X
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

জাতির পিতার পরিবারের সদস্যরা পাবেন এসএসএফের নিরাপত্তা

আপডেট : ১৭ মে ২০২১, ১৬:১২

মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই আইনের কারণে বিশেষ বাহিনীর নিরাপত্তা পাবেন জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা। ক্ষমতায় না থাকলেও শেখ হাসিনাসহ বঙ্গবন্ধুর পরিবারের অন্য সদস্যরা এই নিরাপত্তার সুবিধা পাবেন।

সোমবার (১৭ মে) মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক শেষে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব আনোয়ারুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ৮৬ সালের এক অধ্যাদেশ অনুযায়ী এসএসএফ পরিচালিত হতো। তবে সামরিক সরকারের অধ্যাদেশ আইনে পরিবর্তন করার জন্য আদালতের রায় রয়েছে। সেই রায় বাস্তবায়ন করতে গিয়ে এটিকে আইনে পরিবর্তন করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই আইনে নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি বিদেশি গুরুত্বপূর্ণ মেহমানদের দৈহিক নিরাপত্তা দেবে এসএসএফ। এর বাইরে জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদেরও দৈহিক নিরাপত্তা দেবে এই বিশেষ বাহিনী।

মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৬৩ ডলার

তিনি জানান, জাতির পিতার পরিবারের সদস্য হিসেবে তার দুই মেয়ে, তাদের সন্তান ও তাদের সন্তানরা বিশেষ বাহিনীর এ নিরাপত্তা সুবিধা পাবেন।

এ সময় সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা আইন রয়েছে, এরপরেও আলাদাভাবে এই সুবিধা কেন?

জবাবে সচিব বলেন, ওটি আলাদা একটি আইন। সেই আইনের সঙ্গে এই আইনের সম্পর্ক নেই। এসএসএফ আইনে জাতির পিতার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তা সুবিধা পাবেন।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি বৈঠকে যুক্ত হন। অন্যদিকে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা সচিবালয় থেকে যুক্ত হন।

 

/এসআই/টিটি/

সম্পর্কিত

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪০

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতিসংঘ সদর দফতরের উত্তরের লনের বাগানে একটি বৃক্ষরোপণ এবং একটি বেঞ্চ উৎসর্গ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
 
এ সময় রোপণকৃত এই বৃক্ষটা শতবর্ষের ওপর টিকে থাকবে এবং শান্তির বারতাই বয়ে বেড়াবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতির পিতা সবসময় শান্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন। দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই ছিল তার এই সংগ্রাম। সেখানে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের কথাও যেমন তিনি ভেবেছেন তেমন সারাবিশ্বের ক্ষুধা ও দারিদ্র জর্জরিত, শোষিত-বঞ্চিত মানুষের কথাও তিনি বলেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সকলের সাথে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়- এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য। কারণ এতে করেই শান্তি আসবে এবং শান্তির সন্ধানেই তিনি ছিলেন। শান্তির জন্যই তিনি সংগ্রাম করেছেন। আর শান্তি ছাড়া কখনও কোনও দেশের উন্নতি হয় না। এটা আমরা খুব ভালো বুঝি যে একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই উন্নতি হওয়া সম্ভব।

তিনি বলেন, আজ এখানে একটি বৃক্ষরোপণ করা হলো, যে সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশকে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দেয় (১৭ সেপ্টেম্বর) এবং তাঁর পরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে আসেন এবং এখানে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন (২৫ সেপ্টেম্বর)। কাজেই সেই মাসে  জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উত্তরের লনে বাগানে বৃক্ষরোপন করা হলো এবং একটি বেঞ্চ উৎসর্গ করা হলো। এই বৃক্ষটাও শতবর্ষের ওপর টিকে থাকবে এবং শান্তির বারতাই বয়ে বেড়াবে।

বৃক্ষ যেমন পরিবেশ রক্ষা করে তেমনি মানুষকে খাদ্য ও ছায়া দেয় উল্লেখ করে আয়োজনের জন্য জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ প্রবাসী বাংলাদেশীদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মাদ শাহরিয়ার আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী সকালে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের অংশগ্রহণে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। তিনি রবিবার জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগদান করতে ফিনল্যান্ডের হেলসিংকি হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পৌঁছেন। খবর বাসস

/ইউএস/

সম্পর্কিত

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

করোনায় মৃত্যু: ২৬ জনের ১৫ জনই নারী

করোনায় মৃত্যু: ২৬ জনের ১৫ জনই নারী

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত শক্তিশালী: হাছান মাহমুদ

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত শক্তিশালী: হাছান মাহমুদ

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২১ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।)

