X
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

ডিজিটাল উপকূল- ১

উপকূলের আঁধার কাটালো সৌরবাতি

আপডেট : ২১ মে ২০২১, ১৭:৩০

একসময় উপকূলীয় জনপদ মানেই ছিল সন্ধ্যার পর ঘুঁটঘুঁটে আঁধার। দুর্গম চর আর গ্রামের মেঠোপথ ছিল পথচারীর আতঙ্ক। গ্রামের হাট থেকে বাড়ি ফিরতে হতো দলবেঁধে। টর্চলাইট আর হারিকেনই ছিল যাত্রাপথের ভরসা। সেদিন ফুরিয়েছে। এখন টর্চলাইট-হারিকেন দেখাই যায় না। উপকূলীয় জনপদে এখন জ্বলছে স্ট্রিট লাইট। সৌর বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত প্রতিটি গ্রাম। সন্ধ্যা নামলেও সড়ক, হাট-বাজার ও মেঠোপথ থাকে আলোয় আলোয় ভরা।

ভোলার জনপদ চরফ্যাশন। সৌর বিদ্যুতের আলো এখানকার প্রতিটি জনপদে। গ্যাসচালিত বিদ্যুতের ওপর চাপ কমাতে উপজেলার হাট-বাজারসহ রাস্তার পাশে স্থাপন করা হয়েছে এলইডি স্ট্রিট লাইট। সন্ধ্যা নামতেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বলে উঠছে বাতি। লোডশেডিংয়ের ঝামেলা নেই। বাতিগুলো আলো দেয় সারা রাত। এতে কমেছে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ।

জানা যায়, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচি টিআর ও কাবিটার আওতায় উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও সড়কে সৌর বিদ্যুতের সড়কবাতি স্থাপন করা হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১ম ও ২য় পর্যায়ে ২১টি ইউনিয়নে এক হাজার ৪৮৩টি সড়কবাতি স্থাপন করা হয়।

একই প্রকল্পে বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, স্কুল, কলেজসহ দুস্থ পরিবারে এক হাজার ৮০৩টি সোলার হোম সিস্টেম লাগানো হয়েছে। ব্যয় হয়েছে ১৬ কোটি ৭৮ লাখ ৪ হাজার ৬৬০ টাকা। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্র জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আরও সোলার বাতি বসানোর স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার’ যেন বাস্তব রূপ পেয়েছে চরফ্যাশনে।

সরেজমিন দেখা গেলো, উপজেলার দ্বীপচর কুকরি-মুকরির দক্ষিণে মনুরা বাজারে যাওয়ার পথে মনির হোসেনের দোকানের সামনে আলো ছড়াচ্ছে সড়কবাতি। আমিনপুরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের আশপাশের রাস্তাতেও সন্ধ্যার পর ঝকঝকে আলো। এ ছাড়া উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও লাগানো হয়েছে স্বয়ংক্রিয় সৌরবাতি।

্শর রিফপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, ‘এত দূরের মানুষ যে এই সুবিধা পাবে কল্পনাও করিনি। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এখন কমেছে। আগে অন্ধকার রাস্তায় হাঁটাচলা করতে ভয় পেতাম। এখন মনে হয় শহরেই থাকি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সৌরবাতি বসানোর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন। এখন রাতেও মানুষ নিরাপদে চলাচল করছে।’

উপকূলের আরেক দুর্গম দ্বীপ হাতিয়া। ছোট-বড় ১৯টি দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত এ উপজেলার আয়তন পনেরশ’ আট বর্গকিলোমিটার। দ্বীপের মূল ভূখণ্ড নলচিরা ঘাট থেকে উপজেলা সদর হয়ে নিঝুমদ্বীপ খেয়াঘাট পর্যন্ত প্রায় ৫০ বর্গ কিলোমিটার সড়ক। কয়েকদিন আগেও সড়কটি ছিল দুর্গম। সূর্যাস্তের সঙ্গেই বাজারগুলো জনশূন্য হয়ে পড়তো। সেই চিরচেনা চিত্র আর নেই। গ্রামের বাজার এখন খোলা থাকে রাত ১২টা পর্যন্ত। সৌরবিদ্যুতের কারণেই তা সম্ভব হয়েছে।

হাতিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান মাহবুব মোরশেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘একসময় সন্ধ্যা নামলে হাতিয়ার মানুষ ভয়ে বাজারে যেতো না। চিত্র পাল্টেছে। সড়ক ও হাটবাজারে অসংখ্য বাতি বসিয়েছি। এখানকার অর্থনীতির চাকা এখন আগের চেয়ে সচল।’

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার সদর ওছখালী থেকে শুরু করে দুর্গম গ্রাম ও আশপাশের চরগুলোতেও সন্ধ্যায় আলো থাকে। গ্রামের অনেকে ওই আলোতে সন্ধ্যার পর আড্ডাও দেন। কেউ কেউ বসিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ দোকানপাট। বিচ্ছিন্ন এ দ্বীপের মানুষ গ্রিডের বিদ্যুতের আওতায় না আসলেও সৌর প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পাচ্ছেন অনেকে। বয়ারচর, নলেচর, ক্যারিংচর, ঢালচর, চরকিং, চরঈশ্বর, তমরুদ্দিন, চরচেঙ্গা, বুড়িরচর, জাহাজমারা ও নিঝুমদ্বীপসহ প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের ঘরেও দেখা গেছে সোলার প্যানেল।

একই চিত্র দেখা গেছে কক্সবাজারের মহেশখালীতেও। এ দ্বীপের বিভিন্ন সড়ক মোড়ে শোভা পাচ্ছে সৌরবাতি। রাতের বেলায় বাজার জমজমাট। মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘সোলার প্যানেলের মাধ্যমে দ্বীপবাসী এখন মোবাইলে চার্জও দিতে পারছে। চলছে টেলিভিশন ও ফ্রিজ।’

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি জনপ্রিয় করার নেপথ্যে থাকা অন্যতম ব্যক্তি দীপাল চন্দ্র বড়ুয়া। ব্রাইট গ্রিন এনার্জি ফাউন্ডেশন বা বিজিইএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান দীপাল বড়ুয়া বর্তমানে বাংলাদেশ সোলার অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন বা বিএসআরইএ-র সভাপতি। এ ছাড়া সম্প্রতি তিনি ‘গ্লোবাল হান্ড্রেড পারসেন্ট রিনিউয়েবল এনার্জি'র অ্যাম্বাসেডরও নিযুক্ত হয়েছেন।

দীপাল চন্দ্র বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সৌরবিদ্যুতের দাম দিন দিন কমছে। সরকার গণমানুষের মাঝে এটি বিক্রির অনুমতি দেওয়ায় এর সুফল এখন প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছেছে।’

দীপাল চন্দ্র বড়ুয়া আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রায় ৫৫ লাখেরও বেশি সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। সেই হিসাবে এটি বিশ্বের বৃহত্তম সোলার প্রোগ্রাম। এরমধ্যে গ্রামীণ অঞ্চলে দুই লাখের বেশি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। আরও ১০ লাখ সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়াও প্রায় ২ হাজার ১০০টি সৌর সেচ পাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের দুর্গম চর, উপকূলীয় ও পার্বত্য এলাকায় সোলার হোম সিস্টেমের সঙ্গে সৌর সেচ পাম্প, সৌর মিনি-গ্রিড, সোলার আর্সেনিক ট্রিটমেন্ট প্রকল্প, সোলার স্ট্রিট লাইট, বিভিন্ন বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এই নবায়নযোগ্য শক্তির কারণে কমেছে ফসিল তেল তথা কেরোসিনের ব্যবহার। কমেছে জ্বালানি কাঠের ব্যবহারও।’

/এফএএন/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ডিএমপিতে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন বর্তমান কমিশনার

