X
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ৯ আষাঢ় ১৪২৮

সেকশনস

বাহিনী ছেড়ে সশস্ত্র প্রতিরোধে যোগ দিচ্ছেন মিয়ানমারের সেনা সদস্যরা

আপডেট : ০৯ জুন ২০২১, ১৮:২১
image

গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের পর থেকে প্রায় আটশ’ সেনা সদস্য বাহিনী ছেড়ে নাগরিক অসহযোগ আন্দোলনে (সিভিল ডিজঅবিডিয়েন্ট মুভমেন্ট-সিডিএম) যোগ দিয়েছেন। সরকারি বাহিনীর পক্ষ ত্যাগ করা সাবেক এক ক্যাপ্টেন এ তথ্য জানিয়েছেন। সেনা সদস্যদের পক্ষ ত্যাগে সহায়তা দিচ্ছেন লিন হেটেট অং (২৯) নামের এই সাবেক কর্মকর্তা। তিনি মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ৫২৮তম ইনফান্ট্রি ব্যাটালিয়নের হয়ে শান প্রদেশের ট্রায়াঙ্গল রিজিওন কমান্ডে কাজ করেছেন। দেশটির সংবাদমাধ্যম মিয়ানমার নাউ’র প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে গত ১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে রাজপথে জোরালো প্রতিবাদ গড়ে উঠলে প্রাণঘাতী বল প্রয়োগ করে সেনা সরকার। দেশটিতে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে আট শতাধিক বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে। রাজপথে বিক্ষোভ খানিক প্রশমিত হয়ে এলেও সেনা সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটির বহু গোষ্ঠী।

সেনা সরকারের চাকরি ছেড়ে দিয়ে নাগরিক অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন বহু পেশাজীবী। এ তালিকায় চিকিৎসক, শিক্ষক ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যও রয়েছেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এই তালিকায় ক্রমেই বেশি মানুষ যুক্ত হচ্ছেন।

সেনাবাহিনীর পক্ষত্যাগী সাবেক ক্যাপ্টেন লিন হেটেট অং জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে সেনাবাহিনী ছেড়ে দেওয়া প্রায় আটশ’ সদস্যের এক-তৃতীয়াংশ পিপল’স ডিফেন্স ফোর্সে (পিডিএফ) যোগ দিতে প্রস্তুত। বাকিরা সেনা শাসন উৎখাতের বিপ্লবে অন্য কোনও উপায়ে যোগ দেবেন কিন্তু তারা যুদ্ধ করতে চান না। উল্লেখ্য, মিয়ানমারে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া আইনপ্রণেতারা একটি জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করেছেন। ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট নামের এই সরকারের সশস্ত্র শাখা হলো পিডিএফ।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ছেড়ে যাওয়া প্রায় একশ’ সদস্য বাহিনীতে মেজর, ক্যাপ্টেন ও লেফটেন্যান্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। পক্ষ ত্যাগ করা অনেক সদস্য নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত এলাকায় গিয়ে সেখানকার মানুষদের যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।

নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরাই বেশি পক্ষ ত্যাগ করছেন। পদাতিক সেনা হিসেবে কাজ করা সেনাদের পক্ষ ত্যাগ করা বেশি কঠিন হয়ে উঠেছে। কেননা, তারা পালিয়ে গেলে পরিবারের সদস্যরা নিপীড়নের শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। সাবেক ক্যাপ্টেন লিন হেটেট অং বলেন, ‘তাদের পালাতে না পারার মূল কারণ হলো তারা সম্মুখ সারিতে কাজ করছেন। তারা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন।’

/জেজে/এমওএফ/

সম্পর্কিত

তালেবানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে সতর্কতা জাতিসংঘ দূতের

তালেবানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে সতর্কতা জাতিসংঘ দূতের

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে নিয়ে যা বললো সৌদি আরব

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে নিয়ে যা বললো সৌদি আরব

রাজতন্ত্র অবমাননায় অভিযুক্ত কম্বোডিয়ার ৩ অ্যাক্টিভিস্ট

রাজতন্ত্র অবমাননায় অভিযুক্ত কম্বোডিয়ার ৩ অ্যাক্টিভিস্ট

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর সঙ্গে জান্তাবিরোধীদের সংঘর্ষ, নিহত ৪

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর সঙ্গে জান্তাবিরোধীদের সংঘর্ষ, নিহত ৪

চার বছর পর কাতারে সৌদি রাষ্ট্রদূত

চার বছর পর কাতারে সৌদি রাষ্ট্রদূত

রায়িসির কারণে ভেস্তে যেতে পারে ইরানের পরমাণু আলোচনা?

