X
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

মেজর অব. মান্নান দম্পতিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্ত কমিটির জিজ্ঞাসাবাদ

আপডেট : ২৪ জুন ২০২১, ০০:১০

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক দুই প্রভাবশালী ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী ও এসএম মনিরুজ্জামানসহ শীর্ষ পাঁচ কর্মকর্তাকে মঙ্গলবার  জিজ্ঞাসাবাদের পর  বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানির (বিআইএফসি) সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব.) আবদুল মান্নান ও তার  স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত কমিটি। বিআইএফসি’র অর্থ কেলেঙ্কারীর ঘটনায় এ নিয়ে শতাধিক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কমিটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিআইএফসির মোট শেয়ারের ৫৬ শতাংশই মেজর (অব.) মান্নানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের, যা আইন পরিপন্থী।

বিআইএফসি’র বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ নিয়ে  টাকাগুলো বের করে নিয়েছেন মেজর অব. মান্নান।

সূত্র জানায়, বিআইএফসি’র বিতরণ করা ৮৫০ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে ৯৭ শতাংশই কু-ঋণ বা মন্দ মানের খেলাপি। এসব খেলাপির বেশিরভাগই দায় মেজর অব. মান্নানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের।

 

/জিএম/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

নগরবাসীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান আতিকুল ইসলাম

নগরবাসীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান আতিকুল ইসলাম

ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে শিগগিরই চার্জশিট

ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে শিগগিরই চার্জশিট

রাজধানীতে কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রাজধানীতে কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত

কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪:৩৬

রাজধানীর ফকিরাপুলে একটি আবাসিক হোটেল থেকে রাকিব (১৯) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৯ জলাই) সকাল দশটায় নিউ মিতালী আবাসিকের একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সাথে গামছা প্যাঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহুরুল হক বলেন, সকাল সাড়ে সাতটায় হোটেল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বরতরা  তার কোন সাড়া-শব্দ না পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুর বারোটায় ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।

মৃত রাকিব পিরোজপুর জেলার মাঠবাড়িয়া উপজেলার বড় হারজি গ্রামের হিমু হাওলাদারের ছেলে।

/এআইবি/আরটি/এমএস/

সম্পর্কিত

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

নগরবাসীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান আতিকুল ইসলাম

নগরবাসীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান আতিকুল ইসলাম

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

ডেঙ্গুর লার্ভার তথ্য দেওয়ার আহ্বান তাপসের

ডেঙ্গুর লার্ভার তথ্য দেওয়ার আহ্বান তাপসের

সাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধসের শঙ্কা

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৩:৩৩

সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে। আগামীকাল (শুক্রবার) বিকাল পর্যন্ত এই আবহাওয়া থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এ কারণে দেশের চার সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত এবং নদী বন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের অনেক এলাকায় বিশেষ করে দক্ষিণ পশ্চিম দিকে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য সমুদ্র বন্দরে ও নদী বন্দরগুলোতে সতর্ক সংকেত রাখা হয়েছে। ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তায় রয়েছে। আগামীকাল বিকাল পর্যন্ত এই আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। 

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও দক্ষিণ পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশ হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।

লঘুচাপের প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, সিলেট, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।   

ভারী বর্ষণের সতর্কবার্তায় বলা হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টা রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির কারণে ভূমিধসের শঙ্কাও রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে মোংলায় ২৪৫ মিলিমিটার। এ ছাড়া বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে ঢাকায় ২, চট্টগ্রামে ১৪৯, সিলেটে ৪, রাজশাহীতে ২, রংপুরে ১, খুলনায় ২১ এবং বরিশালে ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। 

নদী বন্দরগুলোর জন্য এক সতর্কবার্তায় বলা হয়- রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজার অঞ্চলগুলোর ওপর দিকে দক্ষিণ- দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এজন্য এসব এলাকার বন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আর এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, সুস্পষ্ট লঘুচাপটি বর্তমানে বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের এলাকায় বায়ুচাপের আধিক্য বিরাজ করছে এবং গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সমুদ্র বন্দরগুলোতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। 