ডিএমপিতে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন বর্তমান কমিশনার

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

ডিএমপিতে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন বর্তমান কমিশনার

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৫৪

এক বছরের জন্য চুক্তিভত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন বর্তমান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. অলিউর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এর ধারা ৪৯ অনুযায়ী বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা মোহা. শফিকুল ইসলামকে তার অবসর-উত্তর ছুটি ও তদসংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিতের শর্তে আগামী ৩০ অক্টোবর অথবা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।

উল্লেখ্য, আগামীকাল (২৯ অক্টোবর) চাকরি মেয়াদ শেষ হওয়ায় অবসরে যাওয়ার কথা ছিল ডিএমপি কমিশনারের। কয়েক দিন আগে তার অবসরে যাওয়ার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছিল। অবশ্য এর আগে থেকেই ডিএমপি কমিশনার হিসেবে তিনি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে পারেন বলে গুঞ্জন চলছিল।

 

/এনএল/আইএ/

সম্পর্কিত

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

সেগুনবাগিচায় আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

সেগুনবাগিচায় আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই: হাইকোর্ট

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৪৫

সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাওয়া রিটের শুনানিতে বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

শুনানির শুরুতে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন আদালতকে বলেন, ‘এই রিট আবেদনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় রাষ্ট্রের ব্যর্থতা ও স্থানীয় প্রশাসনকে সরাসরি দায়ী করা হয়েছে। আমরা আবেদন থেকে এই শব্দগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানাই। কারণ, হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র বসে নেই। কুমিল্লা, রংপুরে অনেক দুর্বৃত্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যথাযথ পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।’

তখন আদালত বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ, বাসস্থান ও উপাসনালয়ে হামলার ঘটনায় পুলিশ অ্যাকশন নিয়েছে, মামলা হয়েছে, অনেকে গ্রেফতার হয়েছেন। এ অবস্থায় আমরা কি রাষ্ট্রকে দায়ী করতে পারি?’

এরপর আদালত রিটকারী আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়াকে আবেদন সংশোধন করতে বলেন এবং আদেশের সময় নির্ধারণ করেন।

এর আগে ২১ অক্টোবর দেশজুড়ে হিন্দু সম্প্রদায় ও তাদের বাসস্থান এবং উপাসনালয়ে হামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে রিটে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ প্রদান, হিন্দু সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ দোষী কর্মকর্তাদের আদালতের হাজিরার নির্দেশনা চাওয়া হয়। এছাড়াও রিটে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে এমন সব ধরনের পোস্ট এবং ভিডিও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে অপসারণের নির্দেশনা চাওয়া হয়। 

সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার সাহা ও স্নেহালতা সাহা এ রিট দায়ের করেন।

রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব, তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব, পুলিশের আইজি, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, রংপুর ও ফেনীর ডিসি-এসপিসহ ১৯ জনকে বিবাদী করা হয়।

রিট আবেদনে সাম্প্রদায়িক হামলা সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়।

 

/বিআই/আইএ/

সম্পর্কিত

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

ফিলিস্তিনে এক হাজার হাফেজকে সম্মাননা

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৪:২০

ফিলিস্তিনের বেসরকারি একটি ধর্মীয় সংস্থা দেশটির অন্তত এক হাজার হাফেজে কোরআনকে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (২৭ অক্টোবর) গাজায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে হাফেজদের বিশেষ এ সম্মাননা দেওয়া হয়। খবর আনাদুলু এজেন্সির।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাটির বিস্তারিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের শুরুতে ফিলিস্তিনের ‘দারুল কোরআনুল কারিম ওয়াস সুন্নাহ’ নামের বেসরকারি একটি সংস্থা পবিত্র কোরআনুল কারিম মুখস্থ বিষয়ক একটি ক্যাম্প ঘোষণা করে। ক্যাম্পের অধীনে ছোট-বড়, নারী-পুরুষ মিলিয়ে অন্তত এক হাজার ফিলিস্তিনি পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চে ফিলিস্তিনের জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক কেফিয়াহ (সাদার মধ্যে কালো ডোরাকাটা রুমাল) পরিহিত হয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন তারা। অধিবেশনের ফাঁকে ফাঁকে সুরেলা তিলাওয়াত ও আরবি নাশিদ গোটা অনুষ্ঠানস্থলটিকে মোহময় করে তোলে।

