X
শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

মুজিববর্ষের ঘর পেলেন তৃতীয় লিঙ্গের ১৫ জন

আপডেট : ২১ জুন ২০২১, ১৯:৫৭

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের সরকারি ঘর পেয়েছেন ময়মনসিংহের তৃতীয় লিঙ্গের হিজড়া জনগোষ্ঠীর মানুষরা। এ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে তৃতীয় লিঙ্গের ১৫ জনকে জমি ও ঘর দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২০ জুন) সকালে গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনের পর তাদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা মিলনায়তনে জমির দলিলসহ ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসক মো. এনামুল হক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলামসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

দ্বিতীয় পর্যায়ে জেলার মোট ৬৪৫ গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর দেওয়া হয়েছে। উপজেলা ভিত্তিক ঘরের বরাদ্দ হিসেবে ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় ৭৫, মুক্তাগাছায় ৪৫, ফুলবাড়িয়ায় ৭০, ত্রিশালে ৪০, ভালুকায় ৮০, গফরগাঁওয়ে ৭০, নান্দাইলে ১০, ঈশ্বরগঞ্জে ১০, গৌরীপুরে ২৫, তারাকান্দায় ৪০, ফুলপুরে ৩০, হালুয়াঘাটে ৪০ ও ধোবাউড়ায় ৩০টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ময়মনসিংহ সদরের ৭৫টি ঘরের মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের ১৫টি ঘর দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন– আনিসুর রহমান তনু হিজড়া, শহিদুল ইসলাম ওরফে সন্ধ্যা হিজড়া, রাজু মিয়া ওরফে বিজলী হিজড়া, মেহেদী হাসান ওরফে রাব্বি, এনামুল হক রাসেল ওরফে রাশি হিজড়া, ওয়াসিম, রজনী হিজড়া, আঁখি হিজড়া, সুপন দাস ওরফে স্বপ্না হিজড়া, কৃষ্ণা হিজড়া, লিপি হিজড়া, রানী হিজড়া, মজিদ ওরফে মর্জিনা হিজড়া, সোলেমান ওরফে তাজিনা হিজড়া ও রোদেলা হিজড়া।

দীর্ঘদিন পরে হলেও সরকারি ঘর বরাদ্দ পেয়ে দারুণ খুশি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরা। রজনী হিজড়া বলেন, ‘যেমন আমাদের পরিবার থেকেও নেই, তেমনি ছিল না কোনও ঘরবাড়ি। আমরা পরের বাড়িতে কোনও মতে ঘর ভাড়া নিয়ে কষ্ট করে জীবন কাটাতাম। অনেক বাড়িওয়ালা আমাদের ঘর ভাড়া দিতেও চাইতো না। অনেক সময় রাস্তায় কিংবা স্টেশনে রাত কাটাতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের প্রথমে তৃতীয় লিঙ্গের মর্যাদা দিয়ে সমাজে সম্মান দিয়েছেন। এরপর মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ন প্রকল্পে সরকারি জমি ও ঘর বরাদ্দ দিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছেন।’

হিজড়াদের সংগঠন সেতুবন্ধন কল্যাণ সংঘের সভাপতি আনিসুর রহমান তনু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ঘর বরাদ্দ পেয়ে হিজড়া সমাজের ব্যক্তিরা খুবই খুশি। আস্তে আস্তে আমরা অধিকার আদায়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছি। আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বিবেচনায় এনে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. এনামুল হক আমাদের জমি ও ঘর বরাদ্দের ব্যবস্থা করেছেন।’ এখনও যারা ঘরের বরাদ্দ পাননি তৃতীয় পর্যায়ের প্রকল্পে সেই সব হিজড়াদের বরাদ্দের আওতায় আনার দাবি করেছেন তিনি। 

জেলা প্রশাসক মো. এনামুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, মুজিবর্ষ উপলক্ষে জেলার সব গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর বরাদ্দের আওতায় আনা হবে। ময়মনসিংহ জেলায় কোনও ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার থাকবে না। এই লক্ষ্যে বর্তমান সরকার প্রকল্প হাতে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, তৃতীয় লিঙ্গের হিজড়ারা এই সমাজেরই মানুষ। তাদের দ্বিতীয় পর্যায়ের আশ্রয়ন প্রকল্পে বরাদ্দের আওতায় আনা হয়েছে। ভবিষ্যতেও তাদের বরাদ্দের আওতায় আনা হবে। 

 