 

/এসএনএস/এনএইচ/

সম্পর্কিত

‘সবাইকে নিয়ে সেই বিপদেই পড়তে হলো’

‘সবাইকে নিয়ে সেই বিপদেই পড়তে হলো’

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৯ জন বিচারক চিকিৎসাধীন

করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৯ জন বিচারক চিকিৎসাধীন

ওমর ফারুকের ‘মানসিক সুস্থতা’ পরীক্ষা করবে বিএসএমএমইউ

ওমর ফারুকের ‘মানসিক সুস্থতা’ পরীক্ষা করবে বিএসএমএমইউ

‘সবাইকে নিয়ে সেই বিপদেই পড়তে হলো’

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪:৩৮

ঠিক দুই সপ্তাহ আগে স্বাস্থ্য অধিদফতর জুলাই মাসকে কঠিন বলে আখ্যায়িত করেছিল। সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি শঙ্কা জানিয়েছিল, স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদাসীন হলে দেশে করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। দুই সপ্তাহ পর এসে সেই আশঙ্কাকে সত্যি করে দেশে করোনা মহামারিকালের সবচেয়ে উদ্বেগজনক এবং হতাশার পরিস্থিতি দেখতে হচ্ছে দেশের মানুষকে।  

দেশে করোনার ১৬ মাস চলছে। আর এই সময়ের ভেতরে গত ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৬ হাজারের বেশি। একদিনে এত রোগী শনাক্ত এর আগে বাংলাদেশ দেখেনি।

করোনা আক্রান্ত সংকটাপন্ন বা গুরুতর রোগীরা জেলা বা বিভাগীয় শহরে চিকিৎসাসেবা না পেয়ে আসছে ঢাকায়। রাজধানীর কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোর সামনে দিনভর আসে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স।

গত একদিনে নতুন করে শনাক্ত হওয়া ১৬ হাজার ২৩০ জনকে নিয়ে দেশে করোনাতে সরকারি হিসাবে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১২ লাখ ছাড়িয়ে গেলো। দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১২ লাখ ১০ হাজার ৯৮২ জন। আর এই ১২ লাখ রোগীর মধ্যে লক্ষাধিক শনাক্ত হয়েছেন মাত্র ১০ দিনে। এর আগে গত ১৮ জুলাই দেশে করোনাতে শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা ১১ লাখ ছাড়িয়ে যায়। একদিনে রেকর্ড সংখ্যক রোগী শনাক্তের দিনে দেশে করোনাতে মৃত্যু ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে আক্রান্ত হয়ে ২৩৭ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

গত বছরের ৮ মার্চে দেশে করোনা আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত হন। তারপর গত বছরের জুনের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়ে আগস্ট পর্যন্ত দেশে করোনার রোগীর ঊর্ধ্বগতি ছিল। এরপর শীতের সময়ে সংক্রমণ কমে এসে রোগের নিম্নগামীতা ছিল চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত। এরপর থেকে দেশে করোনার ঊর্ধ্বগামীতা শুরু হয়। তবে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক অবস্থায় এসেছে গত দুই মাস ধরে।

করোনা আক্রান্ত সংকটাপন্ন বা গুরুতর রোগীরা জেলা বা বিভাগীয় শহরে চিকিৎসাসেবা না পেয়ে আসছে ঢাকায়। রাজধানীর কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোর সামনে দিনভর আসে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স।

বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ সৃষ্টিকারী ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের দাপটে বাংলাদেশেও দৈনিক রোগী শনাক্ত ও মৃত্যু বাড়ছে কয়েকগুণ। করোনার ঊর্ধ্বগতিতে চলতি মাসের দুই সপ্তাহ দেশে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। কিন্তু ঈদুল আজহা উপলক্ষে তা শিথিল করা হয়। আর এই সুযোগে বাস, লঞ্চ, ফেরিতে গাদাগাদি করে ঢাকা ছেড়ে গ্রামমুখী হয়েছে মানুষ। আবার শিথিল লকডাউন শেষে কঠোর লকডাউনের আগে যেভাবে ঢাকা ছেড়েছিল, ঠিক সেভাবেই ফিরেছে তারা। 

কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্যরা সে সময়ে বলছিলেন, শিথিলতার এ নির্দেশনায় তাদের ‘সায়’ ছিল না। তারা বলছেন, সরকারের শিথিল বিধিনিষেধের এ ঘোষণা তাদের পরামর্শের উল্টো চিত্র। এ ছাড়া জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিল, স্বাস্থ্য অধিদফতর যেখানে বার বার ভিড় এড়িয়ে চলার কথা বলছে; সেখানে সংক্রমণের ‘পিক টাইমে’ এ ধরনের ঘোষণা আমাদের আরও খারাপ অবস্থায় নিয়ে যাবে।

সে আশঙ্কাকে সত্যি করে দেশে ঈদের পর থেকে দৈনিক রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর একের পর এক রেকর্ড দেখতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। আর এতে করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করা তালিকায় বিশ্বে এখন দিনে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত ও মৃত্যু হচ্ছে যেসব দেশে, সেই তালিকায় অষ্টম অবস্থানে বাংলাদেশ। 

করোনা আক্রান্ত সংকটাপন্ন বা গুরুতর রোগীরা জেলা বা বিভাগীয় শহরে চিকিৎসাসেবা না পেয়ে আসছে ঢাকায়। রাজধানীর কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোর সামনে দিনভর আসে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স।

কঠিন জুলাই

জুলাই নিয়ে শঙ্কার কথা আগেই জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। গত ১৪ জুলাই ঠিক দুই সপ্তাহ আগে জুলাই মাস অত্যন্ত কঠিন মন্তব্য করে অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক রোবেদ আমিন বলেছিলেন, ‘জুনে এক লাখ ১২ হাজার ৭১৮ জন রোগী শনাক্ত করা হয়েছিল, আর জুলাইয়ের ১৪ দিনে আমরা এত রোগী পেয়ে গেছি। এই মাসের আরও ১৬ দিন বাকি আছে। যেহেতু সংক্রমণের মাত্রা এখন অনেক বৃদ্ধি পাচ্ছে, স্বাস্থ্যবিধি ও প্রতিরোধে ব্যবস্থা যদি না নেওয়া হয়, দুই সপ্তাহ পর্যন্ত টানা এভাবে চলতে পারে। আর মৃত্যু তিন সপ্তাহ পর্যন্ত এভাবে চলতে পারে।’

অধ্যাপক রোবেদ আমিনের সে আশঙ্কাকে সত্যি প্রমাণ করে দেশে দৈনিক শনাক্তে রেকর্ড সংখ্যক রোগী শনাক্ত ও মৃত্যু হচ্ছে বাংলাদেশে। কেবলমাত্র জুলাই মাসে রোগী শনাক্ত হয়েছেন দুই লাখ ৯৭ হাজার ৭২৪ জন আর মোট মৃত্যুর এক চতুর্থাংশ হয়েছে এই মাসে। জুলাইতে মারা গেছেন পাঁচ হাজার ৫১৩ জন।

গত বছর থেকে বিভিন্ন ধরনের ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট ও ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন নিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রাম করে যাচ্ছে জানিয়ে অধ্যাপক রোবেদ আমিন বলেছিলেন, ‘আমরা পর্যবেক্ষণ করছি, বর্তমান সময়ের করুণতম পরিস্থিতির উপক্রমে আমরা চলে এসেছি। যেখানে সংক্রমণের মাত্রা ও মৃত্যু ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