স্বাধীনতার দুই বছর পর ১৯৭৩ সালে ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে মুক্ত করার জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো নতুন কৌশল নেন। ভুট্টো এদিন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বলেন, ‘বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীকে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত পাকিস্তান জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে যাবে।’ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার শরণ সিং এ ব্যাপারে বলেন, ‘১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীর প্রশ্ন নিয়ে আবারও লাফালাফি করার কোনও কারণ নেই। কেননা, আগস্ট মাসে এ ব্যাপারে দিল্লিতে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে। সুতরাং, এ প্রশ্নটি নিয়ে ভুট্টো আবারও উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করছেন।’ তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দি আর কাশ্মির প্রশ্ন তুলে দিল্লি চুক্তির ওপর আঘাত হানছেন।’

শরণ সিং বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে নিশ্চিত যে, পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের স্বার্থেই অন্য কোনও পথে পা বাড়াবে না।’ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীকে দীর্ঘদিন আটক রাখা পাকিস্তানে কোন্দল সৃষ্টি করবে।’ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কাগজপত্র ছিঁড়ে ফেলে অভিমানে বেরিয়ে যাবার পর সাধারণ পরিষদে এটাই ছিল ভুট্টোর প্রথম বক্তৃতা।

দৈনিক ইত্তেফাক, ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিষয়ে পাকিস্তানের বক্তব্য

তিন দিনব্যাপী ওয়াশিংটন সফর শেষে এদিন (২১ সেপ্টেম্বর) সাধারণ পরিষদে বক্তৃতা করেন ভুট্টো। বক্তৃতায় তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে তার দেশের সম্পর্ক উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতা আজকের নয়। ২০ বছর ধরে তাদের মধ্যে গাঁটছড়া বাঁধা।’ কখনও তাদের মধ্যে মনকষাকষি হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভুট্টো সাধারণ পরিষদে বক্তৃতাকালে তথাকথিত জম্মু-কাশ্মির প্রশ্ন তুলেছেন উল্লেখ করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শরণ সিং বলেন, ‘এ নিয়ে সাধারণ পরিষদে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টির অবকাশ নেই। কারণ, সিমলা চুক্তিতে পাকিস্তান এই মর্মে রাজি হয়েছে যে, জম্মু কাশ্মিরের ব্যাপারে পরস্পরের মতামত যাই হোক না কেন, বিষয়টি তারা আপসে নিষ্পত্তি করবে এবং উত্তেজনা সৃষ্টি বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে পরিস্থিতি ঘোলাটে করবে না।’ তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ফোরামে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে না।’

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়তো তার দেশের সমালোচকদের কাছে মুখ রক্ষার জন্য অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন এখানে তুলেছেন।’

দেশে ৩১ দৈনিক ও ১৩৮ সাপ্তাহিক

তথ্য ও বেতারমন্ত্রী শেখ আব্দুল আজিজ এদিন সংসদে আব্দুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে ৩১টি দৈনিক ও ১৩৮টি সাপ্তাহিক-পাক্ষিক-মাসিক পত্রিকা আছে। এরমধ্যে চারটি দৈনিক ও একটি সাপ্তাহিক সরকারি প্রশাসনের দায়িত্বে পরিচালিত। ২৭টি দৈনিক, ১৩৭টি সাপ্তাহিক, ১৩টি পাক্ষিক ও ৭৬টি মাসিক পত্রিকা বেসরকারি পর্যায়ে পরিচালিত হয়।’ তিনি বলেন, ‘সরকারি দায়িত্বে পরিচালিত পত্রিকাগুলোর কর্মচারীর সংখ্যা ৯৫০ জন।’ একজন সাংবাদিককে বিদেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

লোকবিনিময়ে সাহায্যের আবেদন

জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক হাইকমিশনার সদরুদ্দিন আগা খান উপমহাদেশে মানবিক কারণে ব্যাপক হারে বিমানে করে লোকবিনিময় শুরুর কথা ঘোষণা করেন। এই ব্যাপক বিনিময় কর্মসূচির ব্যয় নির্বাহের জন্য এক কোটি ৪০ লাখ ডলারের বেশি অর্থ সাহায্যের জন্য তিনি বিশ্বব্যাপী আবেদন জানান। তার আগে এ বিষয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন করেন। জাতিসংঘের উদ্বাস্তু হাইকমিশনার বলেন, উপমহাদেশে মানবিক কারণে লোকবিনিময় ত্বরান্বিত ও ব্যাপক হারে করা হলে তা উপমহাদেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিবেশ আনতে পারে। ছয় মাসের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। উপমহাদেশে লোকবিনিময় তদারকি করার জন্য অবিলম্বে জাতিসংঘের তহবিলে সাহায্য পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি।

ডেইলি অবজারভার, ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ বাঙালিদের দেশে আনতে বিমান ও জাহাজ দিচ্ছে রাশিয়া