/এমএএ/

সম্পর্কিত

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

ঈদে বিক্রি না হওয়া ‘কালো মানিক’কে নিয়ে বিপাকে খামারি

ঈদে বিক্রি না হওয়া ‘কালো মানিক’কে নিয়ে বিপাকে খামারি

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

গৃহহীনদের এত ঘর দেয়নি কোনও সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী 

গৃহহীনদের এত ঘর দেয়নি কোনও সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী 

করোনায় চট্টগ্রামে আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৭৪২

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০৯:৪৪

টানা এক সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যু এবং শনাক্ত দুটোই কমেছে। আজ শনিবার (৩১ জুলাই) গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন চার জন। একই সময়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪২ জন। সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৯৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৭৪২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট ৮১ হাজার ৯৫৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ হাজার ৫৫৬ জন চট্টগ্রাম নগরীর। বাকি ২০ হাজার ৪০৩ জন বিভিন্ন উপজেলার।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ১২টি ল্যাবে দুই হাজার ১৩৪টি নমুনা পরীক্ষায় ৭৪২ জন করোনা শনাক্ত হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ৩২৮টি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৭৩০টি এবং চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৬৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এর মধ্যে চবি ল্যাবে ১৬৪ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে ১৬৪ জন এবং চমেক ল্যাবে ২১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া এদিন ১১২টি অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ৪৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

এছাড়া বেসরকারি শেভরন হাসপাতাল ল্যাবে ২১৫টি নমুনা পরীক্ষায় ৮৭ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ১১৭টি নমুনা পরীক্ষায় ৬৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

কক্সবাজারে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, খাদ্য সংকট

কক্সবাজারে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, খাদ্য সংকট

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করায় বাবার জরিমানা

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করায় বাবার জরিমানা

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

কক্সবাজারে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, খাদ্য সংকট

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০৯:৩২

টানা কয়েকদিন ধরে ভারি বর্ষণে কক্সবাজারে সৃষ্ট বন্যার পানি নেমে যাচ্ছে। এতে ভেসে উঠছে ক্ষতচিহ্ন। ফসলির জমির পাশাপাশি গ্রামীণ সড়কগুলোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্গত এলাকায় বসবাসরত মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের অভাব। এ সংকটে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে পানি ও ত্রাণ সহায়তা।

জেলায় কয়েকদিন ধরে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দি হন চকরিয়া, রামু, কক্সবাজার সদর, টেকনাফ এবং উখিয়ার ৫১টি ইউনিয়নের আড়াই লাখ মানুষ। পানিতে ডুবে আছে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের কয়েকটি স্থান। বন্যা দুর্গত এসব এলাকার মানুষরা পড়েছেন অবর্ণনীয় দুর্ভোগে।

এদিকে বন্যার্ত মানুষদের সহযোগিতার জন্য ছুটে চলছে প্রশাসনের লোকজন ও জনপ্রতিনিধিরা। তারা রান্না করা খাবার এবং শুকনো খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন ঘরে ঘরে। একই সঙ্গে ত্রাণসামগ্রীও দেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানিয়েছেন, বন্যা কবলিত এসব মানুষের জন্য ৩০০ মে. টন চাল ও নগদ ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে। সরকারের পাশাপাশি যার যার অবস্থান থেকে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে স্বাস্থ্যসেবা, রাস্তাঘাট, কৃষি, মৎস্য, লবণ, ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হবে। ইতোমধ্যে কক্সবাজার সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান, সদর, ঈদগাঁও ও রামুতে সংসদ সদস্য সাইমুন সরওয়ার কমল এবং চকরিয়া ও পেকুয়ায় সংসদ সদস্য জাফর আলমসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও নেতারা সহায়তা নিয়ে মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছেন, জেলার ৭১টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভার মধ্যে ৫১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ৫২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ৭৬ হাজার ৫০০ পরিবারের আড়াই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছিলেন। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ ৩২ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্লাবিত এলাকার জন্য ইতোমধ্যে ৩০০ মেট্টিক টন চাল দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও ১৫ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। পানি শুকিয়ে গেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, গত তিন ধরে ভারি বর্ষণে পাহাড়ধস ও বন্যার পানিতে ভেসে ২০ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