করোনা আক্রান্ত সংকটাপন্ন বা গুরুতর রোগীরা জেলা বা বিভাগীয় শহরে চিকিৎসাসেবা না পেয়ে আসছে ঢাকায়। রাজধানীর কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোর সামনে দিনভর আসে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স।

১০ দিনে শনাক্ত ১ লাখ রোগী

দেশে শনাক্ত হওয়া মোট ১২ লাখ ১০ হাজার ৯৮২ জনের মধ্যে সর্বশেষ ১০ দিনে এক লাখ রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ২৩০ জন, ২৭ জুলাই ১৪ হাজার ৯২৫ জন, ২৬ জুলাই ১৫ হাজার ১৯২ জন, ২৫ জুলাই ১১ হাজার ২৯১ জন, ২৪ জুলাই ছয় হাজার ৭৮০ জন, ২৩ জুলাই ছয় হাজার ৩৬৪ জন, ২২ জুলাই তিন হাজার ৬৯৭ জন, ২১ জুলাই সাত হাজার ৬১৪ জন, ২০ জুলাই ১১ হাজার ৫৭৯ জন, ১৯ জুলাই ১৩ হাজার ৩২১ জন আর ১৮ জুলাই শনাক্ত হন ১১ হাজার ৫৭৮ জন।

এই ১৮ জুলাইতে ১১ হাজার ৫৭৮ জনকে নিয়ে সেদিন মোট ১১ লাখ তিন হাজার ৯৮৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর।

সরকারি আইসিইউ ফাঁকা মাত্র ৯টি

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য মতে, ঢাকার সরকারি ১৬ হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এর মধ্যে তিনটি হাসপাতালে সাধারণ শয্যা থাকলেও আইসিইউ নেই। হাসপাতাল তিনটি হচ্ছে— সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতাল এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতাল।

বাকি হাসপাতালগুলোর মধ্যে কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের ২৬ বেড, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ১০ বেড, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের ১৬ বেড, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের ছয় বেড, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ২০ বেড, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১০ বেড, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের ১৫ বেড, টিবি হাসপাতালের চার বেড এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ বেডের সবগুলোতে রোগী ভর্তি।

আর অন্য হাসপাতালগুলোর মধ্যে মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ২৪ বেডের মধ্যে একটি, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের আট বেডের মধ্যে একটি, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ১০ বেডের মধ্যে তিনটি এবং ডিএনসিসি করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ২০৬ বেডের মধ্যে চারটি বেড ফাঁকা রয়েছে।

অর্থাৎ, ঢাকায় করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া ১৬ হাসপাতালের ৩৭৫টি আইসিইউ বেডের মধ্যে রোগী ভর্তি আছেন ৩৬৬ জন, ফাঁকা রয়েছে মাত্র ৯টি বেড।

অপরদিকে, বেসরকারি ২৮ হাসপাতালের ৪২৭টি আইসিইউ বেডের মধ্যে ফাঁকা রয়েছে মাত্র ৮৪টি। সারাদেশে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া সরকারি ও বেসরকারি ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোর ৭৯৩টি আইসিইউ বেডের ফাঁকা বেডের সংখ্যা ১০০টিরও কম। অধিদফতর জানাচ্ছে, আইসিইউ বেড সবমিলিয়ে ফাঁকা রয়েছে মাত্র ৯৩টি বেড।

করোনা আক্রান্ত সংকটাপন্ন বা গুরুতর রোগীরা জেলা বা বিভাগীয় শহরে চিকিৎসাসেবা না পেয়ে আসছে ঢাকায়। রাজধানীর কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোর সামনে দিনভর আসে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স।

সবাইকে নিয়ে সেই বিপদেই পড়তে হলো

অধ্যাপক রোবেদ আমিন জানিয়েছিলেন, ‘হাসপাতালে যদি আর নতুন রোগীকে জায়গা দেওয়া না যায়, তাহলে আমরা সবাই বিপদে পড়ে যাবো’। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে হাসপাতাল বাড়িয়েও লাভ হবে না বলেও বাংলা ট্রিবিউনকে একাধিকবার জানিয়েছেন তিনি।