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুরোধে সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান লিওনিদ ব্রেজনেভ পাকিস্তান থেকে আটক বাঙালি এবং বাংলাদেশে অবস্থানকারী পাকিস্তানিদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো ত্বরান্বিত করার জন্য একটি বিমান ও একটি বড় আকারের যাত্রীবাহী জাহাজ দিয়ে সাহায্য করার প্রস্তাব দেন বলে উল্লেখ করা হয়। এদিন ঢাকায় বাংলাদেশ পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র এ কথা জানান।

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

করোনায় মৃত্যু: ২৬ জনের ১৫ জনই নারী

করোনায় মৃত্যু: ২৬ জনের ১৫ জনই নারী

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত শক্তিশালী: হাছান মাহমুদ

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত শক্তিশালী: হাছান মাহমুদ

অবশেষে ৬ শর্তে ইলিশ রফতানির সিদ্ধান্ত

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১০

সব অনুরোধ উপেক্ষা করেই ইলিশ রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশের ৫২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে ইলিশ রফতানির অনুমতি দিয়ে আদেশ জারি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ মেট্রিক টন করে মোট ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের রফতানি-২ শাখা থেকে জারি করা এ সংক্রান্ত চিঠি আমদানি ও রফতানি-প্রধান নিয়ন্ত্রককে পাঠানো হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব তানিয়া ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে এই পরিমাণে ইলিশ মাছ রফতানির সুযোগ পাবে দেশের ৫২টি প্রতিষ্ঠান। সে ক্ষেত্রে রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ৬টি শর্ত মানতে হবে। শর্তগুলো হচ্ছে: রফতানি নীতি ২০১৮-২০২১-এর বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে। শুল্ক কর্তৃপক্ষ দ্বারা রফতানিকৃত পণ্যের কায়িক পরীক্ষা করাতে হবে। প্রতিটি কনসাইনমেন্ট শেষে রফতানি সংক্রান্ত কাগজপত্র রফতানি-২ অধিশাখায় পাঠাতে হবে। অনুমোদিত পরিমাণের বেশি পণ্য রফতানি করা যাবে না। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে পণ্য রফতানি করতে হবে। এরপর রফতানি আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে সরকার মৎস্য আহরণ ও পরিবহনের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করলে তা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ অনুমতির মেয়াদ শেষ হবে। এই অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয় বা অনুমোদিত রফতানিকারক ব্যতীত সাব-কন্ট্রাক্টে রফতানি করা যাবে না।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ মাছ রফতানি বিষয়ে প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে শর্তসাপেক্ষে ৫২টি প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত পরিমাণ ইলিশ মাছ ভারতে রফতানির অনুমতি দেওয়া হলো। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সে হিসাবে মোট ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন মাছ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ জানিয়েছেন, সাময়িক সময়ের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ইলিশ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতে বাজারে কোনও প্রভাব পড়বে না। 

এ প্রসঙ্গে মৎস ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় আচারের অংশ হিসেবে সীমিত পরিমাণে ইলিশ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, এটি বাণিজ্যিকভাবে নয়। 

 

/এসআই/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

দুজনের প্রাণহানি ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে: ইসি সচিব

দুজনের প্রাণহানি ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে: ইসি সচিব

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

দুজনের প্রাণহানি ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে: ইসি সচিব

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪২

মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুটি কেন্দ্রকে ঘিয়ে দুজনের প্রাণহানির ঘটনা ছাড়া অন্যত্র নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশন। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোট শেষে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সংবাদ ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এ দাবি করেন।

সচিব বলেন, যেসব তথ্য পেয়েছি- আমরা মনে করি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। কিছু প্রার্থী ও সমর্থক খুবই ইমোশনাল হয়ে যান, তাদের কারণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুই গ্রুপের মধ্যে মহেশখালীতে সহিংসতা ঘটেছে ও কুতুবদিয়ায় দুষ্কৃতিকারীরা ব্যালট ছিনতাই করতে গিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশে ব্যবস্থা নিয়েছে।

ভোট চলাকালে সহিংসতায় কুতুবদিয়ায় ও মহেশখালীতে দুজন নিহতের ঘটনাকে দুঃখজনক উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন, এটা খুবই বেদনাদায়ক। নির্বাচনি সহিংসতায় মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় ২ জনের প্রাণহানি হয়েছে, আরও কয়েক জায়গায় প্রার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় সংঘর্ষে আহত অনেকে হয়েছে। এছাড়া বাকি সব জায়গায় নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।

