটিএম, এলআইসিটি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় প্রশিক্ষণ দিয়ে লাখ লাখ তরুণকে ডিজিটাল যুগের উপযোগী মানবসম্পদে পরিণত করা হয়েছে ও কর্মসংস্থান করা হয়েছে। 

১৩. তথ্যপ্রযুক্তি খাতে মাত্র ২৬ লাখ ডলারের রফতানি এখন এক বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। ডিজিটাল শিল্প খাতকে কর সহায়তা ও নগদ সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

১৪. দেশে ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন ও রফতানি শুরু হয়েছে। মোবাইল ফোনের বাজারের শতকরা ৮২ ভাগ দেশে উৎপাদিত হয়। মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ রফতানি হয়।

১৫. ডিজিটাল-কমার্স নীতিমালা-২০১৮, জাতীয় তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালা-২০১৮ ও জাতীয় টেলিকম নীতিমালা-২০১৮ প্রণীত হয়েছে। মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি গাইডলাইন, সিগনিফিকেন্ট মার্কেট প্লেয়ার গাইডলাইন, ইনফ্রাস্ট্রাকচার গাইডলাইন, কোয়ালিটি অব সার্ভিস গাইডলাইন, আইএসপিএবি গাইডলাইন প্রণীত হয়েছে। টাওয়ার শেয়ারিং লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এ অনুসারে টাওয়ার তৈরি শুরু হয়েছে। 

১৬. ফোর টায়ার ডাটা সেন্টার চালু হয়েছে। 

১৭. সি-মি-উই-৬ এর সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। প্রকল্পটিও অনুমোদিত হয়েছে। ২০২৪ সালে এটি চালু হবে। 

১৮. ডিজিটাল শিল্প যুগের ৫টি প্রযুক্তির কৌশলপত্র প্রণীত হয়েছে।

১৯. দেশে ৫৮৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াইফাই জোন চালু করা হয়েছে। আরও ১২ হাজার ফ্রি ওয়াইফাই জোন চালু হচ্ছে।

২০. ব্যান্ডউইথের দাম ২৮ হাজার টাকা থেকে ২৮৫ টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। 

২১. ই-নথিতে সরকার ডিজিটাল পরিচালনার অসাধারণ সক্ষমতা অর্জন করেছে।

বস্তুত এ অর্জনের ছোট বড় ঘটনাগুলো ছোট করে তুলে ধরতেও অনেক লম্বা সময় লেগে যাবে। প্রতি মুহূর্তে সেই তালিকাও দীর্ঘ হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

কেমন ছিল মুক্তিযুদ্ধের সেই দিনগুলো

কেমন ছিল মুক্তিযুদ্ধের সেই দিনগুলো

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২১, ২০:২৭

‘মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে’ বলে মনে করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে বা আমাদের কাছ থেকে ছিনতাই করে নেওয়া হয়েছে। বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সামরিক সরকার আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নকে ছারখার করে দিয়েছে।’

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর উপলক্ষে বাংলা ট্রিবিউনকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় মুজাহিদুল ইসলাম এসব কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘সরকার সুবর্ণজয়ন্তীর উৎসব করতে দিচ্ছে না, পারমিশনও দিচ্ছে না।’

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ত্রিশ লাখ শহীদের সঙ্গে অবমাননা করা হয়েছে।’

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘আমি ৫০ বছরের কথা ভাবি না, আমি মনে করি এখনই আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ফেরত যেতে হবে।’

সেলিম বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ চাই আমরা। এটা আওয়ামী লীগ-বিএনপি দিয়ে হবে না। এরা লুটেরা, ধনিক শ্রেণির দল হয়ে গেছে। এর বাইরে যারা সমাজতন্ত্রমুখী চিন্তা করে, বামপন্থী দল তাদের নেতৃত্বে সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেটাই আমাদের কাজ।’

/এসটিএস/এমআর/

সম্পর্কিত

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

সর্বশেষ

স্ত্রীকে অপহরণের অভিযোগে সেনাসদস্য গ্রেফতার

স্ত্রীকে অপহরণের অভিযোগে সেনাসদস্য গ্রেফতার

বঙ্গোপসাগরে বিকল সেন্টমার্টিনগামী যাত্রীবাহী ট্রলার

বঙ্গোপসাগরে বিকল সেন্টমার্টিনগামী যাত্রীবাহী ট্রলার

আগের দিন থেকেই উত্তেজনায় কাঁপছিলেন নাসুম

আগের দিন থেকেই উত্তেজনায় কাঁপছিলেন নাসুম

তবুও পা মাটিতেই রাখছেন মাহমুদউল্লাহরা

তবুও পা মাটিতেই রাখছেন মাহমুদউল্লাহরা

কলকাতা পৌরসভায় নিরঙ্কুশ জয়ের পথে তৃণমূল!

কলকাতা পৌরসভায় নিরঙ্কুশ জয়ের পথে তৃণমূল!

৩ লাখ ২২ হাজার টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

৩ লাখ ২২ হাজার টিকা দেওয়া হয়েছে আজ

ইরাকের লুট হওয়া ১৭ হাজার শিল্পকর্ম ফিরিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরাকের লুট হওয়া ১৭ হাজার শিল্পকর্ম ফিরিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

৭ গোলের ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনীর জয়

৭ গোলের ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনীর জয়

করোনার টিকা ছাড়াই সুই পুশ, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক বরখাস্ত

করোনার টিকা ছাড়াই সুই পুশ, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক বরখাস্ত

অবশেষে অস্ট্রেলিয়া-বধ

অবশেষে অস্ট্রেলিয়া-বধ

দিল্লিতে দলিত শিশুকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা, পুরোহিত গ্রেফতার

দিল্লিতে দলিত শিশুকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা, পুরোহিত গ্রেফতার

কুমিল্লায় একদিনে সর্বোচ্চ ১১৯০ জনের করোনা শনাক্ত

কুমিল্লায় একদিনে সর্বোচ্চ ১১৯০ জনের করোনা শনাক্ত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

৫০ বছরেও ভাগ্য বদলায়নি বীর মুক্তিযোদ্ধার

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ৫০ দেশ ঘুরবে ‘সুবর্ণযাত্রা’

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ৫০ দেশ ঘুরবে ‘সুবর্ণযাত্রা’

উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তির পুনরুত্থান

উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তির পুনরুত্থান

‘ছাত্র রাজনীতিকে আমি সহশিক্ষা বলব’

‘ছাত্র রাজনীতিকে আমি সহশিক্ষা বলব’

এখন ‘সহমত ভাই’ চর্চা চলে

এখন ‘সহমত ভাই’ চর্চা চলে

© 2021 Bangla Tribune