‘দারুল কোরআনুল কারিম ওয়াস সুন্নাহ’-এর গাজা উপত্যকার আঞ্চলিক প্রধান আব্দুর রহমান জামাল বলেন, ‘আমরা নিয়মিতভাবে হাফেজে কোরআন—যারা মূলত আল্লাহর পরিবারভুক্ত, তাদের নিয়ে এমন অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকি। আপনারা আজ যা দেখছেন, দুনিয়ায় তা হাফেজদের জন্য একটি সম্মান। তবে আল্লাহর কাছে তাদের জন্য এরচেয়ে উত্তম ও স্থায়ী সম্মান অপেক্ষা করছে।’

এই ক্যাম্পে অংশ নিয়ে হিফজ সম্পন্নকারী মুফতি আব্দুর রহমান মুরতাজা অনুভূতি জানিয়ে বলেন, ‘দারুল কোরআনের এ ক্যাম্পে ভর্তি হওয়ায় আল্লাহ আমাদের বেশ সম্মানিত করেছেন। গত কয়েকটি মাস আমরা কোরআনের খুব কাছাকাছি কাটিয়েছি। মুখস্থ করার পাশাপাশি বেশকিছু আয়াতের অর্থও উপলব্ধি করতে পেরেছি।’

‘দারুল কোরআনুল কারিম ওয়াস সুন্নাহ’ হচ্ছে একটি উন্নয়ন সংস্থা। ১৯৯২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। কোরআনের বহুমুখী পাঠের উন্নয়নে এটি কাজ করে। সংস্থাটির প্রধান বেলাল ইমাদ জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে তাদের সংস্থার উদ্যোগে এ পর্যন্ত অন্তত ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি হাফেজ হয়েছে।

 

সূত্র: আনাদুলু এজেন্সি

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:১০

অ্যাপসে রাইড শেয়ারিং না করে চুক্তি ভিত্তিক যাত্রী পরিবহন করলে সংশ্লিষ্ট চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। একইসঙ্গে রাইড শেয়ারিং সেবার নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট ভাড়ার বেশি নিলে রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান ও চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিআরটিএ’র এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী মোটরযান মালিক, মোটরযান চালক এবং রাইড শেয়ারিং সেবাগ্রহণকারীদের অবহিত করা যাচ্ছে যে, অ্যাপস ভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা প্রদান এবং গ্রহণের জন্য সরকার কর্তৃক রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা-২০১৭ প্রবর্তন করা হয়েছে। এ নীতিমালা অনুযায়ী বিআরটিএ থেকে রাইড শেয়ারিং এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট গ্রহণ করে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদান ও গ্রহণ এবং সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ভাড়া আদায় করার শর্ত রয়েছে।

এতে বলা হয়, কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে, কতিপয় মোটরযান চালক এ নীতিমালার শর্ত পালন করছেন না। শর্ত পালন না করে চুক্তিভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা প্রদান ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে, যা রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার পরিপন্থী। অ্যাপস ছাড়া চুক্তির ভিত্তিতে রাইড শেয়ারিং সেবা গ্রহণ না করার জন্য সেবাগ্রহণকারীদের অনুরোধ করা যাচ্ছে। এ অবস্থায় রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার বিধান অমান্য করে চুক্তিভিত্তিক মোটরযান পরিচালনাসহ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে সংশ্লিষ্ট রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, মোটরযান মালিক, মোটরযান চালক এবং সেবাগ্রহণকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চুক্তিভিত্তিক যাত্রী পরিবহন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সংক্রান্ত যেকোনও অভিযোগ সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং), রাইড শেয়ারিং শাখা, বিআরটিএ, সদর কার্যালয়, বনানী, ঢাকা-১২১২, মোবাইল নম্বর: ০১৭১৪৫৫৬৫৭০, ফোন নম্বর: ০২-৫৫০৪০৭৪৫, ইমেইল: [email protected] বরাবর দাখিল করার অনুরোধ করা যাচ্ছে।