তিনি জানান, কুতুবদিয়ায় একদল সন্ত্রাসী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে প্রবেশ করে প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং কর্মকর্তাকে হুমকি দেয়। তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি করে, সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অনিয়মের কারণে ৫টি কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করতে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ নির্বাচনে ভোট পড়ার হার নিয়ে প্রাথমিক পাওয়া তথ্যও তুলে ধরেন সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। তিনি জানান, ইভিএমে ইউপিতে অন্তত ৫০ শতাংশ ভোট পড়েছে। পৌরসভায় ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। ব্যালটের মাধ্যমে যেসব জায়গায় ভোট পড়েছে তাতে ৬৫ শতাংশের বেশি ভোট হবে।

নির্বাচনে সহিংসতার প্রশ্নে সচিব  জানান, ইউপিতে ঘরে ঘরে নির্বাচনি আমেজ থাকে। প্রার্থী যারা রয়েছেন তারা এত বেশি ইমোশনাল হয়ে যান, নিজেরাই দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। এতে অকস্মাৎ নিজেদের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে ও ঘটে যেতে পারে।

/ইএইচএস/এমআর/

সম্পর্কিত

রাত পোহালেই ১৬০ ইউপিতে ভোট

রাত পোহালেই ১৬০ ইউপিতে ভোট

অন্য ধাপের ইউপি ভোটের তফসিল এ মাসের শেষে

অন্য ধাপের ইউপি ভোটের তফসিল এ মাসের শেষে

ইউপিতে ভোট পড়ার হার ৬৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ

ইউপিতে ভোট পড়ার হার ৬৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ

ইউপি ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে: ইসি সচিব

ইউপি ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে: ইসি সচিব

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:০১

গত সপ্তাহে তার আগের সপ্তাহের চেয়ে করোনায় রোগী শনাক্ত, মৃত্যু এবং সুস্থ হওয়ার সংখ্যা কমেছে। তবে বেড়েছে নমুনা পরীক্ষা। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সপ্তাহভিত্তিক বিশ্লেষণে এ তথ্য জানানো হয়।

অধিদফতর জানায়, গত সপ্তাহে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এক লাখ ৯০ হাজার ৯২৩টি। এর আগের সপ্তাহে ছয় সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল এক লাখ ৮২ হাজার ৭১৮টি। অর্থাৎ, নমুনা পরীক্ষার হার বেড়েছে চার দশমিক ৪৯ শতাংশ।

গত সপ্তাহে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১২ হাজার ২৭০ জন, আর আগের সপ্তাহে শনাক্ত হয়েছিলেন ১৫ হাজার ৯৫৭ জন। রোগী শনাক্তের হার কমেছে ২৩ দশমিক ১১ শতাংশ। গত সপ্তাহে রোগী সুস্থ হয়েছেন ২২ হাজার ৭২০ জন। আর আগের সপ্তাহে সুস্থ হয়েছিলেন ২৭ হাজার ৭৫৮ জন। রোগী সুস্থ হওয়ার হার কমেছে ১৮ দশমিক ১৫ শতাংশ।

অধিদফতর জানায়, গত সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৯৪ জনের, আর গত সপ্তাহে মারা গিয়েছেন ৩৬৮ জন। গত সপ্তাহে মৃত্যুহার কমেছে ২০ দশমিক ১১ শতাংশ।

 

/জেএ/আইএ/

সম্পর্কিত

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

করোনায় মৃত্যু: ২৬ জনের ১৫ জনই নারী

করোনায় মৃত্যু: ২৬ জনের ১৫ জনই নারী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

মৃত্যু কমেছে ২০ শতাংশ

করোনায় মৃত্যু: ২৬ জনের ১৫ জনই নারী

করোনায় মৃত্যু: ২৬ জনের ১৫ জনই নারী

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত শক্তিশালী: হাছান মাহমুদ

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত শক্তিশালী: হাছান মাহমুদ

দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান

দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান

নিজস্ব অর্থায়নে গ্যাসের প্রিপেইড মিটার স্থাপনের সুপারিশ

নিজস্ব অর্থায়নে গ্যাসের প্রিপেইড মিটার স্থাপনের সুপারিশ

সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব চাওয়ার চিঠি অপ্রত্যাশিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব চাওয়ার চিঠি অপ্রত্যাশিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রী সংসদ সদস্যদের সাক্ষাৎ

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রী সংসদ সদস্যদের সাক্ষাৎ

সর্বশেষ

দিঘলিয়ায় নৌকার প্রার্থীদের ভরাডুবি

দিঘলিয়ায় নৌকার প্রার্থীদের ভরাডুবি

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সদর দফতরের বাগানে বৃক্ষরোপণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

তৃতীয়বারের মতো সোনাগাজীর মেয়র খোকন 

তৃতীয়বারের মতো সোনাগাজীর মেয়র খোকন 

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

স্বাধীনতার ২ বছর পর ফের ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চান ভুট্টো

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস আজ

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস আজ

© 2021 Bangla Tribune