করোনায় চট্টগ্রামে আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৭৪২

করোনায় চট্টগ্রামে আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৭৪২

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করায় বাবার জরিমানা

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করায় বাবার জরিমানা

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০৯:১৪

চলমান কঠোর লকডাউনে জামালপুরের ইসলামপুরে বসেছে পশুর হাট। এলাকাবাসী জানান, শুক্রবার (৩০ জুলাই) বিকালে ইসলামপুর উপজেলা থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে গাইবান্ধা ইউনিয়নের নাপিতেরচর হাটে হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলে গরু-ছাগল ক্রয়-বিক্রয়।

ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সাপ্তাহিক ওই গরু হাট পরিচালনা করেন গাইবান্ধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান শান্ত। লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন তৎপর থাকলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না ওই গরু হাটটিতে। গরু হাটটিতে তিল ধারণের জায়গায় নেই ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণে। স্বাস্থ্য সচেতনতা কারও মধ্যেই লক্ষ করা যায়নি। এ বাজারে হুমড়ি খেতে দেখা যায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের। কেউই মানছেন না করোনা রোধে স্বাস্থ্যবিধি।

হাটের ইজারাদার আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি ইউএনও স্যারকে বলে হাট চালিয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই হাট পরিচালনা করা হয়েছে।’

স্থানীয় এলাকাবাসী আক্রাম হোসেন, নজরুল ইসলাম, আবেদ আলী, আবুল হাসেম, লুৎফর রহমান, মিস্টারসহ অনেকেই জানান, প্রতি শুক্রবার দুপুরে নাপিতেরচর গো-হাটটি বসছে। এতে আশেপাশের উপজেলাগুলো থেকে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম মোরশেদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এলাকার কয়েকজন গরু নিয়ে এসেছিল। তাদের নিষেধ করাতে সবাই গরু নিয়ে চলে গেছে।  বাজার বসতে পারেনি।’

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোর্শেদা জামান বলেন, ‘নাপিতেরচর গরু হাট বসার তথ্য আমার জানা নেই। সব ধরনের পশুর হাট আগেভাগেই বন্ধ করে দিয়েছি। বিষয়টি আমি দেখছি।’

/এমএএ/

সম্পর্কিত

ঈদে বিক্রি না হওয়া ‘কালো মানিক’কে নিয়ে বিপাকে খামারি

ঈদে বিক্রি না হওয়া ‘কালো মানিক’কে নিয়ে বিপাকে খামারি

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০৩:০২

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার এক বছর পূর্ণ হলো। ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ায় গুলিতে নিহত হন তিনি। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় গত ২৬, ২৭ ও ২৮ জুলাই বাদীপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কঠোর লকডাউনের কারণে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ।

সিনহা হত্যার দুই দিন পর চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করেছিল চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে ঘটনার কারণ ও উৎস অনুসন্ধানের প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুপারিশসহ জমা দেয়।

হত্যাকাণ্ডের পাঁচ দিনের মাথায় সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত হওয়া সাবেক পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ নয় জনকে আসামি করে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন। মামলার পরদিন ৬ আগস্ট প্রধান আসামি লিয়াকত আলী ও প্রদীপ কুমার দাশসহ সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

প্রথমে মামলাটি র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার জামিল আহমদকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে তার পরিবর্তে র‍্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলামকে তদন্তের দায়িত্ব দেন আদালত।

হত্যায় সংশ্লিষ্টতা পেয়ে পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষী এবং শামলাপুর চেকপোস্টে দায়িত্বরত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে মামলার আরেক আসামি টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক সদস্য কনস্টেবল রুবেল শর্মাকেও গ্রেফতার করা হয়। পর্যায়ক্রমে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম তাদের রিমান্ডে নেন। 

রিমান্ডের আসামিদের স্বীকারোক্তিতে আরও চার আসামিকে মামলায় যুক্ত করা হয়। এরপর ১৪ আসামিকে র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এদের মধ্যে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা ছাড়া ১২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

চার মাস তদন্ত শেষে ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০২১ সালের ২৪ জুন আত্মসমর্পণ করেন এই মামলার একমাত্র পলাতক আসামি কনস্টেবল সাগর দেব। চলতি বছরের ২৭ জুন মামলায় অভিযুক্ত ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনপূর্বক সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন আদালত।

মামলায় কারাগারে থাকা ১৫ আসামি হলো- বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলী, সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুল করিম, সাগর দেব, রুবেল শর্মা, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এপিবিএনের এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজীব, মো. আবদুল্লাহ এবং সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নিজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