 

/এসএস/আইএ/

সম্পর্কিত

ডিএমপিতে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন বর্তমান কমিশনার

ডিএমপিতে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন বর্তমান কমিশনার

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই: হাইকোর্ট

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই: হাইকোর্ট

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০০

মাদক হিসেবে দেশে ইয়াবার পরেই চাহিদা ফেনসিডিলের। তথ্য বলছে, এই চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। আর এই ‘সুযোগ’কে কাজে লাগিয়ে ভারতের সীমান্ত এলাকায় গড়ে ‍উঠেছে অবৈধ ল্যাব ও কারখানা। আর নাম পাল্টিয়ে অন্য পরিচয়ে দেশে ঢুকছে মাদকটি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে অন্তত পাঁচটি নতুন নামে ফেনসিডিল (কোডিন) প্রবেশে করছে। ফেনসিডিল নামটি বেশি পরিচিত হওয়ায় মাদক চোরকারবারিরা বিভিন্ন নামে সিরাপ তৈরি করে সেগুলো বাংলাদেশে পাচার করছে। এ বিষয়ে দ্রুত ভারতকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) দিনব্যাপী বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও ভারতের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর মহাপরিচালক পর্যায়ে সপ্তম দ্বিপাক্ষিক সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভারতকে বিভিন্ন তথ্য প্রমাণসহ এবারের সম্মেলনে মাদকের অনেক বিষয়ে জানানো হয়েছে। আমরা তাদের বলেছি, ভারত থেকে প্রতিনিয়ত ফেনসিডিল আসছে। কোরেক্স, এস্কাফ, এমকে ডিল (কোডিন ফসফেট) এবং কোডোকফ নামে ফেনসিডিল জাতীয় এই মাদক আসছে। প্লাস্টিক ও কাচের বোতলে এসব মাদক পাচার করা হয়।’

বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম ও উত্তর দিকের সীমান্ত এলাকা দিয়ে এই ফেনসিডিল চোরকারবারিরা পাচার করে। বোতল ছাড়াও পলিথিন, ড্রামে করেও কোডিন দেশে আনা হয়। চোরাচালানের মাধ্যমে আনা এই মাদক দেশে এনে বোতলজাত করেও একটি চক্র মাদকসেবীদের হাতে তুলে দেয়।

ভারতের সীমান্ত এলাকায় এ রকম কিছু কারখানা আছে, যেখানে ফেনসিডিল উৎপাদনের প্রধান উপাদান কোডিন মজুত ও ফেনসিডিল জাতীয় মাদক তৈরি করে বাংলাদেশে পাচার করা হয়। এসব অবৈধ কারখানা ধ্বংস করার জন্য ভারতকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

বাড়ছে হেরোইন পাচার

ভারতে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোকে বাংলাদেশ জানিয়েছে, সাম্প্রতি ভারত--বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে হেরোইন পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে।  উদ্ধার হওয়া হেরোইন চালন তাই নির্দেশ করে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়াও ভারত থেকে বিভিন্ন ইনজেকশন প্রবেশ করছে। জয়পুরহাট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে এসব ইনজেকশন পাচার করা হয়।

নতুন রুটে গাঁজা পাচার

গাঁজা পাচারের জন্য চোরাকারবারিরা নতুন নতুন রুট সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে দেশের উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সীমান্ত দিয়ে গাঁজা পাচার করা হচ্ছে।

ইয়াবা পাচারে ভারতের রুটও ব্যবহার করা হয়

ভারতে যেসব ইয়াবা মাঝেমাঝে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধরে, তা মিয়ানমার থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়। ভারতের ত্রিপুরা, আসাম ও পশ্চিম বাংলার রুট ব্যবহার করে বাংলাদেশে এসব ইয়াবা প্রবেশের চেষ্টা করে মাদক কারবারিরা। ভারতকে এ বিষয়ে আরও তৎপর হয়ে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।