তার সেই কথার প্রতিফলন হচ্ছে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কণ্ঠে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, ঢাকাতে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নির্ধারিত বেড রয়েছে ১৬৯টি, কিন্তু সেখানে রোগী ভর্তি আছেন ১৭১ জন। বেডের অতিরিক্ত দুই জন ভর্তি আছেন। একইভাবে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে বেড রয়েছে ২৭৫টি, সেখানে ভর্তি আছেন ৩৬১ জন। বেডের অতিরিক্ত রোগী ভর্তি আছেন ৮৬ জন। আর সারাদেশে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া ১৪টি হাসপাতালে নির্ধারিত বেডের চেয়ে অতিরিক্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন।

‘বেড বাড়িয়েও লাভ হচ্ছে না’ মন্তব্য করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. খলিলুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) তার হাসপাতালে ১০০ বেড বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, এর আগে কয়েক ধাপে ১০০, ২০০, ৩০০ বাড়িয়েছিলাম। এখন ৪ শ’ করা হলো।

আগামী কয়েকদিনের ৫ শ’ বেড করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ঈদের পরে যেভাবে রোগী আসতেছে… ১০০ বেড বাড়ানোর পরেও সেগুলো ভরে যাচ্ছে।

গতকাল ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৬২ জন জানিয়ে তিনি বলেন, একটা হাসপাতালে ৬২ জন ভর্তি হওয়া তো যাতা কথা নয়! আর এভাবে যদি বাড়তে থাকে তাহলে কত বেড বাড়ানো যাবে? আমাদেরতো একটা লিমিটেশনস আছে মন্তব্য করে খলিলুর রহমান বলেন, এত সংক্রমণ যদি চলতে থাকে তাহলে সত্যি কথা বলতে হাসপাতালে জায়গা দেওয়া যাবে না। আমাদের আসলে সবাইকে মিলে সেই বিপদেই পড়তে হলো।

বেড ফাঁকা নাই। আইসিইউ, সাধারণ বেড- কিছুই ফাঁকা নেই বলেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক।

এটাই হওয়ার কথা ছিল মন্তব্য করে ব্রিগেডিয়ার নাজমুল বলেন, কোনও হাসপাতালেই বেড ফাঁকা থাকার কথা না, পুরো ঢাকা শহর হাসপাতাল বানাতে হবে। সবাই মিলে আমরা আসলে বিপদেই পড়লাম। 

ছবি: নাসিরুল ইসলাম

/জেএ/এনএইচ/

সম্পর্কিত

ওমর ফারুকের ‘মানসিক সুস্থতা’ পরীক্ষা করবে বিএসএমএমইউ

ওমর ফারুকের ‘মানসিক সুস্থতা’ পরীক্ষা করবে বিএসএমএমইউ

মাস্ক সঙ্গে থাকলেই হবে?

মাস্ক সঙ্গে থাকলেই হবে?