চলতি বছরের ২৭ জুন সব আসামির উপস্থিতিতে মামলার অভিযোগ গঠন করেন কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল। এর আগে মামলা তদন্তকালীন সময়ে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ও কনস্টেবলসহ এক হাজার ৫০৫ পুলিশকে বদলি করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ফরিদুল আলম চৌধুরী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের কারণে সারা দেশের মতো কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে স্বাভাবিক কার্যক্রম না চলায় নির্ধারিত দিনে মেজর সিনহা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। 

তিনি বলেন, মামলার সাক্ষী ৮৩ জন। আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে সাক্ষ্যগ্রহণসহ অন্যান্য বিচারপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। ২৬, ২৭ ও ২৮ জুলাই মামলায় বাদী পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন আদালত। কিন্তু কঠোর লকডাউনের কারণে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় পিছিয়ে নেওয়া হয় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন।

মামলার চার্জশিট:

র‌্যাবের দেওয়া চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালের ৭ জুলাই মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান, সহকর্মী শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও রুফতি কক্সবাজারের নীলিমা রিসোর্টে অবস্থান করেন। ইউটিউবে একটি ভিডিও চ্যানেল নিয়ে কাজ করার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক হয়। সাধারণ মানুষ পুলিশের মাধ্যমে তাদের জিম্মি দশা, অত্যাচারের ঘটনা মেজর সিনহাকে জানান। এসব জেনে সিনহা পীড়িত হন। নীলিমা রিসোর্ট থেকে টেকনাফে রওনা হন সিনহা ও সহকর্মী সিফাত। সন্ধ্যায় মারিশবুনিয়া গ্রামের টুইন্যা পাহাড়ে যান সিনহা। পরে একটি মসজিদ থেকে মাইকে এলাকায় ডাকাত ঢুকেছে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। 

ঘোষণার নেপথ্যে ছিলেন স্থানীয় আয়াজ উদ্দিন ও নুরুল আমিন। তারা পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত। ওই দিন সকাল থেকে সিনহার গতিবিধি নজরে রাখা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে ওসি প্রদীপকে জানানো হয়, মেজর সিনহা প্রাইভেটকার নিয়ে শামলাপুর পাহাড়ে গেছেন। এ সময় সোর্সের মাধ্যমে সিনহার প্রতি নজর রাখেন পরিদর্শক লিয়াকত আলী। 

শামলাপুর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) চেকপোস্টে তল্লাশির নামে গাড়ি থেকে নামিয়ে সিনহাকে চারটি গুলি করেন লিয়াকত আলী। কিছুক্ষণ পর ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘটনাস্থলে যান, তখনও সিনহা জীবিত ছিলেন। এ সময় ওসি প্রদীপ সিনহার মুখমণ্ডল ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পা দিয়ে আঘাত করেন। এরপর সিনহার মৃত্যু হয়। পরে তাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে আদালতে দেওয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, সিনহা হত্যা মামলাটি বেআইনি ও অবৈধ দাবি করে ৪ অক্টোবর মামলার প্রধান আসামি লিয়াকতের আইনজীবী মাসুদ সালাহ উদ্দিন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে একটি মামলা করেন। কিন্তু ওই মামলার বিশেষ কোনও অগ্রগতি এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি।

/এএম/

সম্পর্কিত

করোনায় চট্টগ্রামে আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৭৪২

করোনায় চট্টগ্রামে আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৭৪২

কক্সবাজারে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, খাদ্য সংকট

কক্সবাজারে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, খাদ্য সংকট

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করায় বাবার জরিমানা

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করায় বাবার জরিমানা

ঈদে বিক্রি না হওয়া ‘কালো মানিক’কে নিয়ে বিপাকে খামারি

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০১:৩৬

কোরবানির পশুর হাটে ৩৭ মণ ওজনের ‘কালো মানিক’কে বিক্রি করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়া গ্রামের খামারি জাকির হোসেন সুমন।

ঢাকার উত্তরা ও আজিমপুর কোরবানির হাটে নিয়েও বিক্রি করতে না পেরে ‘কালো মানিক’কে ফিরিয়ে আনতে হয়েছে নিজ বাড়িতে। বাজারে সর্বোচ্চ সাড়ে ১১ লাখ টাকার দাম উঠেছিল। কিন্তু মালিক সুমনের চাহিদা ছিল ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার মতো।

এর আগের বছর কোরবানি ঈদে ‘লাল মানিক’ নামের আরেকটি গরু বিক্রি করেছিলেন ১৩ লাখ টাকায়। ওই সময়ে ‘কালো মানিক’র দাম উঠেছিল ১১ লাখ টাকা।