রায়িসির কারণে ভেস্তে যেতে পারে ইরানের পরমাণু আলোচনা?

আফগানিস্তান থেকে সামরিক উপস্থিতি প্রত্যাহার নিয়ে যা বললো পেন্টাগন

আফগানিস্তান থেকে সামরিক উপস্থিতি প্রত্যাহার নিয়ে যা বললো পেন্টাগন

টিকা না নিলে জেলে পাঠানোর হুমকি

টিকা না নিলে জেলে পাঠানোর হুমকি

৮৩ বছরের বৃদ্ধা যখন ফিটনেস আইকন

৮৩ বছরের বৃদ্ধা যখন ফিটনেস আইকন

মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে প্রতিশ্রুতি রাশিয়ার

মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে প্রতিশ্রুতি রাশিয়ার

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে: হামিদ কারজাই

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে: হামিদ কারজাই

সর্বশেষ

শিরোপা লড়াই থেকে ছিটকে গেলো সাকিবের মোহামেডান

শিরোপা লড়াই থেকে ছিটকে গেলো সাকিবের মোহামেডান

যশোরে আরও ৮ মৃত্যু, বেড়েছে লকডাউনের মেয়াদ

যশোরে আরও ৮ মৃত্যু, বেড়েছে লকডাউনের মেয়াদ

ডিউটিভ্যানেই মারা গেলেন পুলিশ কনস্টেবল

ডিউটিভ্যানেই মারা গেলেন পুলিশ কনস্টেবল

ফ্রান্স-পর্তুগাল ম্যাচ কখন, দেখবেন কোথায়  

ফ্রান্স-পর্তুগাল ম্যাচ কখন, দেখবেন কোথায়  

১২ বছর পর তাদের জন্মঘরে ফেরা

১২ বছর পর তাদের জন্মঘরে ফেরা

মোহাম্মদপুরে রিকশাচালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মোহাম্মদপুরে রিকশাচালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

হাতে তৈরি ইনকিউবেটরে অজগরের ২৮ বাচ্চা

হাতে তৈরি ইনকিউবেটরে অজগরের ২৮ বাচ্চা

নাসির ও অমির ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার মামলানাসির ও অমির ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

রাজধানীর ফুটপাত থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

রাজধানীর ফুটপাত থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

৭শ’ পর্বে ‘মান অভিমান’, লক্ষ্য এক হাজার

৭শ’ পর্বে ‘মান অভিমান’, লক্ষ্য এক হাজার

বেশি সন্তান জন্ম দিলে মিলবে ১ লাখ রুপি পুরস্কার

বেশি সন্তান জন্ম দিলে মিলবে ১ লাখ রুপি পুরস্কার

খুলনা বিভাগে রেকর্ড ৩২ জনের মৃত্যু

খুলনা বিভাগে রেকর্ড ৩২ জনের মৃত্যু

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

তালেবানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে সতর্কতা জাতিসংঘ দূতের

তালেবানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে সতর্কতা জাতিসংঘ দূতের

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে নিয়ে যা বললো সৌদি আরব

ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে নিয়ে যা বললো সৌদি আরব

রাজতন্ত্র অবমাননায় অভিযুক্ত কম্বোডিয়ার ৩ অ্যাক্টিভিস্ট

রাজতন্ত্র অবমাননায় অভিযুক্ত কম্বোডিয়ার ৩ অ্যাক্টিভিস্ট

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর সঙ্গে জান্তাবিরোধীদের সংঘর্ষ, নিহত ৪

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর সঙ্গে জান্তাবিরোধীদের সংঘর্ষ, নিহত ৪

চার বছর পর কাতারে সৌদি রাষ্ট্রদূত

চার বছর পর কাতারে সৌদি রাষ্ট্রদূত

রায়িসির কারণে ভেস্তে যেতে পারে ইরানের পরমাণু আলোচনা?

রায়িসির কারণে ভেস্তে যেতে পারে ইরানের পরমাণু আলোচনা?

আফগানিস্তান থেকে সামরিক উপস্থিতি প্রত্যাহার নিয়ে যা বললো পেন্টাগন

আফগানিস্তান থেকে সামরিক উপস্থিতি প্রত্যাহার নিয়ে যা বললো পেন্টাগন

টিকা না নিলে জেলে পাঠানোর হুমকি

টিকা না নিলে জেলে পাঠানোর হুমকি

৮৩ বছরের বৃদ্ধা যখন ফিটনেস আইকন

৮৩ বছরের বৃদ্ধা যখন ফিটনেস আইকন

© 2021 Bangla Tribune