ঢাকায় আরও ১৫০ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

ঢাকায় আরও ১৫০ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

মডার্না ও সিনোফার্মের প্রায় আড়াই লাখ ডোজ দেওয়া হয়েছে আজ  

মডার্না ও সিনোফার্মের প্রায় আড়াই লাখ ডোজ দেওয়া হয়েছে আজ  

এখনও ভেঙে ভেঙে রাজধানীতে আসছে মানুষ

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১৩:৫৩

চলমান কঠোর লকডাউনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানীতে আসছে মানুষ। প্রাইভেট কার কিংবা ট্রাকে চেপে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে রাজধানীর আশপাশ পর্যন্ত আসছে তারা। এরপর রিকশা কিংবা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা দিয়ে রাজধানীর প্রবেশপথগুলো পর্যন্ত। তারপর দু পা ভরসা। রাজধানীতে ঢুকতে হচ্ছে হেঁটেই। আর যে যানবাহনগুলো রাজধানীতে ঢুকছে সেগুলো পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর গাবতলী এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, নানা কারণেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় কিংবা রাজধানীর আশপাশ থেকে রাজধানীতে ঢুকছে মানুষ। লকডাউনে যাতায়াতের পেছনে তাদের রয়েছে নানান যুক্তি। তাদের কেউ যাচ্ছেন অসুস্থ বোনকে দেখতে, কারো মা অসুস্থ, আবার কেউ যাচ্ছেন ঈদ উপলক্ষে চাচার বাসায় বেড়াতে‑ ইত্যাদি।

যানবাহন থামিয়ে চলছে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ

গাজীপুর থেকে গাবতলী দিয়ে রাজধানীতে ঢুকছিলেন মিল্টন। তিনি বলেন, বোনের বাচ্চা হবে। তাই যাওয়া লাগবে। লকডাউনের মধ্যে এত কষ্ট করেই যাচ্ছি। গাজীপুর থেকে রিক্সায়-অটোরিকশায় গাবতলী পর্যন্ত এসেছি। দেখি সামনে গিয়ে কি পাই।

বোনকে দেখতে কুড়িগ্রাম থেকে এসেছেন সাইফুল ইসলাম সবুজ, যাচ্ছেন কেরানীগঞ্জ। হেঁটে রাজধানীতে ঢোকার সময় গাবতলীতে তিনি জানান, ছোট বোন অসুস্থ। বড় ভাই হিসেবে দেখতে যাওয়ার দায়িত্ব রয়েছে। ভাই বোনকে দেখতে এই লকডাউনের মধ্যেই কষ্ট করে যাচ্ছি।

নবীনগর থেকে রিকশা দিয়ে গাবতলী পর্যন্ত এসেছেন বাহার উদ্দিন। নবীনগরে ফটো তোলার ব্যবসা করেন তিনি। মায়ের অসুস্থতার কারণে তাকে দেখতে চাঁদপুর যাচ্ছেন তিনি। বলেন, আমার মায়ের খুবই মুমূর্ষু অবস্থা। আমাকে যেতেই হবে।

গাবতলীতে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট আসাদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, যেসব যানবাহনে মানুষ রাজধানী থেকে বের হচ্ছে বা রাজধানীতে ঢুকছে সে যানবাহনগুলোকে গাবতলী চেকপোস্টে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাইভেট কার বা মোটরসাইকেলে থাকা যাত্রীদের গন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাওয়া হচ্ছে। তবে যৌক্তিক এবং অযৌক্তিক অনেক কারণই উল্লেখ করছেন মানুষ। অযৌক্তিক কোন বিষয় আমাদের কাছে প্রতীয়মান হলে আমরা যানবাহনগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।

/আরটি/এমএস/

সম্পর্কিত

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

নগরবাসীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান আতিকুল ইসলাম

নগরবাসীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান আতিকুল ইসলাম

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৯ জন বিচারক চিকিৎসাধীন

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২১, ১২:৩৭

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশের অধস্তন আদালতের ৫৯ জন বিচারক এবং ১৪৩ জন সহায়ক কর্মচারী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সুপ্রিমকোর্টের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত (২৮ জুলাই) অধস্তন আদালতের মোট ৩২৫ জন বিচারক এবং ৬৪০ জন সহায়ক কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা আক্রান্ত বিচারকদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২৬৪ জন। তবে ২ জন বিচারক কর্মরত অবস্থায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। করোনা আক্রান্ত হয়ে সহায়ক কর্মচারীদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪৮৯ জন এবং ৮ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে অধস্তন আদালতের ৫৯ জন বিচারক এবং ১৪৩ জন সহায়ক কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন।

প্রসঙ্গত, এরই মধ্যে দেশের বিচার বিভাগে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করোনা ভ্যাকসিন নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। পাশাপাশি এ বিষয়টি তদারকি করছে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন।

 