খামারি জাকির হোসেন সুমন বলেন, ‘আল্লাহ-ই ভালো জানেন, কালো মানিক আমার হাতে আর কতদিন খাবার খাবে। বিক্রি করতে পারিনি তাতে কী হয়েছে? নসিবে যা আছে তাই হবে। প্রতিদিন কালো মানিকের পেছনে খাওয়া বাবদ এক হাজার থেকে ১২০০ টাকা লাগে। ওর পেছনে একজন শ্রমিক আছে, যার মাসিক বেতন দিতে হয় ১২ হাজার টাকা।’

তিনি বলেন, ‘ভালো দাম পেলে বিক্রি করব, না পেলে খামারে রেখে দিব। মাস খানেক যাওয়ার পর আরও পাঁচ-ছয়টা ষাঁড় গরু কিনে কালো মানিকের সঙ্গে লালন-পালন করতে শুরু করব। মাছ চাষের পাশাপাশি শখ করে গরু লালন-পালন করি। শখের বসেই গত পাঁচ বছর আগে ৬৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কালো মানিককে কিনে এনে খামারে লালন-পালন করি। বর্তমানে কালো মানিকের ওজন ৩৭ মণ।’

এ খামারি আরও বলেন, ‘বর্তমানে মাংস ওজনে বিক্রি করলেও কালো মানিকের দাম ৯ লাখ টাকার ওপরে রয়েছে। তবে মাংসের জন্য এই গরু কখনও বিক্রি করবো না। শখের বশে যদি কোনও ব্যক্তি ভালোবেসে বেশি দামে কিনে নেয়, তাহলে তার কাছেই বিক্রি করবো।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

গৃহহীনদের এত ঘর দেয়নি কোনও সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী 

গৃহহীনদের এত ঘর দেয়নি কোনও সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী 

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

সর্বশেষ

করোনায় চট্টগ্রামে আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৭৪২

করোনায় চট্টগ্রামে আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৭৪২

কক্সবাজারে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, খাদ্য সংকট

কক্সবাজারে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, খাদ্য সংকট

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

টিকার টার্গেট এক কোটি, তবে পরিকল্পনায় আসতে পারে পরিবর্তন

টিকার টার্গেট এক কোটি, তবে পরিকল্পনায় আসতে পারে পরিবর্তন

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের আহ্বান

সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের আহ্বান

৭৮ বছর বয়সে টিকটকে ভাইরাল

৭৮ বছর বয়সে টিকটকে ভাইরাল

বিরল তুষারপাতে ঢেকে গেলো ব্রাজিল

বিরল তুষারপাতে ঢেকে গেলো ব্রাজিল

গাদ্দাফির ছেলে জীবিত, প্রেসিডেন্ট হওয়ার ইঙ্গিত!

গাদ্দাফির ছেলে জীবিত, প্রেসিডেন্ট হওয়ার ইঙ্গিত!

ওমান উপকূলে জাহাজে হামলায় ইরান দায়ী: ইসরায়েল

ওমান উপকূলে জাহাজে হামলায় ইরান দায়ী: ইসরায়েল

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

ঈদে বিক্রি না হওয়া ‘কালো মানিক’কে নিয়ে বিপাকে খামারি

ঈদে বিক্রি না হওয়া ‘কালো মানিক’কে নিয়ে বিপাকে খামারি

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

গৃহহীনদের এত ঘর দেয়নি কোনও সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী 

গৃহহীনদের এত ঘর দেয়নি কোনও সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী 

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

ময়মনসিংহ মেডিক্যালকরোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৮ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৮ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ১৬ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ২৪ ঘণ্টায় ১৬ মৃত্যু

নিবন্ধন করেও টিকা নেননি, অ্যাপে দেখাচ্ছে দুই ডোজই সম্পন্ন

নিবন্ধন করেও টিকা নেননি, অ্যাপে দেখাচ্ছে দুই ডোজই সম্পন্ন

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে যুক্ত হলো অক্সিজেনের ৫০ সিলিন্ডার 

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে যুক্ত হলো অক্সিজেনের ৫০ সিলিন্ডার 

বাছুর ছাড়াই প্রতিদিন ৪ লিটার দুধ দিচ্ছে গরু

বাছুর ছাড়াই প্রতিদিন ৪ লিটার দুধ দিচ্ছে গরু

© 2021 Bangla Tribune