রাজধানীর কলাবাগানে গ্রিন লাইফ হাসপাতালের চিকিৎসক কাজী সাবিরা রহমানের মৃত্যুর ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড ধরে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে রমনা থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ। তারা জানায়, এ জন্য ৫ জনকে গোয়েন্দা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সাবিরা রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শাহেনশাহ বলেন, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কেউ মামলা করতে আসেনি। আজ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। আমরা ধারণা করছি, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলে ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা দায়ের করবে।’
মামলা করার বিষয়ে ডাক্তার সাবিরার চাচাতো ভাই রেজাউল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলে পরে আমরা নিজেরা আলোচনা করে মামলা দায়ের করবো। আমরা প্রতিনিয়ত পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। গোয়েন্দা পুলিশ এ ঘটনার জন্য কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।’
সোমবার (৩১ মে) রাজধানীর কলাবাগানের ফার্স্ট লেনের ৫০/১ নম্বর বাসার তিন তলা থেকে ডাক্তার সাবিরা রহমানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও, পুলিশ ও সিআইডি জানায়, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করা হয়েছে ডাক্তার সাবিরাকে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তারপর আগুন লাগিয়ে ঘটনা অন্যদিকে প্রবাহিত করতে নাটক সাজানো হয় বলে জানান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।