মাদকের কেনাবেচা ভার্চুয়াল মুদ্রায়

বর্তমানে মাদক চোরাকরবারিরা মাদক পাচার ও কেনাবেচায় তাদের ধরণ পরিবর্তন করেছে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ দাবি করেছে, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ভুয়া ব্যক্তির ঠিকানায় মাদক পাচার হচ্ছে। এসব মাদক কেনাবেচার ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল মুদ্রা ব্যবহার করছে চোরকারবারিরা। যা দুই দেশেই অবৈধ মুদ্রা। এতে অর্থপাচার হচ্ছে। এ বিষয়টি নিয়ে দুই দেশই একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এছাড়াও হুন্ডির মাধ্যমেও তারা মাদকের টাকা পাচার করে।

মাদক প্রতিরোধে ত্রিপক্ষীয় সভা চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কোন মাদকের উৎপাদন করে না, তারপরও বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ভুক্তোভোগী। মিয়ানমার থেকে যেমন ইয়াবা ও আইস আসে, তেমনি ভারত থেকে আসে ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইন, ইনজেকশনসহ বিভিন্ন মাদক। তাই এ বিষয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ত্রিপক্ষীয় সভার প্রয়োজনের কথা বাংলাদেশ ভারতকে বলেছে। বাংলাদেশে পক্ষ থেকে ভারতেকে বলা হয়েছে, ‘সুশাসন ও নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে ত্রিপক্ষীক সভা করলে অনেক কিছুরই সমাধান হবে।’

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক আব্দুস সবুর মণ্ডল বলেন, ‘আমরা ষষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সভায় ভারতকে কিছু বিষয়ে তথ্য দিয়েছিলাম, কিছু ফেনসিডিল উৎপাদনকারীর নাম ঠিকানা দিয়েছিলাম, সেগুলো ভারত ধ্বংস করেছে। আমরা আবারও কিছু বিষয়ে তাদের জানিয়েছি, দুই দেশই ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ জন্য তথ্য আদান-প্রদান, অভিজ্ঞতা শেয়ার, নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় একমত হয়েছি।’

 

/ইউএস/আইএ/

সম্পর্কিত

ডিএমপিতে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন বর্তমান কমিশনার

ডিএমপিতে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন বর্তমান কমিশনার

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই: হাইকোর্ট

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই: হাইকোর্ট

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ডিএমপিতে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন বর্তমান কমিশনার

ডিএমপিতে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন বর্তমান কমিশনার

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

‘একাত্তরের মতো আগামী দিনেও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাজিত করবো’

‘একাত্তরের মতো আগামী দিনেও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাজিত করবো’

ইউনিফর্ম পরা দেখলেই ডিবি বা র‌্যাব মনে করবেন না: হারুন

ইউনিফর্ম পরা দেখলেই ডিবি বা র‌্যাব মনে করবেন না: হারুন

গুলশানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

গুলশানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

বাসেত মজুমদারের মৃত্যু আইন অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি: রাষ্ট্রপতি

বাসেত মজুমদারের মৃত্যু আইন অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি: রাষ্ট্রপতি

গুলশানে আবাসিক ভবনে আগুন

গুলশানে আবাসিক ভবনে আগুন

সর্বশেষ

‘গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কাজে ঘাটতি আছে’

‘গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কাজে ঘাটতি আছে’

‘চিকিৎসকরা মতামত দিলে রওশন এরশাদকে বিদেশে নেওয়া হবে’

‘চিকিৎসকরা মতামত দিলে রওশন এরশাদকে বিদেশে নেওয়া হবে’

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন নেওয়ার নির্দেশনা

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন নেওয়ার নির্দেশনা

ডিএমপিতে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন বর্তমান কমিশনার

ডিএমপিতে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন বর্তমান কমিশনার

কালো ঝলমলে

কালো ঝলমলে

© 2021 Bangla Tribune