/বিআই/এনএইচ/ 

সম্পর্কিত

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

ঢাকায় গ্রেফতার বেড়েছে

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে অভিযান: ২৪ মামলায় ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে অভিযান: ২৪ মামলায় ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা

দক্ষিণখানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার নারী কারাগারে

দক্ষিণখানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার নারী কারাগারে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা তরিকুলের জামিন হয়নি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা তরিকুলের জামিন হয়নি

সর্বশেষ

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর লাশ 

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর লাশ 

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

ফকিরাপুলে হোটেল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

সম্পদের হিসাব দিতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়, আমিও প্রস্তুত: ওবায়দুল কাদের

সম্পদের হিসাব দিতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়, আমিও প্রস্তুত: ওবায়দুল কাদের

অলিম্পিকে হারলেও প্রশংসা পাচ্ছেন দিয়া

অলিম্পিকে হারলেও প্রশংসা পাচ্ছেন দিয়া

চাঁদপুর হাসপাতালে ৮ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু

চাঁদপুর হাসপাতালে ৮ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু

তলিয়ে গেছে মোংলা শহর, পানিবন্দি ৭ হাজার মানুষ

তলিয়ে গেছে মোংলা শহর, পানিবন্দি ৭ হাজার মানুষ

গায়েহলুদের মঞ্চে ঘুমোচ্ছেন প্রসূন, আটকে আছে বিয়ে!

গায়েহলুদের মঞ্চে ঘুমোচ্ছেন প্রসূন, আটকে আছে বিয়ে!

ফেসবুকে একইনামে অর্ধশতাধিক পেজ, ‘কুটুমবাড়ি’র সুনাম ক্ষুণ্ণের অভিযোগ

ফেসবুকে একইনামে অর্ধশতাধিক পেজ, ‘কুটুমবাড়ি’র সুনাম ক্ষুণ্ণের অভিযোগ

পুলিশের ধাওয়ায় শীতলক্ষ্যায় ঝাঁপ দেওয়া তরুণের লাশ উদ্ধার 

পুলিশের ধাওয়ায় শীতলক্ষ্যায় ঝাঁপ দেওয়া তরুণের লাশ উদ্ধার 

পর পর দুই মাস বাড়লো এলপিজি-অটোগ্যাসের দাম

পর পর দুই মাস বাড়লো এলপিজি-অটোগ্যাসের দাম

লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী করে?

লকডাউনে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী করে?

সব পণ্যে ফেস আইডি আনতে পারে অ্যাপল

সব পণ্যে ফেস আইডি আনতে পারে অ্যাপল

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

নগরবাসীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান আতিকুল ইসলাম

নগরবাসীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান আতিকুল ইসলাম

ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে শিগগিরই চার্জশিট

ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়ার বিরুদ্ধে শিগগিরই চার্জশিট

রাজধানীতে কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রাজধানীতে কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত

কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত

প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের ১১ আগস্টের মধ্যে টিকা গ্রহণের নির্দেশ

প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের ১১ আগস্টের মধ্যে টিকা গ্রহণের নির্দেশ

মাদকের মামলায় ৪ নাইজেরিয়ান কারাগারে

মাদকের মামলায় ৪ নাইজেরিয়ান কারাগারে

ডেঙ্গুর লার্ভার তথ্য দেওয়ার আহ্বান তাপসের

ডেঙ্গুর লার্ভার তথ্য দেওয়ার আহ্বান তাপসের

এখনও ঢাকা ছাড়ছেন মানুষ

এখনও ঢাকা ছাড়ছেন মানুষ

নৌ-চলাচলে বিঘ্ন, বছিলা সেতু ভেঙে ফেলার চিন্তা

নৌ-চলাচলে বিঘ্ন, বছিলা সেতু ভেঙে ফেলার চিন্তা

ঢাকায় আরও ১৫০ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

ঢাকায় আরও ১৫০ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

© 2021 Bangla Tribune